1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা : দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকা
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
লোহাগাড়ায় ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড যুব সমাজের উদ্যোগে ব্যাটমিন্টন টুনামেন্ট উদ্ভোধন নরসিংদীর শিবপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বক্তব্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন শ্রীনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানঃ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষে তারেক জিয়া প্রজন্ম দলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শৈলকুপা শাহী মসজিদের ৩০ লাখ টাকা গায়েব! মোতাওয়াল্লির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নওগাঁ জেলা সদর মডেল থানায় নতুন অফিসার (ওসির)যোগদান বটিয়াঘাটায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত। কটিয়াদীতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন । বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

জলঢাকায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ১৪ ফ্যান চুরি, শিক্ষকদের দায়িত্বহীনতার অভিযোগ

মোঃ জামিয়ার রহমান নীলফামারী:
  • Update Time : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪১ Time View
68

মোঃ জামিয়ার রহমান নীলফামারী:

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলার পূর্ব শিমুলবাড়ী উদয়ন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ১৪টি সিলিং ফ্যান চুরির ঘটনা ঘটেছে। কোনো প্রকার তালা ভাঙা কিংবা ভাঙচুরের চিহ্ন ছাড়াই ঘটে যাওয়া এই রহস্যজনক চুরির ঘটনা এবং শিক্ষক-শিক্ষিকাদের দায়িত্বহীন আচরণে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
​বিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, গত বৃহস্পতিবার পাঠদান শেষে শিক্ষকরা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে চলে যান। পরবর্তীতে রবিবার এসে শ্রেণি কক্ষের ১৪টি সিলিং ফ্যান গায়েব দেখতে পান। তালা না ভেঙে কীভাবে ফ্যান চুরি হলো, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও এ বিষয়ে এখনো থানা পুলিশকে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই জানানো হয়নি।
​ফ্যান চুরির বিষয়টি স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হিমাংশু কুমার রায় বলেন, “আমরা নিজেদের উদ্যোগে ফ্যানগুলো উদ্ধারের চেষ্টা করছি। উদ্ধার করতে না পারলে পরবর্তীতে থানায় লিখিত অভিযোগ করা হবে।”
​এদিকে ঘটনার বিষয়ে জানতে সরজমিনে বিদ্যালয়ে গেলে সেখানকার সহকারী শিক্ষিকা পল্লবী রানী সাংবাদিকদের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণে বলেন, “আমাদের প্রাতিষ্ঠানিক বিষয় আমরা দেখছি, এখানে সংবাদকর্মীদের কী কাজ?” শিক্ষিকার এমন বক্তব্যে স্থানীয় সুশীল সমাজ ও অভিভাবকদের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে।
​স্কুলের নথিপত্র অনুযায়ী মোট শিক্ষার্থী সংখ্যা ১১৫ জন দেখানো হলেও সরজমিনে উপস্থিতি দেখা গেছে মাত্র ২৯ জন। বিদ্যালয়ের পড়াশোনার চরম মানহীনতা ও শিক্ষক-শিক্ষিকাদের অলসতা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী। তাদের অভিযোগ, শিক্ষার উপযুক্ত পরিবেশ না থাকায় কোনো সচেতন অভিভাবক এখানে সন্তানকে ভর্তি করান না। দিনের পর দিন শিক্ষকদের খামখেয়ালিপনায় প্রতিষ্ঠানটি ধ্বংসের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে।
​চুরি ও অন্যান্য অনিয়মের বিষয়ে বক্তব্য জানতে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও লাইন ব্যস্ত থাকায় তাঁর কোনো বক্তব্য পাওয়া সম্ভব হয়নি।
​শিক্ষার মান ফিরিয়ে আনতে এবং সরকারি সম্পদ রক্ষায় অবিলম্বে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কড়া নজরদারি দাবি করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026