1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
শ্রীনগরের ছেলে লাবিব খান চীনে অনুষ্ঠিতব্য বিশ্বকাপ ফুটবলে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছে: শ্যামনগরে বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ নওগাঁর পোরশায় পুলিশ সুপারের উদ্যোগে মাদক ও কিশোর অপরাধ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক মতবিনিময় সভা। এড. কাজলের মুক্তির দাবীতে মহিলা পরিষদ’র বিবৃতি নোয়াখালীতে শিবিরের উদ্যোগে ৪ হাজার শিক্ষার্থীর নিয়ে গণিত অলিম্পিয়াড অনুষ্ঠিত শ্রীপুরে মহাসড়কের পাশে খালে মরা মুরগি ফেলার সময় হাতেনাতে ধরে পুলিশে সোপর্দ করলেন এমপি বাচ্চু চন্দনাইশে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩ পরিবারের বসতঘর ভস্মীভূত, ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি আলীকদমে দাউদি বোহরা সম্প্রদায়ের ‘প্রজেক্ট রাইজ’ বৃক্ষরোপণ ও খাদ্য বিতরণ বঙ্গোপসাগর মা ইলিশ মাছ নিয়ে যারা দায়িত্ব আছে এই চোর বাটপারদের এই হাদিসটা দেখার দরকার সুনামগঞ্জে মাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ, আটক ছেলে

তানোরের শীর্ষ ৫ পদ ও শতাধিক প্রতিষ্ঠানের দায়িত্বে ইউএনও নাঈমা খান: সততা ও দক্ষতায় পাচ্ছেন প্রশংসা

মোঃ সোহেল রানা রাজশাহী
  • Update Time : বৃহস্পতিবার, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ২৪ Time View
55

মোঃ সোহেল রানা রাজশাহী

​
রাজশাহীর তানোর উপজেলায় এক অনন্য ও নজিরবিহীন দায়িত্ব সামলাচ্ছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান। একই সঙ্গে উপজেলার শীর্ষ ৫টি প্রশাসনিক পদ এবং শতাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচালনা পর্ষদের সভাপতির দায়িত্ব দক্ষতার সঙ্গে পালন করছেন তিনি। শত ব্যস্ততা ও বাড়তি কাজের চাপ সত্ত্বেও তার সততা, সুশাসন এবং সেবামুখী মনোভাব প্রশংসা কুড়াচ্ছে সাধারণ সেবাগ্রহীতা থেকে শুরু করে স্থানীয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের।
​উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ইউএনওর মূল পদের পাশাপাশি নাঈমা খান বর্তমানে উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, সহকারী কমিশনার (ভূমি), তানোর পৌরসভার প্রশাসক এবং মুণ্ডমালা পৌরসভার প্রশাসকের অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। গত ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর জনপ্রতিনিধিদের অপসারণ করা হলে উপজেলা পরিষদ ও তানোর পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্ব পান তিনি। পরবর্তীতে তানোরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) প্রশিক্ষণে ঢাকায় যাওয়ার পর এসিল্যান্ড ও মুণ্ডমালা পৌরসভার প্রশাসকের দায়িত্বও সাময়িকভাবে তার ওপর অর্পিত হয়। এছাড়া উপজেলার ১৪টি কলেজ, ৭৬টি মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ২৮টি মাদরাসাসহ প্রায় সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সভাপতির দায়িত্বও তিনিই সামলাচ্ছেন।
​একাধিক দপ্তরের পাহাড়সম কাজের চাপ থাকলেও নিয়ম ও ক্রমানুসারে (সিরিয়াল অনুযায়ী) ফাইল নিষ্পত্তি করছেন এই কর্মকর্তা। সম্প্রতি তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে গিয়ে দেখা যায়, সেবা নিতে আসা সাধারণ মানুষের ভিড়। দাপ্তরিক কাজের পাশাপাশি তিনি অত্যন্ত ধৈর্য ও মনোযোগের সঙ্গে সবার কথা শুনছেন। কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ফাইলের কাজ সম্পাদন শেষে বাইরে অপেক্ষমাণ সাধারণ মানুষদেরও ক্রমানুসারে সেবা দিচ্ছেন।
​নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক তানোর ইউএনও অফিসের এক কর্মচারী বলেন, “ইউএনও স্যার অত্যন্ত নিষ্ঠাবান ও সৎ একজন মানুষ। কাজ খুব ভালো বোঝেন এবং সেবাগ্রহীতা কাউকেই অযথা হয়রানি করা পছন্দ করেন না। এমন একজন কর্মকর্তার অধীনে কাজ করা সৌভাগ্যের ব্যাপার।”
​পৌরসভার এক কর্মকর্তা ও একাধিক সাধারণ সেবাগ্রহীতা জানান, দায়িত্ব বাড়লেও নাঈমা খানের ব্যবহারের কোনো পরিবর্তন হয়নি। ফাইল বা কাজের জন্য কাউকেই ঘুরতে হয় না। কাজ হোক বা না হোক, অত্যন্ত বিনয়ের সঙ্গে বিষয়টি বুঝিয়ে বলেন।
​অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন প্রসঙ্গে তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নাঈমা খান বলেন, “সরকার কর্তৃক অর্পিত যেকোনো দায়িত্ব পালনে আমি সর্বদা প্রস্তুত। অনেকগুলো দপ্তরের প্রশাসনিক দায়িত্ব এক সঙ্গে পড়ায় শারীরিক পরিশ্রম কিছুটা বেশি হচ্ছে, এটি সত্য। তবে শৃঙ্খলা ও নিয়ম অনুযায়ী ক্রমানুসারে কাজ পরিচালনা করলে কোনো বড় সমস্যা হয় না। জনগণকে সঠিক সেবা প্রদানই আমার মূল লক্ষ্য।”
​সততা, কঠোর পরিশ্রম ও সময়ানুবর্তিতা দিয়ে অতিরিক্ত দায়িত্বের এই বিশাল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি জনগণের আস্থা ফিরিয়ে আনছেন এই কর্মকর্তা।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026