প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হেলিকপ্টারে ঘোরানোর সুযোগ দিল হারামাইন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার
Update Time :
শুক্রবার, ৯ অক্টোবর, ২০২৬
৬
Time View
প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের হেলিকপ্টারে ঘোরানোর সুযোগ দিল হারামাইন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার পুনিয়াউট মোড় এলাকায় অবস্থিত হারামাইন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা। প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে হেলিকপ্টারে ভ্রমণের সুযোগ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে চার শিক্ষার্থীকে হেলিকপ্টারে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে তাদের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরিয়ে দেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নূরানী, নাজেরা ও হিফজ—এই তিনটি বিভাগের প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে তিনজনকে নির্বাচন করা হয়। পাশাপাশি সারা বছর কোনো ধরনের অন্যায় বা অভিযোগে জড়িত না থাকা একজন শিক্ষার্থীকে বিশেষভাবে এ সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে চার শিক্ষার্থী পেয়েছে এই ব্যতিক্রমী পুরস্কার। হেলিকপ্টারে ভ্রমণের সুযোগ পাওয়া চার শিক্ষার্থী হলো—ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের আলাল হোসেনের ছেলে ইয়াছির আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার উলচাপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে ছিয়াম আহমেদ, কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার মিজানুর রহমানের ছেলে আবু বকর ছিদ্দিক এবং নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে জাহিদুল হাসান। মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ ক্বারী শাহ আহমাদ রিফাত। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কৃতী সন্তান। তাঁর পিতার নাম শাহ আলম। ২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নূরানী, নাজেরা ও হিফজ—এই তিনটি বিভাগে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো, ভালো ফলাফল অর্জনে উৎসাহিত করা এবং নৈতিক চরিত্র গঠনে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের আয়োজন প্রতিবছর চালু রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে। এদিকে নবীনগর উপজেলার শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগের ঘোষণা দিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। নবীনগর উপজেলার সন্তানরা এ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলে তাদের কাছ থেকে কোনো ধরনের ভর্তি বা অন্যান্য ফি নেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে। শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
8
সাধন সাহা জয়
স্টাফ রিপোর্টার
শিক্ষার্থীদের পড়াশোনায় উৎসাহিত করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার পুনিয়াউট মোড় এলাকায় অবস্থিত হারামাইন ইন্টারন্যাশনাল মাদ্রাসা। প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের পুরস্কার হিসেবে হেলিকপ্টারে ভ্রমণের সুযোগ দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।
শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বিকেলে চার শিক্ষার্থীকে হেলিকপ্টারে করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া থেকে ঢাকায় নেওয়া হয়। সেখানে তাদের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ঘুরিয়ে দেখানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, নূরানী, নাজেরা ও হিফজ—এই তিনটি বিভাগের প্রথম সাময়িক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের মধ্য থেকে তিনজনকে নির্বাচন করা হয়।
পাশাপাশি সারা বছর কোনো ধরনের অন্যায় বা অভিযোগে জড়িত না থাকা একজন শিক্ষার্থীকে বিশেষভাবে এ সুযোগ দেওয়া হয়েছে। সব মিলিয়ে চার শিক্ষার্থী পেয়েছে এই ব্যতিক্রমী পুরস্কার।
হেলিকপ্টারে ভ্রমণের সুযোগ পাওয়া চার শিক্ষার্থী হলো—ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের আলাল হোসেনের ছেলে ইয়াছির আহমেদ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার উলচাপাড়া এলাকার রফিকুল ইসলামের ছেলে ছিয়াম আহমেদ, কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার মিজানুর রহমানের ছেলে আবু বকর ছিদ্দিক এবং নবীনগর উপজেলার বীরগাঁও ইউনিয়নের আমতলী গ্রামের জাকির হোসেনের ছেলে জাহিদুল হাসান।
মাদ্রাসাটির প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক হাফেজ ক্বারী শাহ আহমাদ রিফাত। তিনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার কৃতী সন্তান। তাঁর পিতার নাম শাহ আলম।
২০২৫ সালে প্রতিষ্ঠিত এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে নূরানী, নাজেরা ও হিফজ—এই তিনটি বিভাগে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ বাড়ানো, ভালো ফলাফল অর্জনে উৎসাহিত করা এবং নৈতিক চরিত্র গঠনে অনুপ্রাণিত করার লক্ষ্যে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের আয়োজন প্রতিবছর চালু রাখার পরিকল্পনাও রয়েছে।
এদিকে নবীনগর উপজেলার শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সুযোগের ঘোষণা দিয়েছে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ। নবীনগর উপজেলার সন্তানরা এ প্রতিষ্ঠানে ভর্তি হলে তাদের কাছ থেকে কোনো ধরনের ভর্তি বা অন্যান্য ফি নেওয়া হবে না বলে জানানো হয়েছে।
শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এমন ব্যতিক্রমী উদ্যোগ স্থানীয় অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।