1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
২৬শে আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ১১ই ভাদ্র, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| শরৎকাল| বুধবার| বিকাল ৫:০৭|
Title :
পাঁচবিবির যুবকদের আত্মকর্মসংস্থানে হাঁস-মুরগি পালনে প্রশিক্ষণ দেয় বিজিবি বেতাগীতে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণে শৃঙ্খলা ও সন্তুষ্ট উপকারভোগীরা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও মরহুমা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিস্থলে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন রাঙ্গামাটি নবগঠিত পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও সদস্যবৃন্দ রাজশাহীতে প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজকে ফুলেল শুভেচ্ছা এমপি মিলনের বিশ্বের ঐতিহাসিক ১৯দিন ব্যাপী চুনতি সীরাত মাহফিল উদ্ভোধন পোরশায় উপজেলা প্রশাসনের আইনশৃঙ্খলা ও সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত। নলডাঙ্গার ঐতিহ্যবাহী শ্রীশচন্দ্র বিদ্যা নিকেতনে অভিভাবক সমাবেশ ঝিকরগাছার নজরুল মঞ্চে এক দেয়ালে বাংলা সাহিত্যের তিন মহীরুহ স্থাপনাটি দীর্ঘদিন মানুষের উপকারে আসুক, সেটিই আমাদের প্রত্যাশা : পৌর প্রশাসক দেবাংশু বিশ্বাস জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের বরাদ্দ ও দখলচেষ্টার অভিযোগে দুয়ারীপাড়ায় ওয়াকফ প্লট মালিকদের বিক্ষোভ-মানববন্ধন। সুপরিচিত কবি, কথা-সাহিত্যিক, ছড়াকার, প্রাবন্ধিক, গল্পকার, ঔপন্যাসিক, সম্পাদিকা ও সাহিত্যচিন্তক মাধুরী ব্যানার্জীর লেখা অনুগল্প : “মুখোশের আড়ালে”

সাদুল্লাপুর উপজেলায় সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান বাড়িতে ৭২ বস্তা সার: অবৈধ মজুদের অভিযোগে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা

মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ স্টাফ রিপোর্টার
  • Update Time : বুধবার, আগস্ট ২৬, ২০২৬,
  • 2 Time View
3

মোঃ আশরাফুল ইসলাম আকন্দ
স্টাফ রিপোর্টার

সার নিয়ে বাজারে যখন কৃষকদের মধ্যে উদ্বেগ ও অনিশ্চয়তা, ঠিক সেই সময়ে গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরে সাবেক এক ইউপি চেয়ারম্যানের বাড়ি থেকে বিপুল পরিমাণ রাসায়নিক সার উদ্ধারের ঘটনায় নানা প্রশ্ন উঠেছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ৭২ বস্তা সার উদ্ধার করেছে উপজেলা প্রশাসন। এ ঘটনায় সাবেক চেয়ারম্যান মো. শাহিন সরকারকে ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকালে সাদুল্লাপুর উপজেলার উত্তর মন্দুয়ার এলাকায় শাহিন সরকারের বাড়িতে অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) জসিম উদ্দিন।
প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে বাড়িতে মজুদ অবস্থায় বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক সার পাওয়া যায়। এর মধ্যে রয়েছে—১৩ বস্তা ইউরিয়া, ২৮ বস্তা জিপসাম, ১৬ বস্তা ডিএপি, ১৩ বস্তা টিএসপি এবং ২ বস্তা পটাশ। উদ্ধার করা ৭২ বস্তা সারের আনুমানিক মূল্য ৫৬ হাজার ৭০০ টাকা।
সার কৃষকের, ব্যক্তিগত গুদামে কেন?
কৃষকদের জন্য সরবরাহ ও বরাদ্দ করা সার কীভাবে একজন সাবেক জনপ্রতিনিধির বাড়িতে এত বিপুল পরিমাণে মজুদ হলো—এ প্রশ্নই এখন সামনে এসেছে। সার মজুদের পেছনে কারা জড়িত, কোথা থেকে এসব সার সংগ্রহ করা হয়েছে এবং এগুলো কোথায় সরবরাহ বা বিক্রির উদ্দেশ্যে রাখা হয়েছিল—এসব বিষয়ও খতিয়ে দেখা জরুরি বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।
কারণ, সার বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরি হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন প্রান্তিক কৃষক। সংকটের সুযোগে দাম বাড়ে, কৃষকের উৎপাদন খরচ বাড়ে এবং শেষ পর্যন্ত এর প্রভাব পড়ে সাধারণ ভোক্তার ওপরও।
কঠোর নজরদারির দাবি
শুধু জরিমানা করেই দায় শেষ না করে অবৈধভাবে মজুদ করা সারের উৎস ও সম্ভাব্য যোগসূত্র খুঁজে বের করার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে সার মজুদ, কালোবাজারি কিংবা সরকারি বরাদ্দের সার অন্যত্র সরিয়ে নেওয়ার সঙ্গে কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি উঠেছে।
উপজেলা প্রশাসন জানিয়েছে, কৃষকদের জন্য বরাদ্দকৃত সার যাতে অবৈধভাবে মজুদ, বিক্রি কিংবা অন্যত্র সরিয়ে নেওয়া না হয়, সে বিষয়ে নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026