1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
২২শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ৭ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| শনিবার| রাত ৪:২৪|
Title :
ঢালীস আম্বার নিবাসে মুন্সীগঞ্জ জেলা ৯৩ ব্যাচের মিলনমেলা ও বন্ধু আড্ডা অনুষ্ঠিত আধুনিক লামার রূপকার আলহাজ্ব মোঃ আলী মিয়ার ১৬তম মৃত্যুবার্ষিকী কাল। দিনাজপুর বীরগঞ্জে চোরাই পথে হাইস্কুলের মুল্যবান গাছ কেটে বিক্রি কালে আটক। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক আজাদের শাস্তি দাবী। নতুন পরিচয়ে মাঠে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের নেতারা, জনমনে আতঙ্ক ও পুলিশের বক্তব্য! মধুপুরের লাউফুলা হাটে সরকারি জমি উদ্ধার: অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ লালমনিরহাট জেলা ও এখন ধর্ষণের দীক থেকে এগিয়ে প্রতিবেশী দাদা গ্রে-প্তার। ওসি চকবাজারের নেতৃত্বে ০৪টি সাজাসহ ০৫টি পরোয়ানাভুক্ত ০১(এক) আসামি গ্রেফতার। গোদাগাড়ীতে মাদকের বিরুদ্ধে জিডি ও তরুণীর অনশন উন্মোচিত চার ভাইয়ের অপরাধ সাম্রাজ্য ​ সীমান্তে (৫৯ বিজিবি’র) অভিযানে ১৯৬ বোতল মাদকদ্রব্য জব্দ করগাঁওয়ে জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে সীরাতুন্নবী (সা.) মাহফিল অনুষ্ঠিত

শিবপুর ইউপি চেয়ারম্যানকে ঘিরে অনাস্থা নাটকের অবসান—৯ সদস্যের ইউটার্ন, প্রত্যাহার প্রস্তাব

মোঃ রেজাউল হক রহমত ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
  • Update Time : রবিবার, আগস্ট ১৬, ২০২৬,
  • 139 Time View
156

মোঃ রেজাউল হক রহমত
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ৯নং শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান এম আর মজিবের বিরুদ্ধে আনা অনাস্থা প্রস্তাব শেষ পর্যন্ত প্রত্যাহার করে নিয়েছেন স্বাক্ষরকারী ৯ ইউপি সদস্য। একই সঙ্গে চেয়ারম্যানের প্রতি পুনরায় পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেছেন তাঁরা। ফলে চেয়ারম্যানকে ঘিরে তৈরি হওয়া অনাস্থা পরিস্থিতির আপাতত অবসান ঘটেছে।
এ ঘটনায় স্থানীয় রাজনীতিতে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে—যে অভিযোগের ভিত্তিতে অনাস্থা প্রস্তাব আনা হয়েছিল, সমঝোতা বৈঠকের পর সেসব অভিযোগই কীভাবে ভুল বোঝাবুঝি ও তথ্যের ঘাটতি হিসেবে চিহ্নিত হলো?
জানা গেছে, গত ১৭ জুন আর্থিক অনিয়ম ও পরিষদের কার্যক্রমে সমন্বয়হীনতার অভিযোগ তুলে চেয়ারম্যান এম আর মজিবের বিরুদ্ধে ৯ জন সাধারণ ও সংরক্ষিত ইউপি সদস্য অনাস্থা প্রস্তাব দেন। বিষয়টি নিয়ে ইউনিয়নজুড়ে উত্তেজনা তৈরি হলে পরবর্তীতে স্থানীয় অভিভাবক ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের মধ্যস্থতায় উভয় পক্ষের মধ্যে আলোচনা ও সমঝোতা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে ইউনিয়ন পরিষদের আয়-ব্যয়, সরকারি বরাদ্দ এবং বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের হিসাব-নিকাশ পর্যালোচনা করা হয়। সদস্যদের দাবি, এসব বিষয় পর্যালোচনার পর তাঁরা দেখতে পান, তথ্যের ঘাটতি ও পারস্পরিক ভুল বোঝাবুঝি থেকেই মূলত আর্থিক অনিয়মের অভিযোগের সূত্রপাত হয়েছিল।
এ ছাড়া ভূমি হস্তান্তর করের ১ শতাংশ অর্থে নেওয়া বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজের বাস্তব অস্তিত্বও রয়েছে বলে সদস্যরা তাঁদের আবেদনে উল্লেখ করেছেন।
এরপরই অবস্থান পরিবর্তন করেন অনাস্থা প্রস্তাবে স্বাক্ষরকারী সদস্যরা। ইউনিয়নের উন্নয়ন কার্যক্রম সচল রাখা এবং জনগণের নাগরিক সেবা নিশ্চিত করার স্বার্থে আগের অনাস্থা প্রস্তাব প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। একই সঙ্গে চেয়ারম্যান এম আর মজিবের প্রতি পুনরায় পূর্ণ আস্থা প্রকাশ করেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত আবেদন দেওয়া হয়েছে। আবেদনের অনুলিপি চট্টগ্রাম বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার, স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিচালক, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক এবং স্থানীয় সরকারের উপপরিচালকের (ডিডিএলজি) কাছেও পাঠানো হয়েছে।
অনাস্থা প্রত্যাহারের আবেদনে স্বাক্ষর করেছেন—১ নম্বর ওয়ার্ডের ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, ২ নম্বর ওয়ার্ডের লিটন মিয়া, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সোহেল মিয়া, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আহসান হাবীব, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের হুমায়ুন কবির শাহীন, ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মোহাম্মদ বশির, ৮ নম্বর ওয়ার্ডের ইকবাল ইসলাম, ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মাসুদ মিয়া এবং সংরক্ষিত ৭, ৮ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য রোকসানা পারভীন।
তবে এই অনাস্থা প্রস্তাব প্রত্যাহারকে ঘিরে এখন স্থানীয়দের মধ্যে প্রশ্ন উঠেছে—১৭ জুন যে অভিযোগগুলোকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অনাস্থা আনা হয়েছিল, সেগুলো যদি শেষ পর্যন্ত ভুল বোঝাবুঝির ফল হয়, তাহলে অনাস্থা প্রস্তাবের পেছনে প্রকৃত কারণ কী ছিল?
নাকি মধ্যস্থতা ও সমঝোতার পর বদলে গেছে পরিস্থিতি?
এখন দেখার বিষয়, অনাস্থা প্রত্যাহারের পর শিবপুর ইউনিয়ন পরিষদের কার্যক্রম কতটা স্বচ্ছতা, জবাবদিহি ও সমন্বয়ের সঙ্গে পরিচালিত হয়। কারণ, অনাস্থা প্রত্যাহার হলেও প্রশ্নগুলো পুরোপুরি মুছে যায়নি—বরং পরিষদের আয়-ব্যয় ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতার বিষয়টি এখন আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026