আবুল হাসনাত তুহিন, ফেনী: ফুলগাজীতে নারী সমাবেশ : সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গণমুখী উদ্যোগ ‘জিপিএমএস কর্মপরিকল্পনা ২০২৬-এর প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রচার কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রধান প্রতিশ্রুতি ও জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নারী সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে ফুলগাজী উপজেলার নিলক্ষী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। জেলা তথ্য অফিস ফেনী এ আয়োজন করে। বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা তথ্য অফিসার এস.এম. আল আমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ফেনীর উপপরিচালক মিজ নাসরিন আকতার, ফুলগাজী উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা (অ.দা.) মিজ মোমেনা বেগম এবং বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা মিজ হোসনা আকতার। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উত্তম চন্দ্র পাল ও সহকারী শিক্ষকবৃন্দ। স্বাগত বক্তব্যে মিজ হোসনা আকতার নারীদের আর্থিক স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “নারীর জীবনে আর্থিক স্বাধীনতা অত্যন্ত জরুরি। তাঁরা অলস সময়কে কাজে লাগিয়ে নানা কর্মমুখী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারেন।” প্রধান শিক্ষক উত্তম চন্দ্র পাল তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি মায়েদের নিবিড় যত্নের ভূমিকা তুলে ধরেন। মিজ মোমেনা বেগম যৌতুক, বাল্যবিবাহ ও নারী সহিংসতা প্রতিরোধে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের টোল-ফ্রি হটলাইন ১০৯-এ ডায়াল করার আহ্বান জানান। তিনি অধিদপ্তরের নারীবান্ধব বিভিন্ন কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করেন। মিজ নাসরিন আকতার বর্তমান সরকারের জনবান্ধব পদক্ষেপ বর্ণনা করে বলেন, “সরকার মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে নারীদের আর্থিক স্বনির্ভরতায় সেলাই প্রশিক্ষণ, হস্ত ও কুটিরশিল্প প্রশিক্ষণ, ফুলগাজী ও সোনাগাজী উপজেলায় পুষ্টি চাল বিতরণ, বিধবা ও স্বামীপরিত্যক্ত মহিলা ভাতা এবং বয়স্ক ভাতা প্রদান করছে।” তিনি বাল্যবিবাহ রোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার অনুরোধ জানান। সভাপতির বক্তব্যে এস.এম. আল আমিন বলেন, “পরিবারের শিশুদের ওপর মায়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি—মা সচেতন হলে শিশুর জীবন সুন্দর হয়। নারী ক্ষমতায়নের প্রথম শর্ত হলো শিক্ষা; যথাযথ শিক্ষা ছাড়া নারীর ক্ষমতায়ন সম্ভব নয়।” তিনি নারী ক্ষমতায়নে সরকারের নানা পদক্ষেপ তুলে ধরে সমাবেশের সমাপ্তি ঘোষণা করেন। উল্লেখ্য, জেলা তথ্য অফিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় নারী-পুরুষ ও শিক্ষার্থী অভিভাবকরা উপকৃত হন এবং সরকারের উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সরাসরি জানার সুযোগ পান।
33
আবুল হাসনাত তুহিন, ফেনী: ফুলগাজীতে নারী সমাবেশ : সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে গণমুখী উদ্যোগ
‘জিপিএমএস কর্মপরিকল্পনা ২০২৬-এর প্রথম প্রান্তিকে (জুলাই-সেপ্টেম্বর) প্রচার কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারের প্রধান প্রতিশ্রুতি ও জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে নারী সমাবেশ’ অনুষ্ঠিত হয়েছে ফুলগাজী উপজেলার নিলক্ষী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। জেলা তথ্য অফিস ফেনী এ আয়োজন করে।
বিদ্যালয়ের মাঠে আয়োজিত সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন জেলা তথ্য অফিসার এস.এম. আল আমিন। বিশেষ অতিথি ছিলেন মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তর ফেনীর উপপরিচালক মিজ নাসরিন আকতার, ফুলগাজী উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা (অ.দা.) মিজ মোমেনা বেগম এবং বিশিষ্ট নারী উদ্যোক্তা মিজ হোসনা আকতার। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক উত্তম চন্দ্র পাল ও সহকারী শিক্ষকবৃন্দ।
স্বাগত বক্তব্যে মিজ হোসনা আকতার নারীদের আর্থিক স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, “নারীর জীবনে আর্থিক স্বাধীনতা অত্যন্ত জরুরি। তাঁরা অলস সময়কে কাজে লাগিয়ে নানা কর্মমুখী প্রশিক্ষণ গ্রহণ করতে পারেন।”
প্রধান শিক্ষক উত্তম চন্দ্র পাল তাঁর বক্তব্যে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি মায়েদের নিবিড় যত্নের ভূমিকা তুলে ধরেন।
মিজ মোমেনা বেগম যৌতুক, বাল্যবিবাহ ও নারী সহিংসতা প্রতিরোধে মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের টোল-ফ্রি হটলাইন ১০৯-এ ডায়াল করার আহ্বান জানান। তিনি অধিদপ্তরের নারীবান্ধব বিভিন্ন কর্মসূচির কথাও উল্লেখ করেন।
মিজ নাসরিন আকতার বর্তমান সরকারের জনবান্ধব পদক্ষেপ বর্ণনা করে বলেন, “সরকার মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের মাধ্যমে নারীদের আর্থিক স্বনির্ভরতায় সেলাই প্রশিক্ষণ, হস্ত ও কুটিরশিল্প প্রশিক্ষণ, ফুলগাজী ও সোনাগাজী উপজেলায় পুষ্টি চাল বিতরণ, বিধবা ও স্বামীপরিত্যক্ত মহিলা ভাতা এবং বয়স্ক ভাতা প্রদান করছে।” তিনি বাল্যবিবাহ রোধে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকার অনুরোধ জানান।
সভাপতির বক্তব্যে এস.এম. আল আমিন বলেন, “পরিবারের শিশুদের ওপর মায়ের প্রভাব সবচেয়ে বেশি—মা সচেতন হলে শিশুর জীবন সুন্দর হয়। নারী ক্ষমতায়নের প্রথম শর্ত হলো শিক্ষা; যথাযথ শিক্ষা ছাড়া নারীর ক্ষমতায়ন সম্ভব নয়।” তিনি নারী ক্ষমতায়নে সরকারের নানা পদক্ষেপ তুলে ধরে সমাবেশের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
উল্লেখ্য, জেলা তথ্য অফিসের এ উদ্যোগে স্থানীয় নারী-পুরুষ ও শিক্ষার্থী অভিভাবকরা উপকৃত হন এবং সরকারের উন্নয়নমুখী কর্মকাণ্ড সম্পর্কে সরাসরি জানার সুযোগ পান।