নওগাঁর পোরশায় পারিবারিক কলহ জেরে ভাই ও মাকে জখম থানায় এজাহারের প্রস্তুতি।
মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
Update Time :
বুধবার, ১৪ অক্টোবর, ২০২৬
১৩
Time View
নওগাঁর পোরশায় পারিবারিক কলহ জেরে ভাই ও মাকে জখম থানায় এজাহারের প্রস্তুতি।
মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি নওগাঁর পোরশায় পারিবারিক কলহ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় এক যুবক ও তার মা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। আহতরা হলেন— উপজেলার শ্রীকৃষ্ণপুর গ্রামের জিন্নাত আলীর ছেলে মোঃ আশরাফুল ইসলাম (৩৮) এবং তাঁর মা মোসাঃ রোকেয়া বেগম। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে একই গ্রামের একরামুল হোসেন, আব্দুল্লাহিল বাকীসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে পোরশা থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। ঘটনা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আসামীদের সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। ঢাকায় কর্মরত আশরাফুল ইসলাম ঘটনার দিন ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরে অসুস্থ পিতাকে দেখে ফেরার পথে বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি আমবাগানের কাছে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আসামীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র (লোহার রড, লাঠি ইত্যাদি) নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে তাঁকে বাঁচাতে তাঁর মা রোকেয়া বেগম এগিয়ে এলে তাঁকেও পিটিয়ে ও ধাক্কা দিয়ে ফেলে রেখে আহত করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও আত্মীয়স্বজন ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, বর্তমানে তাঁরা আসামী পক্ষের কাছ থেকে নানা ধরনের হুমকির মুখে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। তবে হামলার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তদের একজন আব্দুল্লাহিল বাকী। মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি জানান, মারামারির বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়। এ বিষয়ে পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়াউর রহমান জানান, "এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
17
মোঃ মোস্তাকিম বিল্লাহ
নওগাঁ জেলা প্রতিনিধি
নওগাঁর পোরশায় পারিবারিক কলহ ও পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রতিপক্ষের হামলায় এক যুবক ও তার মা গুরুতর আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আহতরা হলেন— উপজেলার শ্রীকৃষ্ণপুর গ্রামের জিন্নাত আলীর ছেলে মোঃ আশরাফুল ইসলাম (৩৮) এবং তাঁর মা মোসাঃ রোকেয়া বেগম। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাই আমিনুল ইসলাম বাদী হয়ে একই গ্রামের একরামুল হোসেন, আব্দুল্লাহিল বাকীসহ ৫ জনের নাম উল্লেখ করে পোরশা থানায় একটি লিখিত এজাহার দায়েরের প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
ঘটনা সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আসামীদের সঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবারের পারিবারিক কলহ চলে আসছিল। ঢাকায় কর্মরত আশরাফুল ইসলাম ঘটনার দিন ঢাকা থেকে বাড়ি ফিরে অসুস্থ পিতাকে দেখে ফেরার পথে বাড়ির পার্শ্ববর্তী একটি আমবাগানের কাছে পৌঁছালে পূর্বপরিকল্পিতভাবে আসামীরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র (লোহার রড, লাঠি ইত্যাদি) নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। একপর্যায়ে তাঁকে বাঁচাতে তাঁর মা রোকেয়া বেগম এগিয়ে এলে তাঁকেও পিটিয়ে ও ধাক্কা দিয়ে ফেলে রেখে আহত করা হয়। পরে স্থানীয় লোকজন ও আত্মীয়স্বজন ভুক্তভোগীদের উদ্ধার করে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করায়।
ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, বর্তমানে তাঁরা আসামী পক্ষের কাছ থেকে নানা ধরনের হুমকির মুখে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন।
তবে হামলার বিষয়টি সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্তদের একজন আব্দুল্লাহিল বাকী। মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি জানান, মারামারির বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না এবং তাঁদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সত্য নয়।
এ বিষয়ে পোরশা থানার অফিসার ইনচার্জ জিয়াউর রহমান জানান, “এ বিষয়ে এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ পাইনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।