দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে কটিয়াদীতে উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনা অবমুক্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক
Update Time :
সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
২১
Time View
দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে কটিয়াদীতে উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনা অবমুক্ত
নিজস্ব প্রতিবেদক দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে কটিয়াদীতে উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনা অবমুক্ত কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি সংরক্ষণ এবং প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে উন্মুক্ত জলাশয় ও প্রাতিষ্ঠানিক পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির আওতায় একটি প্রাতিষ্ঠানিক পুকুর ও একটি উন্মুক্ত জলাশয়ে মোট ৩৩৩ দশমিক ৩৩ কেজি রুইজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়। সোমবার দুপুরে উপজেলার করগাঁও হাওরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় এ পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কাউসার মিয়া, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন, শেখ জসিম উদ্দিন মেনু, শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ মিঠু,শফিকুল ইসলাম ফুলু সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি,র সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি আজাদ রহমান মিশর সহ উপজেলা বিএনপি ও সব অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি সংরক্ষণ এবং সাধারণ মানুষের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি জলাশয় সংরক্ষণ ও অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি। তিনি বলেন, জলাশয়গুলোতে পরিকল্পিতভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করার পাশাপাশি প্রাকৃতিক জলাশয়ের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধ করা গেলে দেশীয় মাছের উৎপাদন আরও বাড়বে এবং এর সুফল পাবে স্থানীয় জনগোষ্ঠী।
33
নিজস্ব প্রতিবেদক
দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে কটিয়াদীতে উন্মুক্ত জলাশয়ে পোনা অবমুক্ত
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি সংরক্ষণ এবং প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে উন্মুক্ত জলাশয় ও প্রাতিষ্ঠানিক পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত এ কর্মসূচির আওতায় একটি প্রাতিষ্ঠানিক পুকুর ও একটি উন্মুক্ত জলাশয়ে মোট ৩৩৩ দশমিক ৩৩ কেজি রুইজাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।
সোমবার দুপুরে উপজেলার করগাঁও হাওরে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের আওতায় এ পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। কর্মসূচিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কটিয়াদী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) লাবনী আক্তার তারানা, উপজেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র তোফাজ্জল হোসেন খান দিলীপ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. কাউসার মিয়া, উপজেলা বিএনপির সহসভাপতি মিজানুর রহমান স্বপন, শেখ জসিম উদ্দিন মেনু, শরাফ উদ্দিন লস্কর পারভেজ ও যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহফুজ মিঠু,শফিকুল ইসলাম ফুলু সাংগঠনিক সম্পাদক খলিলুর রহমান করগাঁও ইউনিয়ন বিএনপি,র সাধারণ সম্পাদক জাকির হোসেন, কিশোরগঞ্জ জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সভাপতি আজাদ রহমান মিশর সহ উপজেলা বিএনপি ও সব অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। এ ছাড়া বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিক এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ জালাল উদ্দিন বলেন, দেশীয় মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, বিলুপ্তপ্রায় প্রজাতি সংরক্ষণ এবং সাধারণ মানুষের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি জলাশয় সংরক্ষণ ও অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধে সবাইকে সচেতন ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।
তিনি বলেন, জলাশয়গুলোতে পরিকল্পিতভাবে মাছের পোনা অবমুক্ত করার পাশাপাশি প্রাকৃতিক জলাশয়ের পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। অবৈধভাবে মাছ শিকার বন্ধ করা গেলে দেশীয় মাছের উৎপাদন আরও বাড়বে এবং এর সুফল পাবে স্থানীয় জনগোষ্ঠী।