আসছে মা দুর্গা, দুর্গোৎসব ঘিরে নবীনগরের কুমারপাড়ায় ব্যস্ততা
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার
Update Time :
মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর, ২০২৬
৬
Time View
আসছে মা দুর্গা, দুর্গোৎসব ঘিরে নবীনগরের কুমারপাড়ায় ব্যস্ততা
বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আর মাত্র কয়েকদিন পরই মর্ত্যে আসছেন দেবী দুর্গা। দুর্গোৎসবকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার গ্রাম-গঞ্জে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি। কোথাও তৈরি হচ্ছে পূজামণ্ডপ, কোথাও চলছে আলপনা, আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জার কাজ। সব মিলিয়ে চারদিকে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ। আগামী ১৭ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে ২০২৬ সালের শারদীয় দুর্গোৎসব। পূজার দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ব্যস্ততা, উৎসাহ ও উদ্দীপনা। আজ ৬ অক্টোবর সকালে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় দুর্গাপূজার অন্যতম আকর্ষণ দেবী দুর্গার প্রতিমা। তাই প্রতিমা তৈরিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন নবীনগরের কুমারপাড়ার কারিগররা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মাটি, খড় ও রং নিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত তারা। কারিগরদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় ধীরে ধীরে পূর্ণতা পাচ্ছে দেবী দুর্গা ও তাঁর পরিবারের প্রতিমা। প্রতিমা তৈরির দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই কুমারপাড়ায় ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণী ও বয়স্করাও কৌতূহল নিয়ে ঘুরে দেখছেন প্রতিমা তৈরির কাজ। মাটির কাঠামো ধীরে ধীরে দেবীর রূপ নেওয়ার দৃশ্য দর্শনার্থীদের মাঝে তৈরি করছে বাড়তি আনন্দ ও উৎসাহ। এদিকে পূজাকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপেও চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। মণ্ডপে চলছে আলোকসজ্জা, আলপনা, তোরণ নির্মাণ ও নান্দনিক সাজসজ্জার কাজ। পূজার কয়েকটি দিন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার অপেক্ষায় রয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা। নবীনগর উপজেলায় এবার ১৩০টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। পূজাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মণ্ডপগুলোতে প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে। অপরদিকে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা বিশৃঙ্খলা যাতে সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতি বছর এ উৎসবকে ঘিরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তৈরি হয় আনন্দ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ। ২০২৬ সালের শারদীয় দুর্গাপূজার প্রধান দিনগুলো মহালয়া: ১০ অক্টোবর, শনিবার মহাষষ্ঠী: ১৭ অক্টোবর, শনিবার মহাসপ্তমী: ১৮ অক্টোবর, রবিবার মহাষ্টমী: ১৯ অক্টোবর, সোমবার মহানবমী: ২০ অক্টোবর, মঙ্গলবার বিজয়া দশমী: ২১ অক্টোবর, বুধবার সবশেষে এখন অপেক্ষা সেই মাহেন্দ্রক্ষণের—যেদিন ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হবে পূজামণ্ডপ। মা দুর্গার আগমনী বার্তায় ইতোমধ্যেই উৎসবের রঙে রাঙতে শুরু করেছে নবী নগরের গ্রাম থেকে শহর।
8
বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। আর মাত্র কয়েকদিন পরই মর্ত্যে আসছেন দেবী দুর্গা।
দুর্গোৎসবকে ঘিরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার গ্রাম-গঞ্জে শুরু হয়েছে ব্যাপক প্রস্তুতি।
কোথাও তৈরি হচ্ছে পূজামণ্ডপ, কোথাও চলছে আলপনা, আলোকসজ্জা ও সাজসজ্জার কাজ। সব মিলিয়ে চারদিকে বিরাজ করছে উৎসবের আমেজ।
আগামী ১৭ অক্টোবর মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হবে ২০২৬ সালের শারদীয় দুর্গোৎসব।
পূজার দিন যতই ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ব্যস্ততা, উৎসাহ ও উদ্দীপনা।
আজ ৬ অক্টোবর সকালে সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়
দুর্গাপূজার অন্যতম আকর্ষণ দেবী দুর্গার প্রতিমা। তাই প্রতিমা তৈরিতে এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন নবীনগরের কুমারপাড়ার কারিগররা। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত মাটি, খড় ও রং নিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজে ব্যস্ত তারা।
কারিগরদের নিপুণ হাতের ছোঁয়ায় ধীরে ধীরে পূর্ণতা পাচ্ছে দেবী দুর্গা ও তাঁর পরিবারের প্রতিমা।
প্রতিমা তৈরির দৃশ্য দেখতে প্রতিদিনই কুমারপাড়ায় ভিড় করছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ।
শিশু-কিশোর থেকে শুরু করে তরুণ-তরুণী ও বয়স্করাও কৌতূহল নিয়ে ঘুরে দেখছেন প্রতিমা তৈরির কাজ। মাটির কাঠামো ধীরে ধীরে দেবীর রূপ নেওয়ার দৃশ্য দর্শনার্থীদের মাঝে তৈরি করছে বাড়তি আনন্দ ও উৎসাহ।
এদিকে পূজাকে সামনে রেখে উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপেও চলছে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি। মণ্ডপে চলছে আলোকসজ্জা, আলপনা, তোরণ নির্মাণ ও নান্দনিক সাজসজ্জার কাজ।
পূজার কয়েকটি দিন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আত্মীয়-স্বজন ও বন্ধুদের সঙ্গে আনন্দ ভাগাভাগি করার অপেক্ষায় রয়েছেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।
নবীনগর উপজেলায় এবার ১৩০টি পূজামণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে। পূজাকে কেন্দ্র করে ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট মণ্ডপগুলোতে প্রস্তুতি জোরদার করা হয়েছে।
অপরদিকে দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা বা বিশৃঙ্খলা যাতে সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
দুর্গাপূজা শুধু একটি ধর্মীয় উৎসব নয়, এটি বাঙালির ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। প্রতি বছর এ উৎসবকে ঘিরে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে তৈরি হয় আনন্দ, সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের পরিবেশ।
২০২৬ সালের শারদীয় দুর্গাপূজার প্রধান দিনগুলো
মহালয়া: ১০ অক্টোবর, শনিবার মহাষষ্ঠী: ১৭ অক্টোবর, শনিবার
মহাসপ্তমী: ১৮ অক্টোবর, রবিবার মহাষ্টমী: ১৯ অক্টোবর, সোমবার
মহানবমী: ২০ অক্টোবর, মঙ্গলবার বিজয়া দশমী: ২১ অক্টোবর, বুধবার
সবশেষে এখন অপেক্ষা সেই মাহেন্দ্রক্ষণের—যেদিন ঢাকের বাদ্য, শঙ্খধ্বনি ও উলুধ্বনিতে মুখরিত হবে পূজামণ্ডপ।
মা দুর্গার আগমনী বার্তায় ইতোমধ্যেই উৎসবের রঙে রাঙতে শুরু করেছে নবী নগরের গ্রাম থেকে শহর।