
আনিসুজ্জামান, জেলা প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ:
(২৪ আগস্ট, সোমবার) কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী উপজেলার করগাঁও ইউনিয়নের বিভিন্ন উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি, দেশীয় প্রজাতির মাছের প্রজনন ও মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে অভিযান পরিচালনা করেছে উপজেলা মৎস্য কার্যালয়।
অভিযানকালে নিষিদ্ধ ও অবৈধভাবে মাছ ধরার কাজে ব্যবহৃত ৫২টি চায়না দুয়ারি/রিং জাল এবং ৬টি কারেন্ট জাল জব্দ করা হয়। জব্দ করা জালের মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১ হাজার ৪৫০ মিটার এবং আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
উপজেলা মৎস্য বিভাগের কর্মকর্তারা জানান, নিষিদ্ধ জালের ব্যবহারের কারণে মাছের পোনা ও বিভিন্ন জলজ প্রাণী ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। বিশেষ করে বর্ষা মৌসুমে উন্মুক্ত জলাশয়ে অবাধে এসব জাল ব্যবহারের ফলে দেশীয় মাছের প্রজনন ও বংশবিস্তারে বিরূপ প্রভাব পড়ে। তাই মৎস্যসম্পদ রক্ষায় নিয়মিত নজরদারি ও অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
অভিযান শেষে জব্দ করা নিষিদ্ধ জাল জনসম্মুখে পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয়। এ সময় স্থানীয় মৎস্যজীবী ও এলাকাবাসীকে নিষিদ্ধ জাল ব্যবহার না করার বিষয়ে সচেতন করা হয় এবং মৎস্য আইন মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়।
কটিয়াদী উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. কাউছার মিয়া বলেন, “চায়না দুয়ারি, কারেন্ট জাল, ইলেকট্রোফিশিংসহ অবৈধভাবে মাছ ধরার পদ্ধতির বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হবে। মৎস্যসম্পদ রক্ষা ও উন্মুক্ত জলাশয়ে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে জনস্বার্থে এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
মৎস্য বিভাগের এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকলে নিষিদ্ধ জালের ব্যবহার কমার পাশাপাশি দেশীয় মাছের প্রজনন ও উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে মৎস্যসম্পদ রক্ষায় জেলেসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে সরকারি আইন ও বিধিনিষেধ মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে।
আনিসুজ্জামান
জেলা প্রতিনিধি, কিশোরগঞ্জ
কার্ড নং: ৮১
মোবাইল: ০১৬৮৯৮৫৮৪২৭