কাউখালীতে সারের মজুদ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কৃষি অফিসের কঠোর মনিটরিং
মোঃ মাওলাদ হোসেন মঈন কাউখালী (পিরোজপুর )প্রতিনিধি
Update Time :
রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬
৩৩
Time View
কাউখালীতে সারের মজুদ ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে কৃষি অফিসের কঠোর মনিটরিং
মোঃ মাওলাদ হোসেন মঈন কাউখালী (পিরোজপুর )প্রতিনিধি পিরোজপুরের কাউখালীতে আমন মৌসুমে সারের মজুদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও কৃষক পর্যায়ে ন্যায্যমূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস। মাঠপর্যায়ে সরকারি গোডাউন ও খুচরা সার ডিলারদের দোকান নিয়মিত মনিটরিং করছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে কাউখালী উপজেলায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে আমন আবাদ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিকভাবে মাঠে কাজ করছেন। কৃষকেরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই সরকারি নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে সার কিনতে পারেন, সেজন্য বিসিআইসি ডিলারদের সরকারি গোডাউন ও খুচরা বিক্রেতাদের দোকানে নিয়মিত পরিদর্শন করা হচ্ছে। পাশাপাশি সারের মজুদ, বিক্রয় রেজিস্টার ও মূল্যতালিকাও পর্যবেক্ষণ করছেন কর্মকর্তারা। উপজেলার জয়কুল গ্রামের কৃষক মোঃ শাহিন বলেন, তিনি স্থানীয় খুচরা সারের দোকান থেকে সরকারি নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে রাসায়নিক সার কিনেছেন। এতে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। বিসিআইসি ডিলার মেসার্স এফ রহমান অ্যান্ড ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষি অফিসার, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা প্রায়ই আমাদের গোডাউন পরিদর্শনে আসেন। তারা সারের মজুদ ও বিক্রয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন। খুচরা সার ডিলার মোঃ রফিক বলেন, কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা নিয়মিত দোকানে এসে সারের রেজিস্টার দেখেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন। উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রদীপ কুমার হালদার বলেন, “আমরা আমন মৌসুমে প্রায় সকল জমি আমন আবাদের আওতায় নিয়ে এসেছি। কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী ন্যায্যমূল্যে সার সরবরাহ করা হচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস বলেন, “সারের মজুদ পরিস্থিতি ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমরা নিয়মিত সকল দোকান ও গোডাউন মনিটরিং করছি।
68
মোঃ মাওলাদ হোসেন মঈন
কাউখালী (পিরোজপুর )প্রতিনিধি
পিরোজপুরের কাউখালীতে আমন মৌসুমে সারের মজুদ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা ও কৃষক পর্যায়ে ন্যায্যমূল্যে সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে উপজেলা কৃষি অফিস। মাঠপর্যায়ে সরকারি গোডাউন ও খুচরা সার ডিলারদের দোকান নিয়মিত মনিটরিং করছেন কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি আমন মৌসুমে কাউখালী উপজেলায় আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ হয়ে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি জমিতে আমন আবাদ হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এ কারণে কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত সার সরবরাহ নিশ্চিত করতে উপজেলা কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিকভাবে মাঠে কাজ করছেন।
কৃষকেরা যাতে কোনো ধরনের হয়রানি ছাড়াই সরকারি নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে সার কিনতে পারেন, সেজন্য বিসিআইসি ডিলারদের সরকারি গোডাউন ও খুচরা বিক্রেতাদের দোকানে নিয়মিত পরিদর্শন করা হচ্ছে। পাশাপাশি সারের মজুদ, বিক্রয় রেজিস্টার ও মূল্যতালিকাও পর্যবেক্ষণ করছেন কর্মকর্তারা।
উপজেলার জয়কুল গ্রামের কৃষক মোঃ শাহিন বলেন, তিনি স্থানীয় খুচরা সারের দোকান থেকে সরকারি নির্ধারিত ন্যায্যমূল্যে রাসায়নিক সার কিনেছেন। এতে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন।
বিসিআইসি ডিলার মেসার্স এফ রহমান অ্যান্ড ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের কৃষি অফিসার, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার ও উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা প্রায়ই আমাদের গোডাউন পরিদর্শনে আসেন। তারা সারের মজুদ ও বিক্রয়সহ বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেন।
খুচরা সার ডিলার মোঃ রফিক বলেন, কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা নিয়মিত দোকানে এসে সারের রেজিস্টার দেখেন এবং প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেন।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রদীপ কুমার হালদার বলেন, “আমরা আমন মৌসুমে প্রায় সকল জমি আমন আবাদের আওতায় নিয়ে এসেছি। কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী ন্যায্যমূল্যে সার সরবরাহ করা হচ্ছে।
উপজেলা কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস বলেন, “সারের মজুদ পরিস্থিতি ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে আমরা নিয়মিত সকল দোকান ও গোডাউন মনিটরিং করছি।