নবীনগরে পূর্বশত্রুতার জেরে হামলায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার
Update Time :
বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১১
Time View
নবীনগরে পূর্বশত্রুতার জেরে হামলায় আহত ব্যক্তির মৃত্যু
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার খাগাতুয়া গ্রামের ভোরের বাজার এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে সংঘটিত হামলায় গুরুতর আহত মো. ইকবাল (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর রাতে দেবিদ্বারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত ইকবাল খাগাতুয়া উত্তরপাড়ার বাসিন্দা। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে ভোরের বাজার এলাকায় ইকবালের ওপর হামলা চালানো হয়। পূর্ববিরোধের জেরে এই হামলা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে বাঞ্ছারামপুরে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেবিদ্বারে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, একই গ্রামের আলম, হালিম ও সাদ্দাম এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। ইকবালের মৃত্যুর পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
14
সাধন সাহা জয়
স্টাফ রিপোর্টার
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার খাগাতুয়া গ্রামের ভোরের বাজার এলাকায় পূর্বশত্রুতার জেরে সংঘটিত হামলায় গুরুতর আহত মো. ইকবাল (৪০) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন।
মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর রাতে দেবিদ্বারে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
নিহত ইকবাল খাগাতুয়া উত্তরপাড়ার বাসিন্দা।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর রাত আনুমানিক সাড়ে ১২টার দিকে ভোরের বাজার এলাকায় ইকবালের ওপর হামলা চালানো হয়।
পূর্ববিরোধের জেরে এই হামলা হয় বলে ধারণা করা হচ্ছে। গুরুতর আহত অবস্থায় প্রথমে তাকে বাঞ্ছারামপুরে এবং পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য দেবিদ্বারে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
স্থানীয় কয়েকজনের অভিযোগ, একই গ্রামের আলম, হালিম ও সাদ্দাম এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারেন। তবে এ বিষয়ে অভিযুক্তদের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে নবীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোরশেদুল আলম চৌধুরী জানান, বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর সকালে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর আসল কারণ জানা যাবে। এ ঘটনায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
ইকবালের মৃত্যুর পর থেকে এলাকায় থমথমে অবস্থা ও উত্তেজনা বিরাজ করছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন ও জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশি তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।