গাইবান্ধায় কিস্তি আদায়ের নামে নারী সদস্যকে অনৈতিক প্রস্তাব, এনজিও কর্মী জনতার হাতে আটক, পুলিশে সোপর্দ
মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার
Update Time :
রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৬
৩৯
Time View
গাইবান্ধায় কিস্তি আদায়ের নামে নারী সদস্যকে অনৈতিক প্রস্তাব, এনজিও কর্মী জনতার হাতে আটক, পুলিশে সোপর্দ
মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা স্টাফ রিপোর্টার কিস্তি আদায়ের সুযোগে এক নারী সদস্যকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে গাইবান্ধার একটি এনজিওর কর্মীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার রাধাকৃষ্ণপুর এলাকায়। অভিযুক্ত কর্মী গাক (GUK) নামের এনজিওতে কাজ করেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই এলাকায় নিয়মিত কিস্তি আদায়ের কাজে যাতায়াতের সময় তিনি এক নারী সদস্যকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কায় খবর দেওয়া হয় থানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই কর্মীকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়। স্থানীয়দের অভিযোগ, কিস্তি আদায়ের মতো দায়িত্বশীল কাজকে ব্যক্তিগত অনৈতিক সম্পর্কের আড়াল হিসেবে ব্যবহার করা হলে শুধু প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ন হয় না, মাঠপর্যায়ে কর্মরত অন্যান্য কর্মীদের নিয়েও জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষী কর্মীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন। তবে অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট এনজিও কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
78
মোঃ রেজাদুল ইসলাম রেজা
স্টাফ রিপোর্টার
কিস্তি আদায়ের সুযোগে এক নারী সদস্যকে অনৈতিক প্রস্তাব দেওয়ার অভিযোগে গাইবান্ধার একটি এনজিওর কর্মীকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে স্থানীয় জনতা। ঘটনাটি ঘটেছে জেলার রাধাকৃষ্ণপুর এলাকায়।
অভিযুক্ত কর্মী গাক (GUK) নামের এনজিওতে কাজ করেন। স্থানীয় সূত্র জানায়, ওই এলাকায় নিয়মিত কিস্তি আদায়ের কাজে যাতায়াতের সময় তিনি এক নারী সদস্যকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত জনতা তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে।
পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে যাওয়ার আশঙ্কায় খবর দেওয়া হয় থানায়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে ওই কর্মীকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, কিস্তি আদায়ের মতো দায়িত্বশীল কাজকে ব্যক্তিগত অনৈতিক সম্পর্কের আড়াল হিসেবে ব্যবহার করা হলে শুধু প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তিই ক্ষুণ্ন হয় না, মাঠপর্যায়ে কর্মরত অন্যান্য কর্মীদের নিয়েও জনমনে প্রশ্ন তৈরি হয়।
এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয়রা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং অভিযোগ প্রমাণিত হলে দোষী কর্মীর বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
তবে অভিযোগের সত্যতা ও ঘটনার প্রকৃত কারণ তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন। সংশ্লিষ্ট এনজিও কর্তৃপক্ষের কাছ থেকেও এ বিষয়ে বক্তব্য নেওয়া জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।