দিনাজপুর বীরগঞ্জে চোরাই পথে হাইস্কুলের মুল্যবান গাছ কেটে বিক্রি কালে আটক। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আজাদের শাস্তি দাবী।
রনজিৎ সরকার রাজ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি
Update Time :
শুক্রবার, আগস্ট ২১, ২০২৬,
14 Time View
দিনাজপুর বীরগঞ্জে চোরাই পথে হাইস্কুলের মুল্যবান গাছ কেটে বিক্রি কালে আটক। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আজাদের শাস্তি দাবী।
রনজিৎ সরকার রাজ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:২১ আগষ্ট শুক্রবার বন্ধের দিনে উপজেলার চৌধুরীহাট আত্রাই উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় চত্ত্বরের মুল্যবান ৮/১০টি ইউক্লিপ্টার গাছ অতি গোপনে চোরাই পথে কেটে বিক্রি করেন প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ। কর্তন করা গাছের মুল্য ৪০/৫০ হাজার টাকা মর্মে সকলের ধারনা। মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জুলফিকার আলী শাহের সাথে কথা হলে জানা যায় অভিযোগ পেয়ে কর্তন করা গাছ সমুহ তিনি আটক করেছেন। বর্তমানে সেগুলি স্কুলের ভিতরেই স্তূপ করা আছে। স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের অভিযোগ, শুক্রবার বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় এবং প্রতিষ্ঠানের মেইন ফটক বন্ধ করে প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের নির্দেশে এবং স্বয়ং উপস্থিতিতে গাছগুলো কাটা হয়। মৃত গফুর আলীর পুত্র গাছ ক্রেতা কাঠ ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের লোকজন গাছগুলো কর্তন করেছে। তবে গাছের মুল্য খুব কম বলে তিনি উল্লেখ করেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তারা প্রধান শিক্ষক আজাদের শাস্তি দাবী করেন। সরেজমিনে গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রতিষ্ঠানে অনেক কাজ বাকী কিন্তু ফান্ডে কোন টাকা নেই। তাই আমার একক ক্ষমতা বলে নিজ দায়িত্বে গাছগুলো বিক্রি করেছি। কে কি বলে বলুক তাতে আমার কোন যায় আসে না। যদিও গাছগুলো স্কুলের সম্পদ বিশেষ প্রয়োজনেই কেটে বিক্রি করেছি, এ ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। তবে শিক্ষা অফিসার ফোন দিয়েছে, তাই কর্তন করা গাছের টুকরাগুলো জমা করে রেখে দিচ্ছি। এ ব্যপারে বিদ্যালয়ের সভাপতি এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার বীরগঞ্জ সুমা খাতুনের সাথে কথা হলে তিনি গাছ কর্তন বিষয় কিছুই জানেন না, প্রধান শিক্ষকও তাকে বলেন নাই। বিভিন্ন জনের পাঠানো ক্ষুদে বার্তা এবং মুঠোফোনে জেনেছেন। এদিকে স্থানীয়দের দাবি, প্রতিষ্ঠানের সম্পদ হিসেবে গাছ কাটার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল কিন্তু স্বেচ্ছাচারি প্রধান শিক্ষক আজাদ আত্মসাতের চেষ্টায় লিপ্ত থাকার কারনে কাউকে না বলে গোপনে গাছ কেটে বিক্রির চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা তার বিচার চাই। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা সহ তদন্তের মাধ্যমে গাছ কাটার প্রকৃত কারণ ও বিক্রির প্রক্রিয়া স্পষ্ট করা উচিত।
20
রনজিৎ সরকার রাজ (দিনাজপুর) প্রতিনিধি:২১ আগষ্ট শুক্রবার বন্ধের দিনে উপজেলার চৌধুরীহাট আত্রাই উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় চত্ত্বরের মুল্যবান ৮/১০টি ইউক্লিপ্টার গাছ অতি গোপনে চোরাই পথে কেটে বিক্রি করেন প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ। কর্তন করা গাছের মুল্য ৪০/৫০ হাজার টাকা মর্মে সকলের ধারনা।
মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার জুলফিকার আলী শাহের সাথে কথা হলে জানা যায় অভিযোগ পেয়ে কর্তন করা গাছ সমুহ তিনি আটক করেছেন। বর্তমানে সেগুলি স্কুলের ভিতরেই স্তূপ করা আছে।
স্থানীয় সচেতন ব্যক্তিদের অভিযোগ, শুক্রবার বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় এবং প্রতিষ্ঠানের মেইন ফটক বন্ধ করে প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদের নির্দেশে এবং স্বয়ং উপস্থিতিতে গাছগুলো কাটা হয়।
মৃত গফুর আলীর পুত্র গাছ ক্রেতা কাঠ ব্যবসায়ী শহিদুল ইসলামের লোকজন গাছগুলো কর্তন করেছে। তবে গাছের মুল্য খুব কম বলে তিনি উল্লেখ করেন।
বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে তারা প্রধান শিক্ষক আজাদের শাস্তি দাবী করেন।
সরেজমিনে গাছ কাটার বিষয়ে জানতে চাইলে প্রধান শিক্ষক আবুল কালাম আজাদ বলেন, প্রতিষ্ঠানে অনেক কাজ বাকী কিন্তু ফান্ডে কোন টাকা নেই। তাই আমার একক ক্ষমতা বলে নিজ দায়িত্বে গাছগুলো বিক্রি করেছি। কে কি বলে বলুক তাতে আমার কোন যায় আসে না।
যদিও গাছগুলো স্কুলের সম্পদ বিশেষ প্রয়োজনেই কেটে বিক্রি করেছি, এ ক্ষেত্রে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবগত করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করি না। তবে শিক্ষা অফিসার ফোন দিয়েছে, তাই কর্তন করা গাছের টুকরাগুলো জমা করে রেখে দিচ্ছি।
এ ব্যপারে বিদ্যালয়ের সভাপতি এবং উপজেলা নির্বাহী অফিসার বীরগঞ্জ সুমা খাতুনের সাথে কথা হলে তিনি গাছ কর্তন বিষয় কিছুই জানেন না, প্রধান শিক্ষকও তাকে বলেন নাই। বিভিন্ন জনের পাঠানো ক্ষুদে বার্তা এবং মুঠোফোনে জেনেছেন।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, প্রতিষ্ঠানের সম্পদ হিসেবে গাছ কাটার আগে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন ছিল কিন্তু স্বেচ্ছাচারি প্রধান শিক্ষক আজাদ আত্মসাতের চেষ্টায় লিপ্ত থাকার কারনে কাউকে না বলে গোপনে গাছ কেটে বিক্রির চেষ্টা চালাচ্ছে।
আমরা তার বিচার চাই। তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা সহ তদন্তের মাধ্যমে গাছ কাটার প্রকৃত কারণ ও বিক্রির প্রক্রিয়া স্পষ্ট করা উচিত।