1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
১০ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২৬শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| বর্ষাকাল| সোমবার| রাত ১১:৪৯|
Title :
শিবির ও জামায়াত নেতার কবর জিয়ারতে কাঁদলেন ডা. শফিকুর রহমান। গণভোটের রায় না মানলে আপনারাও নাই হয়ে যাবেন” ডা. শফিকুর রহমানের কঠোর হুশিয়ারি মিরসরাইয়ে হোটেল থেকে পুলিশ সদস্যের লাশ উদ্ধার রূপগঞ্জে পরিবেশ উন্নয়নে অভিযান, গাছের চারা রোপন, বিতরণ ও আলোচনা সভা আট শিক্ষক, এসএসসি পরীক্ষার্থী পাঁচজন—তবু শূন্য পাসের হার ঠাকুরগাঁওয়ে ২৭ মামলার আসামি ও প্রতারক চক্রের ‘গডফাদার’ আকাশ গ্রেপ্তার যশোরে স্বজন সমাবেশ ২০২৬ সম্পন্ন বমু নন্দিরিল সড়কের বেহাল অবস্থা, যাতায়াতে ঝুঁকি যশোরে প্রথম নৌযান শুমারি: ২ লাখ ৪৪৮০৮ নৌযান পাইকগাছায় প্রবাসীর স্ত্রীকে মারপিট, জমি দখলের চেষ্টার অভিযোগ পরিবারের ৩ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা ‎

নবীনগরে দুই গ্রুপের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে আহত অন্তত ৩০, বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট!

​সাধন সাহা জয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:
  • Update Time : রবিবার, আগস্ট ৯, ২০২৬,
  • 5 Time View
11

​সাধন সাহা জয়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি:

​ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বিটঘর ইউনিয়নের টিয়ারা গ্রামে আধিপত্য বিস্তার ও দীর্ঘদিনের দ্বন্দ্বের জেরে ফের রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় সংসদ সদস্যের অনুসারী ‘শিশু গ্রুপ’ এবং প্রতিপক্ষ ‘হোসেন গ্রুপ’-এর মধ্যে চলা এই সংঘর্ষে নারীসহ উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।

​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকায় রাজনৈতিক ছত্রছায়া ও আধিপত্য বজায় রাখা নিয়ে শিশু মিয়া এবং আবুল হোসেন মিয়ার সমর্থকদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে উত্তেজনা চলে আসছে। এর ধারাবাহিকতায় গতকাল বিকেলে বিটঘর বাজার থেকে গ্রামে ফেরার পথে আবুল হোসেনের তিন সমর্থককে আটকে মারধর করে শিশু গ্রুপের লোকজন। এই তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আজ সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত উভয় পক্ষের সমর্থকরা রামদা, টেঁটাসহ নানা দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে চার ঘণ্টাব্যাপী রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।

​সংঘর্ষ চলাকালে বেশ কয়েকটি বাড়িঘরে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এতে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

​এদিকে বারবার এমন সংঘর্ষের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকার সচেতন মহল। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক গ্রামের এক নাগরিক অভিযোগ করেন, “ক’দিন পর পরই এই দুই গ্রুপের দ্বন্দ্বে গ্রামে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষ হয়। পুলিশ এসে পরিস্থিতি শান্ত করলেও প্রকাশ্যে অস্ত্র প্রদর্শনকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না, ফলে দাঙ্গাকারীরা আরও বেপরোয়া হয়ে উঠছে।”

তিনি অবিলম্বে অস্ত্রধারীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।

​এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার এম. এম. রকীব উর রাজা জানান, পুলিশ দীর্ঘ চেষ্টা চালিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে। এলাকায় পুনরায় কোনো ধরনের সংঘাত এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

​আহতদের উদ্ধার করে নবীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এলাকাবাসীর দাবি, এই দীর্ঘদিনের স্থায়ী সংঘাত নিরসনে এবং জড়িত অপরাধীদের রাজনৈতিক পরিচয় না দেখে আইনের কঠোর শাস্তি নিশ্চিত করা হোক।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026