1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা : দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকা
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
লোহাগাড়ায় ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড যুব সমাজের উদ্যোগে ব্যাটমিন্টন টুনামেন্ট উদ্ভোধন নরসিংদীর শিবপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বক্তব্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন শ্রীনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানঃ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষে তারেক জিয়া প্রজন্ম দলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শৈলকুপা শাহী মসজিদের ৩০ লাখ টাকা গায়েব! মোতাওয়াল্লির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নওগাঁ জেলা সদর মডেল থানায় নতুন অফিসার (ওসির)যোগদান বটিয়াঘাটায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত। কটিয়াদীতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন । বিএনপির দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া

শ্রীপুরে বনভূমি রেজিস্ট্রির অভিযোগ অস্বীকার, তথ্য যাচাই করেই দলিল সম্পাদন

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৪২ Time View
80

উসমান গনি শ্রীপুর (গাজীপুর) প্রতিনিধি:
গাজীপুরের শ্রীপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে বন বিভাগের গেজেটভুক্ত জমি ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রি এবং সাব-রেজিস্ট্রার সোহেল রানার বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ তুলে প্রকাশিত সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের দাবি, অভিযোগগুলো বিভ্রান্তিকর ও বাস্তবতাবিবর্জিত। পরিকল্পিতভাবে দলিল লেখক হাদিউল ইসলাম-এর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে সাব-রেজিস্ট্রারকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।
সংশ্লিষ্টদের দাবি, সাব-রেজিস্ট্রার সোহেল রানা বনভূমি রেজিস্ট্রির সঙ্গে কোনোভাবেই জড়িত নন। তিনি প্রতিটি দলিলের দাতা-গ্রহীতার পরিচয়, মালিকানার কাগজপত্র, দাগ-খতিয়ান ও পূর্ববর্তী দলিল যাচাই-বাছাই করে আইন অনুযায়ী দলিল সম্পাদন করেন। তার দায়িত্বকালে বন বিভাগের গেজেটভুক্ত জমি ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রি করার মতো কোনো অনিয়ম ঘটেনি বলেও দাবি করা হয়।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে তেলিহাটি ইউনিয়নের টেপিরবাড়ী মৌজার সিএস ৫৩ নম্বর দাগের সাড়ে ৩৩ শতাংশ জমির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। জমিটির ক্রেতা হিসেবে ঢাকার উত্তরা ৬ নম্বর সেক্টরের ৫ নম্বর রোডের বাসিন্দা তৌহিদুল আলম মিলকি এবং দাতা হিসেবে ফেনী সদর উপজেলার চাড়িপুর এলাকার শফিকুর রহমানের ছেলে আবদুর রহিম নাহিদ-এর নাম উল্লেখ করা হয়। ৭২ লাখ ৫০ হাজার টাকার ওই জমির ১২৯৮২/২৫ নম্বর সাফ-কবলা দলিল ২০২৫ সালের ১৯ নভেম্বর রেজিস্ট্রি হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়।
উক্ত সাব কবলা দলিলটি যাচাই-বাছাই করে দেখা যায় উল্লেখিত দলিলের তফসিলে এস এ দাগ ৫৭০ খতিয়ান ১৮ এবং আর এস দাগ ১০৬৯ খতিয়ান ১৫২ এর সাথে সরকারি গেজেট ভুক্ত বনের কোন সম্পত্তির মিল নেই। অর্থাৎ সরকারি গেজেট ভুক্ত বনের কোন সম্পত্তির দলিল সম্পাদিত হয় নাই।
দলিলটির লেখক হিসেবে উত্তর পেলাইদ এলাকার হাদিউল ইসলাম (সনদ নং-১১১)-এর নামও উল্লেখ করা হয়েছে। তবে সংশ্লিষ্টদের দাবি, বন বিভাগের গেজেটভুক্ত সিএস ৫৩ নম্বর দাগ অনুযায়ী কোনো দলিল সম্পাদন হয়নি। তাই সোহেল রানার বিরুদ্ধে জেনে-শুনে বনভূমি ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রি করে দেওয়ার অভিযোগ সঠিক নয়।
প্রকাশিত প্রতিবেদনে ২০১০ সালের ৬৬২৪ নম্বর সাফ-কবলা দলিলের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। ওই দলিলের সময় সাব-রেজিস্ট্রার ছিলেন আনোয়ারুল হক এবং দলিল লেখক ছিলেন হাফিজ উদ্দিন (সনদ নং-২৬৯)। সংশ্লিষ্টদের মতে, পুরোনো কোনো দলিলের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলে মূল দলিল, বায়া দলিল ও সরকারি রেকর্ড যাচাই করেই সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
এদিকে তৌহিদুল আলম মিলকি ওই এলাকায় গোডাউন নির্মাণ করে ব্যবসায়িকভাবে ব্যবহার করছেন—এমন অভিযোগও প্রতিবেদনে এসেছে। সংশ্লিষ্টদের বক্তব্য, জমিতে স্থাপনা নির্মাণের বিষয়টি আলাদা; এর সঙ্গে সাব-রেজিস্ট্রারের দলিল সম্পাদনকে যুক্ত করার সুযোগ নেই।
সংশ্লিষ্টরা আরও বলেন, সোহেল রানা ঘুষ, চাপ বা কোনো ব্যক্তিগত চুক্তির ভিত্তিতে নয়, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও আইনগত বিষয় যাচাই করেই দলিল সম্পাদন করেন। তার বিরুদ্ধে প্রকাশিত অভিযোগের সত্যতা যাচাই করতে সংশ্লিষ্ট দলিল, সিএস-এসএ-আরএস রেকর্ড, খতিয়ান, বন বিভাগের গেজেট ও সাব-রেজিস্ট্রি অফিসের নথি পরীক্ষা করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
তাদের দাবি, সোহেল রানা দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে এমন কোনো অনিয়ম হয়নি এবং ভবিষ্যতেও সরকারি বা গেজেটভুক্ত বনভূমি আইনবহির্ভূতভাবে ব্যক্তির নামে রেজিস্ট্রির সুযোগ দেওয়া হবে না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026