শরীফ মিয়া স্টাফ রিপোর্টার জামালপুরের মেলান্দহে ট্রাকচাপায় একই পরিবারের তিন সদস্যসহ চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছে আট মাস বয়সী এক শিশুও। এ ঘটনায় অটোরিকশাচালকসহ আরও দুজন আহত হয়েছেন। শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের মেলান্দহ উপজেলার বুরুঙ্গা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- ইসলামপুর উপজেলার ইন্দুল্লামারি এলাকার মোর্শেদ আলম (২৫), তার স্ত্রী ইকরামা (২০), তাদের আট মাস বয়সী শিশু সন্তান রিফা এবং মোটরসাইকেলচালক শওকত হাসান লিখন (৪৫)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেলান্দহ উপজেলার শিমুলতলী থেকে যাত্রী নিয়ে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা জামালপুরের দিকে যাচ্ছিল। একই সময়ে জামালপুর থেকে মেলান্দহের দিকে যাচ্ছিল একটি মোটরসাইকেল। পথে জামালপুরগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলচালক শওকত হাসান লিখন ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন। এরপর ট্রাকটি পেছন থেকে যাত্রীবাহী অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশায় থাকা একই পরিবারের তিন সদস্য মোর্শেদ আলম, তার স্ত্রী ইকরামা ও শিশু সন্তান রিফা ঘটনাস্থলেই নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। গুরুতর আহত মোটরসাইকেলচালক শওকত হাসান লিখনকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় আহত অটোরিকশাচালক হযরত আলী (৪২) ও যাত্রী শাকিল (১৬)-কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক জানান, দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।
12
শরীফ মিয়া স্টাফ রিপোর্টার
জামালপুরের মেলান্দহে ট্রাকচাপায় একই পরিবারের তিন সদস্যসহ চারজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছে আট মাস বয়সী এক শিশুও। এ ঘটনায় অটোরিকশাচালকসহ আরও দুজন আহত হয়েছেন।
শনিবার (৭ নভেম্বর) সকালে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ আঞ্চলিক সড়কের মেলান্দহ উপজেলার বুরুঙ্গা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন- ইসলামপুর উপজেলার ইন্দুল্লামারি এলাকার মোর্শেদ আলম (২৫), তার স্ত্রী ইকরামা (২০), তাদের আট মাস বয়সী শিশু সন্তান রিফা এবং মোটরসাইকেলচালক শওকত হাসান লিখন (৪৫)।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মেলান্দহ উপজেলার শিমুলতলী থেকে যাত্রী নিয়ে একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা জামালপুরের দিকে যাচ্ছিল। একই সময়ে জামালপুর থেকে মেলান্দহের দিকে যাচ্ছিল একটি মোটরসাইকেল। পথে জামালপুরগামী একটি ট্রাকের সঙ্গে মোটরসাইকেলটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে মোটরসাইকেলচালক শওকত হাসান লিখন ছিটকে পড়ে গুরুতর আহত হন।
এরপর ট্রাকটি পেছন থেকে যাত্রীবাহী অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে অটোরিকশায় থাকা একই পরিবারের তিন সদস্য মোর্শেদ আলম, তার স্ত্রী ইকরামা ও শিশু সন্তান রিফা ঘটনাস্থলেই নিহত হন।
খবর পেয়ে পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে হতাহতদের উদ্ধার করে মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। গুরুতর আহত মোটরসাইকেলচালক শওকত হাসান লিখনকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় আহত অটোরিকশাচালক হযরত আলী (৪২) ও যাত্রী শাকিল (১৬)-কে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মেলান্দহ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এটিএম মাহমুদুল হক জানান, দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন ঘটনাস্থলেই নিহত হন। হাসপাতালে নেওয়ার পর আরও একজনের মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি আটক করা হয়েছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।