কিশোর গ্যাংয়ের হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট: নারীসহ আহত ৪!
Reporter Name
Update Time :
শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২৬
৩৯
Time View
কিশোর গ্যাংয়ের হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাট: নারীসহ আহত ৪!
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে প্রকাশ্য দিবালোকে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে। উপজেলার আদালতপাড়া এলাকায় হেলাল মিয়ার বাড়িতে ওবাইদুল ইসলাম মুন্না ও ইমন মিয়ার নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে নারীসহ অন্তত চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে হেলাল মিয়ার ছেলে নাবিলের এক বন্ধুর সঙ্গে একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঝগড়ার ঘটনা ঘটেছিল। তবে যে বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে, সে পরিবারের সদস্যরা ওই ঝগড়ার ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেছেন স্বজনরা। অভিযোগ রয়েছে, পূর্বরোষের জেরে শুক্রবার দুপুরে ওবাইদুল ইসলাম মুন্না ও ইমন মিয়ার নেতৃত্বে কিশোর গ্যাংয়ের একদল সদস্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হেলাল মিয়ার বাড়িতে চড়াও হয়। হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে জান্নাতুল ফেরদৌস রানা বেগম, বিশাল মিয়া, নাবিল মিয়া ও তার চাচা জালাল মিয়াকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় তারা বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও আলমারি ভেঙে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা। দিনের আলোয় এমন নৃশংস হামলায় পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এর মধ্যে অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিশাল মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পরপরই নবীনগর থানায় একাধিকবার ফোন করে সাহায্য চাওয়া হলেও রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি। পুলিশের এমন নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।
82
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগরে প্রকাশ্য দিবালোকে কিশোর গ্যাংয়ের হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে।
উপজেলার আদালতপাড়া এলাকায় হেলাল মিয়ার বাড়িতে ওবাইদুল ইসলাম মুন্না ও ইমন মিয়ার নেতৃত্বে এই হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে নারীসহ অন্তত চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
স্থানীয় ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে হেলাল মিয়ার ছেলে নাবিলের এক বন্ধুর সঙ্গে একটি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে ঝগড়ার ঘটনা ঘটেছিল। তবে যে বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে, সে পরিবারের সদস্যরা ওই ঝগড়ার ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত ছিলেন না বলে দাবি করেছেন স্বজনরা।
অভিযোগ রয়েছে, পূর্বরোষের জেরে শুক্রবার দুপুরে ওবাইদুল ইসলাম মুন্না ও ইমন মিয়ার নেতৃত্বে কিশোর গ্যাংয়ের একদল সদস্য দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হেলাল মিয়ার বাড়িতে চড়াও হয়। হামলাকারীরা ঘরে ঢুকে জান্নাতুল ফেরদৌস রানা বেগম, বিশাল মিয়া, নাবিল মিয়া ও তার চাচা জালাল মিয়াকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে ও পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। এ সময় তারা বাড়িঘরে ব্যাপক ভাঙচুর ও আলমারি ভেঙে নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার লুট করে নিয়ে যায় বলে অভিযোগ করেন স্বজনরা।
দিনের আলোয় এমন নৃশংস হামলায় পুরো এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা গুরুতর আহতদের উদ্ধার করে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। এর মধ্যে অবস্থার অবনতি হওয়ায় বিশাল মিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পরপরই নবীনগর থানায় একাধিকবার ফোন করে সাহায্য চাওয়া হলেও রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কোনো সদস্য ঘটনাস্থলে উপস্থিত হননি। পুলিশের এমন নিষ্ক্রিয়তায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার ও স্থানীয় এলাকাবাসী। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।