
হুমায়ুন কবির বিশেষ প্রতিনিধি ২৯ জুলাই ২০২৬, ঢাকা
১ আগস্ট ২০২৬, চীনা গণমুক্তি ফৌজ (পিপলস লিবারেশন আর্মি)-এর প্রতিষ্ঠার ৯৯তম বার্ষিকী উদযাপিত হয়েছে। দীর্ঘ প্রায় এক শতাব্দীর গৌরবময় পথচলায় বাহিনীটি চীনের জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা, সামরিক আধুনিকায়ন এবং আঞ্চলিক ও বিশ্ব শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। এই ঐতিহাসিক উপলক্ষটি উদ্যাপন করতে চীনসহ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন চীনা দূতাবাস নানা অনুষ্ঠান ও সংবর্ধনার আয়োজন করে।
এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকাস্থ চীনা দূতাবাস গত ২৯ জুলাই এক বিশেষ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক এবং প্রতিরক্ষা খাতের পারস্পরিক সহযোগিতা আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট অতিথিবৃন্দ:-
ঢাকায় আয়োজিত এই জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্যভাবে উপস্থিত ছিলেন—
প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা:- ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম, পিএসসি, জি।
ইসহাক রওশন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান:- ইশরাত শামস মলি।
বার্ষিকী উদযাপনের মূল বিষয়সমূহ:-
১/ প্রতিষ্ঠার প্রেক্ষাপট:- ১ আগস্ট ১৯২৭ সালে চীনা গণমুক্তি ফৌজ (PLA) প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০২৬ সালে এসে বাহিনীটি সফলভাবে তাদের গৌরবময় ৯৯ বছর পূর্ণ করল।
২/ মূল লক্ষ্য ও দর্শন: চীনের জাতীয় সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা, সামরিক বাহিনীর আধুনিকায়ন নিশ্চিত করা এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তি বজায় রাখতে নিরলস কাজ করে যাওয়া এই বাহিনীর অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
৩/ কূটনৈতিক সম্পৃক্ততা:- বিশ্বব্যাপী কূটনৈতিক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে ঢাকায় আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি উভয় দেশের পারস্পরিক সৌহার্দ্য ও কূটনৈতিক বন্ধনকে আরও সুদৃঢ় করেছে।
৪/ দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক ও প্রতিরক্ষা সহযোগিতা:- অনুষ্ঠানে দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক বন্ধুত্বের কথা স্মরণ করা হয়। পাশাপাশি আগামী দিনে প্রতিরক্ষা খাতের পারস্পরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বকে আরও উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করা হয়।