ভূরুঙ্গামারীতে বিকাশ-রকেট ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ছিনতাই, শরিফুল ও স্বপন গ্রেপ্তার
Reporter Name
Update Time :
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬
২
Time View
ভূরুঙ্গামারীতে বিকাশ-রকেট ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে ছিনতাই, শরিফুল ও স্বপন গ্রেপ্তার
নিজস্ব প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বিকাশ ও রকেট এজেন্ট ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদকে (৩৯) কুপিয়ে গুরুতর আহত করে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ছিনতাই হওয়া একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া গ্রামের মৃত শহিদুল আলমের ছেলে মো. শরিফুল আলম সোহাগ (৩৫) এবং নলেয়া গ্রামের মৃত রুহুল রব্বানীর ছেলে সোহেল রানা স্বপন (৩৬)। পুলিশ জানায়, কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি (পিপিএম) এর নির্দেশনায় ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন ও উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার এবং ছিনতাই হওয়া একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে। পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর রাতে দোকানের কার্যক্রম শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন নুর মোহাম্মদ। পথে ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ দেওয়ানের খামার গ্রামের একটি নির্জন স্থানে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর মাথা ও হাঁটুতে আঘাত করে সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা। বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তাঁর খোঁজ শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির সামনের সড়কে তাঁকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাঁকে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এ ঘটনায় ভূরুঙ্গামারী থানায় মামলা দায়েরের পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার এবং ছিনতাই হওয়া বাকি টাকা ও মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, বিকাশ, নগদ ও রকেটের মতো আর্থিক লেনদেনের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ বহন করতে হয়। ফলে তাঁদের নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে। এ ধরনের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের টহল ও নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।
5
নিজস্ব প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বিকাশ ও রকেট এজেন্ট ব্যবসায়ী নুর মোহাম্মদকে (৩৯) কুপিয়ে গুরুতর আহত করে টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনায় দুইজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। এ সময় ছিনতাই হওয়া একটি অ্যান্ড্রয়েড মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
শনিবার (৭ নভেম্বর) দিবাগত রাতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন উপজেলার কামাত আঙ্গারিয়া গ্রামের মৃত শহিদুল আলমের ছেলে মো. শরিফুল আলম সোহাগ (৩৫) এবং নলেয়া গ্রামের মৃত রুহুল রব্বানীর ছেলে সোহেল রানা স্বপন (৩৬)।
পুলিশ জানায়, কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার খন্দকার ফজলে রাব্বি (পিপিএম) এর নির্দেশনায় ভূরুঙ্গামারী পুলিশ সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মুনতাসির মামুন মুন ও উপপরিদর্শক (এসআই) জাহিদুল ইসলামের নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করা হয়। মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার এবং ছিনতাই হওয়া একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ ও পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ অক্টোবর রাতে দোকানের কার্যক্রম শেষ করে বাড়ি ফিরছিলেন নুর মোহাম্মদ। পথে ভূরুঙ্গামারী সদর ইউনিয়নের দক্ষিণ দেওয়ানের খামার গ্রামের একটি নির্জন স্থানে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা তাঁর ওপর হামলা চালায়। এ সময় ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর মাথা ও হাঁটুতে আঘাত করে সঙ্গে থাকা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা।
বাড়ি ফিরতে দেরি হওয়ায় পরিবারের সদস্যরা তাঁর খোঁজ শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির সামনের সড়কে তাঁকে রক্তাক্ত ও অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় তাঁকে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে অবস্থার অবনতি হলে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় ভূরুঙ্গামারী থানায় মামলা দায়েরের পর তদন্ত শুরু করে পুলিশ। তদন্তের একপর্যায়ে অভিযান চালিয়ে দুইজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তবে এ ঘটনায় জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তার এবং ছিনতাই হওয়া বাকি টাকা ও মালামাল উদ্ধারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এদিকে স্থানীয় ব্যবসায়ীরা বলেন, বিকাশ, নগদ ও রকেটের মতো আর্থিক লেনদেনের ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ বহন করতে হয়। ফলে তাঁদের নিরাপত্তা ঝুঁকি থাকে। এ ধরনের ব্যবসায়ীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের টহল ও নজরদারি বাড়ানোর দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।