কামরুল01883088084 বাকলিয়া থানা এলাকায় সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহিনের অভিযান উক্ত অভিযানে বাকলিয়ায় চুরির অভিযোগে ভিকটিম ইমন (২১) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ শাহিন । অপর এক আসামি পলাতক রয়েছেন। গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—আব্দুর রহমান জিসান (২১), ইয়াছিন আরাফাত (২৩), মো. হাসান (৩৩) ও মো. মিজানুর রহমান (২৭)। তাঁরা বর্তমানে বাকলিয়ার কল্পলোক আবাসিক এলাকা ও বাস্তহারা বস্তিতে বসবাস করেন। নিহত ইমন বাকলিয়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর ফুফু রেহানা বেগম এ ঘটনায় বাকলিয়া থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেছেন। এজাহার সূত্রে জানা যায়, একটি পান-সিগারেটের দোকানে চুরির চেষ্টার অভিযোগে ইমনকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন বাদী। একপর্যায়ে তাঁকে বাকলিয়ার কল্লোলক আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোডের মুখে ব্রিজের নিচে ফেলে রেখে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে। এজাহারে আরও বলা হয়, খবর পেয়ে ইমনের ফুফু ও তাঁর ছেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। বর্তমানে ইমনের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে। মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে। ঘটনার সত্যতা ও চার আসামির গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনূর আলম। গ্রেপ্তার আসামিদের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।
68
কামরুল01883088084
বাকলিয়া থানা এলাকায় সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ ওসি শাহিনের অভিযান উক্ত অভিযানে
বাকলিয়ায় চুরির অভিযোগে ভিকটিম ইমন (২১) নামে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলায় এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে সাহসী চৌকষ ক্যাডেট পুলিশ অফিসার ইনচার্জ শাহিন । অপর এক আসামি পলাতক রয়েছেন।
গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন—আব্দুর রহমান জিসান (২১), ইয়াছিন আরাফাত (২৩), মো. হাসান (৩৩) ও মো. মিজানুর রহমান (২৭)। তাঁরা বর্তমানে বাকলিয়ার কল্পলোক আবাসিক এলাকা ও বাস্তহারা বস্তিতে বসবাস করেন।
নিহত ইমন বাকলিয়া এলাকার বাসিন্দা। তাঁর ফুফু রেহানা বেগম এ ঘটনায় বাকলিয়া থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও চার-পাঁচজনকে আসামি করে মামলা করেছেন।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, একটি পান-সিগারেটের দোকানে চুরির চেষ্টার অভিযোগে ইমনকে আটক করা হয়। পরে তাঁকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ করেছেন বাদী। একপর্যায়ে তাঁকে বাকলিয়ার কল্লোলক আবাসিক এলাকার ২ নম্বর রোডের মুখে ব্রিজের নিচে ফেলে রেখে যাওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।
এজাহারে আরও বলা হয়, খবর পেয়ে ইমনের ফুফু ও তাঁর ছেলে ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে। বর্তমানে ইমনের মরদেহ চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে রয়েছে।
মামলা দায়েরের পরপরই অভিযান চালিয়ে এজাহারভুক্ত চার আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানা গেছে। ঘটনার সত্যতা ও চার আসামির গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের (সিএমপি) বাকলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শাহীনূর আলম।
গ্রেপ্তার আসামিদের বিষয়ে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত জানানো হবে বলেও জানান তিনি।