1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা : দৈনিক বাংলাদেশ পত্রিকা
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
বেতাল বাজারে ঢালাই রাস্তার দুপাশে মাটি ভরাট কাজের উদ্বোধন করলেন মেজর অব আখতারুজ্জামান রঞ্জন লোহাগাড়ায় ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে কালীগঞ্জ পৌরসভার ৪ নং ওয়ার্ড যুব সমাজের উদ্যোগে ব্যাটমিন্টন টুনামেন্ট উদ্ভোধন নরসিংদীর শিবপুরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে বক্তব্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছাঃ ফারজানা ইয়াসমিন শ্রীনগরে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানঃ ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর উপলক্ষে তারেক জিয়া প্রজন্ম দলের বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা শৈলকুপা শাহী মসজিদের ৩০ লাখ টাকা গায়েব! মোতাওয়াল্লির বিরুদ্ধে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ নওগাঁ জেলা সদর মডেল থানায় নতুন অফিসার (ওসির)যোগদান বটিয়াঘাটায় জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত। কটিয়াদীতে বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন ।

নাসিরনগরে কালের স্রোতে বিলীন হয়ে যাচ্ছে শতবর্ষের ছাতা মেরামতের পেশা।

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২৬
  • ৬০ Time View
99

খ,ম,জায়েদ হোসেন,নাসিরনগর
(ব্রাহ্মণবাড়ীয়া) প্রতিনিধিঃ
ব্রাহ্মণবাড়ীয়া জেলার নাসিরনগর
উপজেলায় স্থানীয় বাজারসহ বিভিন্ন হাট-বাজারে প্রতিদিন এখানে ভিড় জমে মানুষের। তাদের প্রাণচাঞ্চল্যে জমে ওঠে ব্যবসা। এই কোলাহলের ভিড়ে আছে এক বিশেষ পেশাজীবী গোষ্ঠী। তারা হলেন ছাতার মেরামতের কারিগর।
যাদের হাতের ছোঁয়ায় পুরোনো ছাতা ফিরে পায় নতুন জীবন। আধুনিকতার ভিড়ে কালের স্রোতে বিলীন হতে চলছে শতবর্ষের পুরোনো পেশাটি।
একসময় বর্ষা মৌসুম এলেই শহর থেকে গ্রাম—সবখানেই শোনা যেত ছাতা মেরামতকারীদের হাঁকডাক। ভাঙা শিক, ছেঁড়া কাপড়, নষ্ট স্প্রিং কিংবা হাতল বদলে অল্প খরচে পুরোনো ছাতাকে নতুনের মতো ব্যবহারযোগ্য করে তুলতেন তারা।
কিন্তু সময়ের পরিবর্তনে শতবর্ষের এই ঐতিহ্যবাহী পেশা আজ বিলুপ্তির পথে। নতুন ছাতার সহজলভ্যতা, কম আয় এবং অনিয়মিত কাজের কারণে দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে ছাতা মেরামতের পেশা।
ফান্দাউক  ইউনিয়নের ফান্দাউক গ্রামের গাইনহাটির বাসিন্দা আবেদ আলী প্রায় ৩৮ বছর ধরে ছাতা মেরামতের কাজ করছেন। এই পেশাই ছিল তার পরিবারের প্রধান আয়ের উৎস। তবে এখন সেই পেশায় আর আগের মতো আয় নেই।
কাজের ফাঁকে আবেদ আলী বলেন, “আগে দিনে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা পর্যন্ত আয় হতো। বর্ষার তিন মাস ভালোভাবে কাজ করলে সারা বছরের সংসার চালানো যেত। এখন দিনে ২০০ থেকে ৩০০ টাকাও আয় করা কঠিন হয়ে গেছে।”
তিনি জানান, বর্ষা শেষে ছাতা মেরামতের কাজ প্রায় বন্ধ হয়ে যায়। তখন সংসার চালাতে দিনমজুরের কাজ করতে হয়।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন , “আগে বর্ষার দিনে গ্রামে গ্রামে ছাতা মেরামতকারীদের হাঁকডাকে পরিবেশ মুখর থাকত। এখন বাজারে কম দামে দেশি-বিদেশি নানা ধরনের নতুন ছাতা সহজেই পাওয়া যায়। ফলে মানুষ পুরোনো ছাতা মেরামত না করে নতুন ছাতা কিনতেই বেশি আগ্রহী।”
সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আধুনিক প্রযুক্তির অনেক ছাতা সহজে মেরামত করা যায় না। ফলে এই পেশার চাহিদা দ্রুত কমছে। একই সঙ্গে আয় কম ও কাজ অনিয়মিত হওয়ায় নতুন প্রজন্মও এই পেশায় আসতে আগ্রহী নয়।
এ বিষয়ে  উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের কর্মকর্তা  বলেন, “ছাতা মেরামতের মতো ঐতিহ্যবাহী পেশাগুলোকে সংরক্ষণ করা মানে শুধু কিছু মানুষের জীবিকা রক্ষা করা নয়; বরং আমাদের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য, দক্ষ কারিগরি এবং পরিবেশবান্ধব জীবনধারাকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরা।”
ঐতিহ্যবাহী এই পেশা টিকিয়ে রাখতে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগ, সামাজিক সহায়তা এবং দক্ষ কারিগরদের জন্য বিশেষ প্রণোদনার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। অন্যথায় কালের পরিক্রমায় একসময় ছাতা মেরামতের এই শতবর্ষের পেশাটি শুধু স্মৃতিতেই সীমাবদ্ধ হয়ে পড়বে। 

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026