ভৈরবে গাছে ঝুলছিল সিঙ্গাপুরপ্রবাসীর মরদেহ, হাত-পা ও মুখ বাঁধা
মাহিন আহমেদ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
Update Time :
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
১৪
Time View
ভৈরবে গাছে ঝুলছিল সিঙ্গাপুরপ্রবাসীর মরদেহ, হাত-পা ও মুখ বাঁধা
মাহিন আহমেদ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি : কিশোরগঞ্জের ভৈরবে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় রুকন উদ্দিন (প্রায় ৩০) নামে এক সিঙ্গাপুরপ্রবাসী যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের পূর্ব নয়াহাটি এলাকার সরকারবাড়ির গোয়ালঘরের পাশে একটি গাছ থেকে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত রুকন উদ্দিন ওই এলাকার কৃষক সাত্তার মিয়ার ছেলে। তিনি প্রায় এক মাস আগে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরেছিলেন। সেখানে একটি প্রতিষ্ঠানে ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন। সম্প্রতি সুপারভাইজার পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর দেশে ছুটি কাটিয়ে আবার কর্মস্থলে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে খাবার খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমাতে যান রুকন। মঙ্গলবার ভোরে তাঁর ভাই রুবেল মিয়া ঘর থেকে বের হয়ে গোয়ালঘরের পাশে একটি গাছের সঙ্গে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরিবারের দাবি, রুকনের হাত-পা ও মুখ বাঁধা ছিল। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকেও সিমকার্ড খুলে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা। রুকনের বাবা সাত্তার মিয়া জানান, তিন বছর আগে জমি বিক্রি করে ছেলেকে সিঙ্গাপুরে পাঠিয়েছিলেন। সেখানে চাকরি করে রুকন পরিবারের জন্য অর্থ সঞ্চয় করছিলেন। দেশে ফিরে বাড়ির কাজ শেষ করে বিয়ে করার পরিকল্পনাও ছিল তাঁর। তিনি বলেন, রুকন বন্ধুদের সঙ্গে কক্সবাজার যাওয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা চেয়েছিলেন। সোমবার ভৈরব শহরে বন্ধুদের সঙ্গে কেনাকাটাও করেছিলেন। মঙ্গলবার ভোরে তাঁদের কক্সবাজার যাওয়ার কথা ছিল। নিহতের মা অনুফা বেগমের দাবি, সোমবার রাত ১টার দিকে তিনি ছেলেকে কারও সঙ্গে ফোনে কথা বলতে শুনেছেন। এরপর কোনো একসময় তাঁকে বাড়ির বাইরে ডেকে নিয়ে হত্যা করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে পরিবারের ধারণা। ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা রুকনকে হত্যার পর হাত-পা বেঁধে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে গেছে। তিনি বলেন, মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ ও তদন্তের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
32
মাহিন আহমেদ
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় রুকন উদ্দিন (প্রায় ৩০) নামে এক সিঙ্গাপুরপ্রবাসী যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার কালিকাপ্রসাদ ইউনিয়নের পূর্ব নয়াহাটি এলাকার সরকারবাড়ির গোয়ালঘরের পাশে একটি গাছ থেকে তাঁর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত রুকন উদ্দিন ওই এলাকার কৃষক সাত্তার মিয়ার ছেলে। তিনি প্রায় এক মাস আগে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে ফিরেছিলেন। সেখানে একটি প্রতিষ্ঠানে ইলেকট্রিশিয়ান হিসেবে কাজ করতেন। সম্প্রতি সুপারভাইজার পদে পদোন্নতি পাওয়ার পর দেশে ছুটি কাটিয়ে আবার কর্মস্থলে ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার রাতে খাবার খেয়ে নিজ ঘরে ঘুমাতে যান রুকন। মঙ্গলবার ভোরে তাঁর ভাই রুবেল মিয়া ঘর থেকে বের হয়ে গোয়ালঘরের পাশে একটি গাছের সঙ্গে তাঁকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। পরে স্থানীয়দের সহায়তায় পুলিশকে খবর দেওয়া হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। পরিবারের দাবি, রুকনের হাত-পা ও মুখ বাঁধা ছিল। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন থেকেও সিমকার্ড খুলে নেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন স্বজনেরা।
রুকনের বাবা সাত্তার মিয়া জানান, তিন বছর আগে জমি বিক্রি করে ছেলেকে সিঙ্গাপুরে পাঠিয়েছিলেন। সেখানে চাকরি করে রুকন পরিবারের জন্য অর্থ সঞ্চয় করছিলেন। দেশে ফিরে বাড়ির কাজ শেষ করে বিয়ে করার পরিকল্পনাও ছিল তাঁর।
তিনি বলেন, রুকন বন্ধুদের সঙ্গে কক্সবাজার যাওয়ার জন্য ১০ হাজার টাকা চেয়েছিলেন। সোমবার ভৈরব শহরে বন্ধুদের সঙ্গে কেনাকাটাও করেছিলেন। মঙ্গলবার ভোরে তাঁদের কক্সবাজার যাওয়ার কথা ছিল।
নিহতের মা অনুফা বেগমের দাবি, সোমবার রাত ১টার দিকে তিনি ছেলেকে কারও সঙ্গে ফোনে কথা বলতে শুনেছেন। এরপর কোনো একসময় তাঁকে বাড়ির বাইরে ডেকে নিয়ে হত্যা করে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে বলে পরিবারের ধারণা।
ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, দুর্বৃত্তরা রুকনকে হত্যার পর হাত-পা বেঁধে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রেখে গেছে।
তিনি বলেন, মরদেহের প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে। পরিবারের অভিযোগ ও তদন্তের ভিত্তিতে ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।