1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
বায়েজিদ থানা এলাকায় ওসি ইফতেখারের অভিযান আরমানকে গ্রেফতার শ্যামনগরে বিদ্যালয়ে অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত নওগাঁর সাপাহার সীমান্তে ১৩৩ বোতল ভারতীয় ব্রনকফ-সি সিরাপ আটক। ছয়ফুল্লাকান্দিতে ইয়াবাসহ স্বপ্না গ্রেপ্তার ড্রাগ লাইসেন্স ও নিবন্ধিত ফার্মাসিস্ট ছাড়া বিটেক এলাকায় ফরিদের ঔষধের দোকান সাভারে ডিআইজি ও পুলিশ সুপারের নিবিড় তদারকি সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করতে প্রধানমন্ত্রী বরাবর শ্যামনগরের জেলে-বাওয়ালীদের স্মারকলিপি চৌগাছা পলুয়ায় আদালতের নির্দেশ অমান্য করে জমি জবর দখল ও বাড়ি নির্মাণ জন্মদিনে শুভেচ্ছায় সিক্ত সাংবাদিক সাধন সাহা জয়, কৃতজ্ঞতা প্রকাশ চট্টগ্রাম বায়জিদ এলাকায় ওসি ইফতেখারের নেতৃত্বে অভিযান দেশীয় অস্ত্র সহ একজন আটক

‎বাগেরহাটে আট বছরের শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পরিমল ভক্ত গ্রেফতার

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ৯ জুন, ২০২৬
  • ৪৮ Time View
108

‎ম.ম.রবি ডাকুয়া,বাগেরহাট
‎বাগেরহাটের চিতলমারীতে আট বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগে পরিমল ভক্ত নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে সোমবার তাকে আটক করা হয়।
‎বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় আট বছর বয়সী এক শিশুকে পাশবিক নির্যাতনের ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। গত সোমবার দুপুরে উপজেলার ঝালোডাংগা গ্রামে এই বর্বরোচিত ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত পরিমল ভক্ত (৪৫) ওই গ্রামের মৃত গিরিশচন্দ্র ভক্তের ছেলে। জানা গেছে, সোমবার দুপুর আনুমানিক ২টা ২০ মিনিটের দিকে ভুক্তভোগী শিশুটি পরিমল ভক্তের বাড়িতে গেলে তাকে কৌশলে ঘরের ভেতরে নিয়ে যায় অভিযুক্ত। এরপর দরজা বন্ধ করে দিয়ে শিশুটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালানো হয়। ঘটনার পরপরই ভুক্তভোগী শিশুটি বিষয়টি তার পরিবারকে অবহিত করলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয় এবং পরিবারের পক্ষ থেকে দ্রুত থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ পাওয়ার পরপরই পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত পরিমল ভক্তকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। এই ঘটনাটি মূলত শিশু নিরাপত্তা এবং স্থানীয় পর্যায়ে অপরাধীদের দৌরাত্ম্যের বিষয়টি আবারও সামনে নিয়ে এসেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে পুলিশ প্রাথমিক তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি অভিযুক্তকে জিজ্ঞাসাবাদের আওতায় নিয়ে আসে এবং আইনগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে মঙ্গলবার দুপুরে তাকে বিজ্ঞ আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।
‎ভুক্তভোগী শিশুর পরিবার ও স্থানীয়দের অভিযোগ অনুযায়ী, অভিযুক্ত পরিমল ভক্তের এমন কর্মকাণ্ডে পুরো গ্রামবাসী স্তম্ভিত। শিশুটি শারীরিকভাবে অত্যন্ত অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও আইনি সহায়তা প্রদানের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, অভিযুক্ত ব্যক্তি সুযোগ বুঝে এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড সংঘটিত করেছে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়। ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা অভিযুক্তের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন যাতে ভবিষ্যতে অন্য কোনো শিশু এমন জঘন্য পরিস্থিতির শিকার না হয়। স্থানীয় পর্যায়ে নিরাপত্তাহীনতার বিষয়টি প্রকট হয়ে ওঠায় এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে সামাজিক ও নৈতিক অবক্ষয়ের এমন নজির স্থাপন হওয়ায় স্থানীয়রা ক্ষোভ প্রকাশ করছেন। ভুক্তভোগী শিশুর মানসিক ট্রমা কাটিয়ে উঠতে দীর্ঘমেয়াদী কাউন্সিলিং ও যথাযথ আইনি সুরক্ষা নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি।
‎ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চিতলমারী থানার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ওসি (তদন্ত) রোকেয়া খানম জানিয়েছেন যে, ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতেই অভিযুক্ত পরিমল ভক্তকে দ্রুত গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশের ভাষ্যমতে, ঘটনার পরপরই প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে এবং তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। কোনো ধরনের চাপের মুখে না পড়ে বা কোনো ছাড় না দিয়ে আইন অনুযায়ী অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেছে প্রশাসন। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন দাবি করেছে যে, এ ধরনের জঘন্য অপরাধের ক্ষেত্রে তারা জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। তবে স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, শুধুমাত্র গ্রেফতারই যথেষ্ট নয়, বরং এই মামলার বিচারিক কার্যক্রম দ্রুত সম্পন্ন করে অপরাধীকে শাস্তির আওতায় আনাই হবে প্রকৃত ন্যায়বিচার।
‎এই ধরণের ঘটনা কেবল একটি পরিবারের বিপর্যয় নয়, বরং এটি সামাজিক নিরাপত্তার চরম ঘাটতির একটি বহিঃপ্রকাশ। শিশু সুরক্ষা আইন এবং তার সঠিক প্রয়োগ না থাকলে ভবিষ্যতে এ ধরনের অপরাধ প্রবণতা বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। বাগেরহাটের চিতলমারীর এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, সমাজে শিশু নির্যাতন রোধে কেবল আইনি ব্যবস্থার ওপর নির্ভর না করে সামাজিক সচেতনতা বাড়ানো অত্যন্ত জরুরি। অভিভাবক মহল এবং স্থানীয় প্রশাসনের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় শিশু নির্যাতন বন্ধে কঠোর নজরদারি ও অপরাধীর দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা না গেলে সমাজে ভীতিকর পরিস্থিতি স্থায়ী রূপ নিতে পারে। আগামী দিনে এ ধরনের অপরাধ নির্মূলে কঠোর আইনি দৃষ্টান্ত স্থাপন করাই হবে একমাত্র পথ।
‎
‎

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026