1. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
  2. mdrouf834@gmail.com : dailybangladeshpatrika :
১৫ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ| ২রা বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ| গ্রীষ্মকাল| বুধবার| সন্ধ্যা ৭:০২|
Title :
বাংলা শুভ নববর্ষ নিয়ে তুষার কান্তি সেনবাগে অবৈধ জ্বালানি তেলের অবৈধ মজুদ ১৫০০ লিটার জব্দ, জরিমানা ৫০ হাজার টাকা চিলমারীতে “বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন উপলক্ষে” আনন্দ ও শোভাযাত্রা অনুষ্ঠিত মোংলায় বৈশাখী শোভা যাত্রায় বাংলা নববর্ষ পালিত প্রাণের উচ্ছ্বাসে বর্ণিল নান্দাইল উপজেলায় প্রশাসনের আয়োজনে বাংলা নববর্ষ-১৪৩৩ উদযাপন নোয়াখালীর সেনবাগে বর্ণাঢ্য আয়োজনে উদযাপিত হয়েছে ১৪৩৩ বাংলা নববর্ষ দেশবাসীকে নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানালেন সাবেক মেয়র আজিজুল ইসলাম পিকুল অন্তরা কবিরের বৈশাখী প্রেম। উৎসবমুখর পরিবেশে গোদাগাড়ীতে বাংলা নববর্ষ উদযাপন লস্করপুরে ৯৩ বন্ধুদের মিলনমেলা: পান্তা-ইলিশের আয়োজনে মেতে উঠল শৈশব

কাল্পনিক গল্প গল্পের নাম: “জেলে ডিঙ্গির টোপর।

লেখক সৈয়দ রাহিম উদ্দিন রেদওয়ান
  • Update Time : রবিবার, মার্চ ৮, ২০২৬,
  • 151 Time View

অনেক, অনেক বছর আগে, সিলেটের এক নির্জন হাওরে, যেখানে চাঁদ উঠলে কুয়াশা ঢেকে যায়, আর হাওরের বুক কাঁপে অজানা সুরে, সেখানে বাস করত এক ভয়ঙ্কর জেলে। কিন্তু সে ছিল মানুষ নয়, ছিল অর্ধেক কুমির আর অর্ধেক মানুষ—তাকে সবাই ডাকত “ডিঙ্গির টোপর” নামে।

লোককথা বলে, সে জন্মেছিল চাঁদের অমাবস্যা রাতে, যখন এক পাগল জেলে তার নৌকায় এক অলৌকিক ডিম পায়। সেই ডিম ফাটার পর জন্ম নেয় এক শিশু, যার মাথা ছিল কুমিরের মতো, চোখ জ্বলজ্বলে, আর শরীরে মানুষের মতো দগদগে চামড়া। লোকেরা ভয় পেয়ে শিশুটিকে ফেলে দেয় হাওরে। কিন্তু হাওর তাকে গ্রহণ করে, আর কালক্রমে সে হয়ে ওঠে “হাওরের অভিশাপ।”

দিনে সে ঘুমাত পচা কাদায়, আর রাতে উঠে পড়ত—তার লম্বা দন্তযুক্ত মুখে লেগে থাকত হাওরের কাঁকড়ার রক্ত। কিন্তু সে শুধু মাছ নয়, মানুষও শিকার করত। যারা চুপিচুপি রাতের বেলায় হাওরে অবৈধভাবে মাছ ধরতে যেত, তাদের আর ফিরে আসা হতো না। টোপরের লাঠির মাথায় ছিল এক জাদু পাথর, যা মৃত মানুষের আত্মাকে শুষে নিত, আর টোপর হয়ে উঠত আরও শক্তিশালী।

একবার এক বাউল দরবেশ টোপরের কাছে যায়—সে বলে, “তুই অভিশপ্ত, টোপর। তোর মুক্তি হোক।”
টোপর হাসে, এক গা-জোড়া কুমিরি হাসি, “মুক্তি চাই না আমি, চাই প্রতিশোধ। তোমরা যারা আমায় ফেলে দিয়েছিলে, তোমাদের সন্তানদের কেউ যেন হাওরের দিকেও না তাকায়!”

দরবেশ জানত, টোপরকে থামাতে হলে তার দৃষ্টিতে চোখ রেখে “মৃত্যুর নাম” বলতে হয়। কিন্তু সেই নাম জানে না কেউ—শুধু এক পুরনো পান্ডুলিপিতে লেখা ছিল, যা এখন কাদার নিচে হারিয়ে গেছে।

তখন থেকেই প্রতি অমাবস্যা রাতে, যখন বাতাসে শীতল হাহাকার শোনা যায়, কেউ কেউ দেখে—এক কুমিরমুখো দানব, ভাঙা এক ডিঙ্গি নিয়ে হাওরের বুকে ঘুরে বেড়ায়, লাঠি ঠুকিয়ে ঠুকিয়ে খুঁজে ফেরে তার পরবর্তী শিকার।

আর হ্যাঁ, যদি কেউ ভুল করেও হাওরের জলে “টোপর” বলে ডাক দেয়, সে আর কখনও জেগে ওঠে না।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
All rights reserved ©2026