1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
পোরশায় পরিকল্পিত সন্ত্রাসের মাধ্যমে দেশকে অস্থিতিশীল করার প্রতিবাদে যুবদলের সমাবেশ ও মিছিল। সিএমপির আকবরশাহ থানা এলাকায় ওসি কামরুজ্জামানের অভিযানে ৮২৮৫(আটহাজার দুইশত পঁচাশি) পিচ ইয়াবা সহ আটক চান্দগাঁও থানার ওসি জসিম উদ্দিন কে নিয়ে গনমাধ্যমে অপপ্রচার নওগাঁর পোরশায় নিতপুর সড়কের দুপাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের দাবি, সড়ক বিভাগে আবেদন। পটিয়ায় দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালের বেডে শুয়ে আছেন অচেনা অজ্ঞাত এক বৃদ্ধরোগী। আন্তঃবিভাগ T-10 ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ২০২৬-এর শুভ উদ্বোধন করেন সিএমপি কমিশনার কুলিয়ারচরে নিরাপত্তাহীনতায় দুই শিক্ষার্থীর পড়াশোনা বন্ধ সিরাজদিখান সার্কেল অফিস পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার মেনহাজুল আলমঃ স্থানীয় সরকার বিভাগে এডিপির প্রকল্পের রি-স্কোপিং সভা অনুষ্ঠিত,প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি সিএমপি কমিশনারের ‘ওপেন হাউজ ডে’-তে সেবা নিলেন সেবাপ্রত্যাশীরা

তাড়াইল হাসপাতালের ইপিআই টেকনিশিয়ান মুজিবুরের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অভিযোগ ও অঘোষিত প্রশাসক হিসেবে ভুয়া বিলে অর্থ লোপাট।

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৫ Time View
41

২০.০৯.২৬ খ্রী:

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের তাড়াইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ৩০ শয্যা থেকে ৫০ শয্যায় উন্নতি হলেও হাসপাতালের অবস্থা খুবই নাজেহাল। রোগীদের বেডরুমে পর্যাপ্ত ফ্যান নেই, জানালার কাচ ভাঙ্গা, তিনটি কেবিনের সবগুলোই অকেজো। এখানে বর্তমান উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. আতিশ দাস রাজীব মাসে প্রয়োজনে দুই-তিন দিন আসেন, প্রয়োজন না থাকলে আসেন না। তিনি উপজেলা হাসপাতালের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর সু-কৌশলে দুর্নীতিবাজ ইপিআই টেকনিশিয়ান চলচাতুরী করে হাসপাতালের কোষাধ্যক্ষ থেকে সমস্ত দায়িত্ব মুজিবুর রহমান নিয়ে নেয়। তিনি বিগত ১৫ বছর যাবত তাড়াইল হাসপাতালে কর্মরত আছেন।

এখন কোষাধ্যক্ষ আছে শুধু আসা যাওয়ার মধ্যে। তার কোন কাজ নেই। ২০২২ সালে জাইকা কর্তৃক ২০ মেগাওয়াট একটি জেনারেটর তাড়াইল হাসপাতালে বরাদ্দ পেয়েও শেষ পর্য ন্ত কার ইশারায় সেটি ২৭জুন তাড়াইল হাসপাতাল থেকে হোসেনপুর হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয় তা কেউ জানে না। ইপিআই টেকনিশিয়ান মুজিবুর করিমগঞ্জে থাকাকালীন সময়ে দুর্নীতির জন্য তাকে অপদস্ত করে সেখান থেকে তাড়াইল বদলী করা হয়। তাড়াইল এসে গত করোনা মহামারির সময় মাটকর্মীদের বরাদ্দকৃত হাজার হাজার টাকা লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ উঠেছিল।

বর্তমানে ২০২৬ সালের পুষ্টি কার্যক্রমে খাদ্যে ব্যাপক দুর্নীতি করেছিল। তার বিরুদ্ধে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মাঠকর্মী বলেন, হামের টিকা প্রকল্পে প্রতি মাঠকর্মীর জন্য ১৯ হাজার টাকা বরাদ্দ থাকলেও মুজিবুর সুকৌশলে তাদের ১৪ হাজার টাকা দিয়ে বাকি টাকা আত্মসাৎ করে ফেলেছে। ভয়ে এই বিষয়ে কেউ প্রকাশ করতে পারছেনা।
ইপিআই এর এক পরিদর্শিকা আছে, সে হাসপাতালে কি বরাদ্দ আসে বা না আসে কিছুই জানেনা। গত ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে বিভিন্ন খাতে খরচ দেখিয়ে বিল ভাউচার প্রস্তুত করে সংশ্লিষ্ট রাজস্ব খাত থেকে টাকা উত্তোলন করেছেন এই মুজিবুর রহমান কোষাধ্যক্ষ এব্যাপারে কিছুই জানে না।

হাসপাতালের একটি সূত্র থেকে পাওয়া খবরে জানা যায়, উত্তোলনকৃত ভাউচারের মধ্যে আছে, পেট্রোল অয়েল, পরিচ্ছন্নতা, বিজ্ঞাপন, চিকিৎসা সরঞ্জাম, কম্পিউটার সামগ্রী, স্ট্যাম্প, সীল, মনিহারি, মটর যান মেরামত, যন্ত্রপাতি মেরামত, ভূমি উন্নয়ন কর, আসবাবপত্র মেরামত, অফিস সরঞ্জাম মেরামত ও প্রকাশনা বাবদ কত টাকা উত্তোলন করা হয়েছে তা হাসপাতালের কেউ জানেনা।
স্টাফদের দাবী, ভুয়া বিল ভাউচারের মাধ্যমে বেশিরভাগ টাকা আত্মসাৎ করেছে ইপিআই টেকনিশিয়ান মুজিবুর ও স্বাস্থ্য কর্মকর্তা। হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা কর্মী নেই। যে কারণে নুংরা পরিবেশে চলছে হাসপাতালের কার্যক্রম। টয়লেটগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী। অথচ পরিচ্ছন্নতা বাবদ খরচ দেখিয়ে হাজার হাজার টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। হাসপাতালের খাবারের মান খুবই নিম্নমানের। ভর্তিকৃত রোগীরা বাহির থেকে খাবার কিনে খেতে হয়। প্রতি খাতে সঠিক খরচের চেয়ে ডাবল খরচ দেখিয়ে বিল উত্তোলন করে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নেওয়ার সুযোগ করে দেন মুজিবুর রহমান। এসব বিষয় সঠিক তদন্ত হলে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতি বেরিয়ে আসবে।
ইপিআই টেকনিশিয়ান মুজিবুর এ বিষয়ে বলেন, আমার বিষয়ে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানুয়াট। আমি সরাসরি ডিডির সাথে যোগাযোগ রক্ষা করেই সব কিছু করছি।
উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসা করিলে তিনি এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি বলেন, ভুয়া বিলে কোন টাকা উত্তোলন করা হয়নি। এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। তবে ইপিআই টেকনিশিয়ান যদি আমার অঘোচরে কোন ফাইলে আমার স্বাক্ষর নিয়ে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। পূর্বে ইপিআই টেকনিশিয়ান মুজিবুরের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ শোনেছি। তবে তা খতিয়ে দেখছি।

শরীফুল ইসলাম শরীফ
কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি
০১৭১১-০৩৯৮১১

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026