
স্টাফ রিপোর্টার
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম সফরে এসেছিলেন তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর প্রায় সাড়ে ১২ ঘণ্টা মহেশখালী এবং চট্টগ্রামে অবস্থানকালে চট্টগ্রাম নিরাপত্তা চাদরে ঢাকা ছিলেন চট্টগ্রাম বলেন দৈনিক স্বাধীন সংবাদ ও দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কামরুল ইসলাম। চট্টগ্রামের সাতভেন্যুতে দৈনিক স্বাধীন সংবাদ ও দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকার দ্বায়িত্ব পালনে যারা ছিলেন তাদের সাথে চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কামরুল ইসলামের সাথে মতবিনিময়ের সময় কামরুল ইসলাম বলেন চট্টগ্রাম মহানগর, জেলা এবং কক্সবাজারের মহেশখালীর সাতটি ভেন্যুসহ বিস্তৃত এলাকাকে নিরাপত্তার চাদরে ঢেকে ফেলা হয়েছিল । বাঁশখালী, ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর একাধিক কর্মসূচি এবং নগরীতে বিএনপির সাংগঠনিক সভাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছিলেন চট্টগ্রাম জেলা ও মহানগর পুলিশ প্রশাসন। প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় পুলিশ, র্যাব, বিজিবি, বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী (এসএসএফ) ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রাম অবস্থান কালিন সময়ে নিরাপত্তা চাদরে ডেকে রেখেছিলেন ফটিকছড়ি ও হাটহাজারীর বিভিন্ন ভেন্যু তা দেখে দৈনিক স্বাধীন সংবাদ ও দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান কামরুল ইসলাম। ফটিকছড়ির পেলাগাজী দিঘির মাঠে নির্মিত হেলিপ্যাড, বাবুনগর মাদ্রাসা, হাটহাজারী সরকারি কলেজসংলগ্ন মাঠ ও জেলা পরিষদ ডাকবাংলোসহ সফরসূচিতে থাকা স্থানগুলো ঘুরে দেখেন তিনি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের শেষ মুহূর্তের প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছিল বলে ও জানান তিনি।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে সফরসূচিতে থাকা প্রতিটি ভেন্যুর প্রস্তুতি ছিল চোখে পড়ার মত বলেন সাংবাদিক কামরুল ইসলাম। শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন দৈনিক স্বাধীন সংবাদ ও বাংলাদেশ পত্রিকার চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় প্রধান। প্রধানমন্ত্রীর চলাচল নির্বিঘ্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সমন্বিতভাবে কাজ করছে।
প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে চট্টগ্রাম জেলা ও মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও এসএসএফের পাশাপাশি বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। সফরস্থল, হেলিপ্যাড, সড়কপথ এবং সংশ্লিষ্ট এলাকার নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছিল।
চট্টগ্রাম নগর পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অনুযায়ী সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল সিএমপি কমিশনার হাসান মো. শওকত আলীর নেতৃত্বে। তিনি নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সকল পুলিশ সদস্যকে সর্বোচ্চ সততা, পেশাদারিত্ব ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান যেমন জানিয়েছিন তেমন উনার আহ্বানে সাড়া দিয়ে চট্টগ্রাম মহানগরে পুলিশ বাহিনী ছিল অত্যন্ত স্বর্তক অবস্থানে। তেমনি পাশাপাশি নিরাপত্তা দায়িত্ব পালনকালে সতর্কতা, শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্ব বজায় রাখাসহ বিভিন্ন দিকনির্দেশনা প্রদান করেছিলেন চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার। প্রধানমন্ত্রী চট্টগ্রামে অবস্থান কালে চট্টগ্রাম মহানগরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে উপস্থিতি চোখে পড়েন সিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (প্রশাসন ও অর্থ) ওয়াহিদুল হক চৌধুরী, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস) মুহাম্মদ ফয়সাল আহম্মেদ, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) হোসাইন মোহাম্মদ কবির ভূইয়া, উপ–পুলিশ কমিশনার (সদর) মো. ফেরদৌস আলী চৌধুরী, উপ–পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ) মো. হাবিবুর রহমান, উপ–পুলিশ কমিশনার (ডিবি–দক্ষিণ) শেখ শরীফুল ইসলাম, উপ–পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক–উত্তর) নেছার উদ্দিন আহম্মেদ, উপ–পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক–পশ্চিম) নিষ্কৃতি চাকমা, উপ–পুলিশ কমিশনার (উত্তর) মো. হাসান মোস্তফা স্বপন, উপ–পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক–দক্ষিণ) মোহাম্মদ লিয়াকত আলী খান, উপ–পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশনস্) মো. রইছ উদ্দিন, উপ–পুলিশ কমিশনার (সিএসবি) মো. গোলাম রুহুল কুদ্দুস প্রমুখ।
হাটহাজারী থানার পার্বতী মডেল উচ্চ বিদ্যালয়, ফটিকছড়ি এলাকার ফটিকছড়ি সরকারি কলেজ এবং বাঁশখালী এলাকার আব্দুর রশিদ কমিউনিটি সেন্টার নির্ধারিত তিনটি ভেন্যুতে নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত অফিসার ও ফোর্সদের উপস্থিতি ও চোখে পড়েন। প্রধানমন্ত্রীর সফর নিরাপদ, সুশৃঙ্খল ও নির্বিঘ্ন রাখতে গৃহীত নিরাপত্তা পরিকল্পনা যথাযথভাবে বাস্তবায়ন করেন চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ। দায়িত্বপ্রাপ্ত সকল অফিসার–ফোর্সকে সর্বোচ্চ সতর্কতা, পেশাদারিত্ব, শৃঙ্খলা, নিষ্ঠা ও পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে অর্পিত দায়িত্ব পালন করতে দেখা যায়। পুলিশ সুপার নির্ধারিত ভেন্যুগুলো গাড়ি বহর নিয়ে সর্বক্ষণ পাহারা অবস্থায় ছিলেন।