অষ্টম শ্রেণি পাস, সাবেক দর্জি ও সাপুড়ে থেকে কয়েক মাসের ব্যবধানে দুটি পত্রিকার সম্পাদক ও আসক-এর যুগ্ম মহাসচিব! বাণিজ্য ও জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
বিশেষ প্রতিবেদক:
Update Time :
সোমবার, ৫ অক্টোবর, ২০২৬
১
Time View
অষ্টম শ্রেণি পাস, সাবেক দর্জি ও সাপুড়ে থেকে কয়েক মাসের ব্যবধানে দুটি পত্রিকার সম্পাদক ও আসক-এর যুগ্ম মহাসচিব! বাণিজ্য ও জালিয়াতির চাঞ্চল্যকর অভিযোগ
বিশেষ প্রতিবেদক: অষ্টম শ্রেণির গণ্ডি না পেরোনো, পেশায় সাবেক দর্জি ও সাপুড়ে আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী সুমন এখন দুটি অনলাইন পত্রিকার 'সম্পাদক'! শুধু সম্পাদক পদেই ক্ষান্ত হননি, বাগিয়ে নিয়েছেন ‘আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা কেন্দ্র’ (আসক)-এর মতো প্রতিষ্ঠানের যুগ্ম মহাসচিবের গুরুত্বপূর্ণ পদও। জালিয়াতি, কার্ড বাণিজ্য এবং পদ বিক্রির মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে—যার কোনো বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা নাগরিক পরিচয়ই নেই! অনুসন্ধানে জানা যায়, সুমন আগে দর্জি হিসেবে কাজ করতেন এবং মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাপ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা বা সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও অলৌকিক কোনো ক্ষমতার জোরে তিনি হঠাৎ সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার অঙ্গনে আত্মপ্রকাশ করেন। গড়ে তোলেন ‘দৈনিক সকালের পত্রিকা’ এবং ‘দৈনিক দিগন্ত সংবাদ’ নামে দুটি অনলাইন পোর্টাল। অভিযোগ রয়েছে, সাধারণ অনলাইন পোর্টালগুলোকে 'জাতীয় দৈনিক প্রিন্ট পত্রিকা' হিসেবে ভুয়া পরিচয় দিয়ে সারা দেশে প্রতিনিধি নিয়োগের নামে ২,০০০ থেকে ৩,০০০ টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন তিনি। টাকার বিনিময়ে কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়াই অটোচালক থেকে শুরু করে বিভিন্ন অপেশাদার ব্যক্তির হাতে সাংবাদিকতার কার্ড তুলে দিয়ে তিনি "হলুদ সাংবাদিকতার" এক বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন। একই সাথে টাকার বিনিময়ে ‘আসক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা কেন্দ্র’-এর গুরুত্বপূর্ণ পদ বিক্রিরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ তথ্য হলো, যে ব্যক্তি নিজেকে জাতীয় পত্রিকার সম্পাদক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার নীতি-নির্ধারক দাবি করছেন, দেশের প্রচলিত ব্যবস্থায় তার নিজস্ব কোনো বৈধ এনআইডি (NID) বা জাতীয় পরিচয়পত্রই নেই। পরিচয়হীন এক ব্যক্তি কীভাবে সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারের মতো স্পর্শকাতর খাতের নিয়ন্ত্রক সেজে বসেন, তা নিয়ে চরম তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। এ বিষয়ে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সচেতন মহল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, "সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা। অষ্টম শ্রেণি পাস ও নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্রহীন একজন ব্যক্তি কীভাবে দুটি পত্রিকার সম্পাদক হয় এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করে? এটি সাংবাদিকতার মতো পবিত্র পেশাকে চরমভাবে কলঙ্কিত করছে এবং ভুয়া পরিচয়ে অপকর্মের সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।" জাতীয় পরিচয়পত্রহীন এই ব্যক্তির ভুয়া পরিচয় ব্যবহার, প্রতারণামূলক কার্ড বাণিজ্য এবং মানবাধিকারের পদ বিক্রির ঘটনায় আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী সুমনের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ জনগণ।
4
বিশেষ প্রতিবেদক:
অষ্টম শ্রেণির গণ্ডি না পেরোনো, পেশায় সাবেক দর্জি ও সাপুড়ে আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী সুমন এখন দুটি অনলাইন পত্রিকার ‘সম্পাদক’! শুধু সম্পাদক পদেই ক্ষান্ত হননি, বাগিয়ে নিয়েছেন ‘আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা কেন্দ্র’ (আসক)-এর মতো প্রতিষ্ঠানের যুগ্ম মহাসচিবের গুরুত্বপূর্ণ পদও। জালিয়াতি, কার্ড বাণিজ্য এবং পদ বিক্রির মাধ্যমে বিপুল অর্থ হাতিয়ে নেওয়া এই ব্যক্তির বিরুদ্ধে আরও এক চাঞ্চল্যকর তথ্য মিলেছে—যার কোনো বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) বা নাগরিক পরিচয়ই নেই!
অনুসন্ধানে জানা যায়, সুমন আগে দর্জি হিসেবে কাজ করতেন এবং মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে সাপ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন। কোনো প্রাতিষ্ঠানিক যোগ্যতা বা সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতা না থাকা সত্ত্বেও অলৌকিক কোনো ক্ষমতার জোরে তিনি হঠাৎ সাংবাদিকতা ও মানবাধিকার অঙ্গনে আত্মপ্রকাশ করেন। গড়ে তোলেন ‘দৈনিক সকালের পত্রিকা’ এবং ‘দৈনিক দিগন্ত সংবাদ’ নামে দুটি অনলাইন পোর্টাল। অভিযোগ রয়েছে, সাধারণ অনলাইন পোর্টালগুলোকে ‘জাতীয় দৈনিক প্রিন্ট পত্রিকা’ হিসেবে ভুয়া পরিচয় দিয়ে সারা দেশে প্রতিনিধি নিয়োগের নামে ২,০০০ থেকে ৩,০০০ টাকা করে হাতিয়ে নিচ্ছেন তিনি।
টাকার বিনিময়ে কোনো অভিজ্ঞতা ছাড়াই অটোচালক থেকে শুরু করে বিভিন্ন অপেশাদার ব্যক্তির হাতে সাংবাদিকতার কার্ড তুলে দিয়ে তিনি “হলুদ সাংবাদিকতার” এক বিশাল নেটওয়ার্ক গড়ে তুলেছেন। একই সাথে টাকার বিনিময়ে ‘আসক আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা কেন্দ্র’-এর গুরুত্বপূর্ণ পদ বিক্রিরও অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। তবে সবচেয়ে ভয়াবহ তথ্য হলো, যে ব্যক্তি নিজেকে জাতীয় পত্রিকার সম্পাদক ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার নীতি-নির্ধারক দাবি করছেন, দেশের প্রচলিত ব্যবস্থায় তার নিজস্ব কোনো বৈধ এনআইডি (NID) বা জাতীয় পরিচয়পত্রই নেই। পরিচয়হীন এক ব্যক্তি কীভাবে সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারের মতো স্পর্শকাতর খাতের নিয়ন্ত্রক সেজে বসেন, তা নিয়ে চরম তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক ও সচেতন মহল তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “সাংবাদিকতা একটি দায়িত্বশীল ও মর্যাদাপূর্ণ পেশা। অষ্টম শ্রেণি পাস ও নিজস্ব জাতীয় পরিচয়পত্রহীন একজন ব্যক্তি কীভাবে দুটি পত্রিকার সম্পাদক হয় এবং আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থার গুরুত্বপূর্ণ পদ দখল করে? এটি সাংবাদিকতার মতো পবিত্র পেশাকে চরমভাবে কলঙ্কিত করছে এবং ভুয়া পরিচয়ে অপকর্মের সুযোগ তৈরি করে দিচ্ছে।”
জাতীয় পরিচয়পত্রহীন এই ব্যক্তির ভুয়া পরিচয় ব্যবহার, প্রতারণামূলক কার্ড বাণিজ্য এবং মানবাধিকারের পদ বিক্রির ঘটনায় আশরাফুল ইসলাম চৌধুরী সুমনের বিরুদ্ধে অবিলম্বে আইনি ব্যবস্থা নিতে প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর জরুরি হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন সাংবাদিক সমাজ ও সাধারণ জনগণ।