
নিরীহ ব্যক্তিকে মিথ্যা মামলায় কারাগারে পাঠানোর অভিযোগে তদন্ত ও মুক্তির দাবিতে এলাকাবাসীর হুঁশিয়ারি
জাহাঙ্গীর আলম,
জেলা প্রতিনিধি, ব্রাহ্মণবাড়িয়া
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার সিঙ্গারবিল ইউনিয়নের উত্তরিয়া পাড়া এলাকায় এক বাক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিকে গাঁজা দিয়ে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উথারিয়ারিয়া পাড়া মোড়া বাড়ির বাসিন্দা হামিদ মিয়া (৫০), পিতা চেরাগ আলী, একজন বাক প্রতিবন্ধী ও অত্যন্ত দরিদ্র ব্যক্তি। স্থানীয়দের দাবি, তিনি দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সৎ ও নিরীহ জীবনযাপন করে আসছেন।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, গত ১৯/০৪/২০২৬ইংবিজয়নগর থানা পুলিশ তাকে তার নিজ ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায় এবং পরবর্তীতে তার বিরুদ্ধে ২৬ কেজি গাঁজা উদ্ধারের অভিযোগে একটি মামলা দায়ের করা হয়। তবে স্থানীয়দের দাবি, এটি সম্পূর্ণ সাজানো এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত একটি ঘটনা।
স্থানীয়রা আরও জানান, প্রকৃত মাদক কারবারীদের আড়াল করে নিরীহ ও অসহায় মানুষদের ফাঁসানোর একটি পরিকল্পিত চেষ্টা এটি। তারা বলেন, হামিদ মিয়ার মতো একজন বাক প্রতিবন্ধী ব্যক্তির পক্ষে এমন অপরাধে জড়িত থাকা অবিশ্বাস্য।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী দ্রুত সঠিক তদন্তের মাধ্যমে হামিদ মিয়ার নিঃশর্ত মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। অন্যথায় মানববন্ধনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তারা।
এলাকাবাসী আরও দাবি করেন, এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বিজয়নগর থানার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রত্যাহার করতে হবে এবং প্রকৃত অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে হবে।
এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসন, পুলিশ সুপার, সিভিল সার্জন ও নবাগত জেলা প্রশাসকের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন স্থানীয়রা। পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছেও সুষ্ঠু তদন্ত ও ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়েছেন তারা।