রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মসজিদের ২লাখ ৮৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ,গ্রেফতার ১
Reporter Name
Update Time :
Wednesday, September 2, 2026,
2 Time View
রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মসজিদের ২লাখ ৮৫ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগ,গ্রেফতার ১
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ওয়াকফ এস্টেটের অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ইউএনওর স্বাক্ষর জাল করে চেক তৈরি ও ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গোদাগাড়ী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। মামলার ঘটনায় অভিযুক্ত মো. মুশফিকুর রহমান শাহীনকে আটক করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এজাহার সূত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী থানার চব্বিশনগর এলাকার হাজী হোসেন আলী সরকার দিং ওয়াকফ এস্টেট পরিচালনার জন্য ১৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি রয়েছে। কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। অভিযোগকারীসহ ১১ জন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মো. মুশফিকুর রহমান শাহীন। অভিযুক্ত শাহীন উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের চব্বিশনগর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় চব্বিশনগর জামে মসজিদ ওয়াকফ এস্টেটের মোতাওয়াল্লি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, সদস্য সচিবের দায়িত্ব পাওয়ার সুযোগে মুশফিকুর রহমান ওয়াকফ এস্টেটের আয়-ব্যয়ের হিসাব পরিচালনা করতেন। তবে কমিটির পক্ষ থেকে হিসাব চাওয়া হলে তিনি সঠিক হিসাব দিতে পারেননি বলে অভিযোগ করা হয়। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় চত্বরে বসে ইউএনওর স্বাক্ষর জাল এবং অফিসের সিল ব্যবহার করে একটি চেক প্রস্তুত করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। ওই জাল চেকের মাধ্যমে রূপালী ব্যাংক পিএলসি, কাকনহাট শাখা থেকে ২ লাখ ৮৫ হাজার ৮০০ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। চেকটি মো. আবু সাদাত সায়েম ইমনের নামে ইস্যু করা হয়েছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া গত ২৭ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড় এলাকার রূপালী ব্যাংক পিএলসি, লক্ষ্মীপুর শাখা থেকে একইভাবে জাল স্বাক্ষর করা চেকের মাধ্যমে আরও ২ লাখ ৮৫ হাজার ৮০০ টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে। চেকের স্বাক্ষর নিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হলে বিষয়টি শাখা ব্যবস্থাপককে জানানো হয়। পরে ব্যাংক ব্যবস্থাপক মোবাইল ফোনে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। এ সময় ইউএনও জানান, তিনি টাকা উত্তোলনের জন্য কোনো স্বাক্ষরিত চেক বা লেটার ব্যাংকে পাঠাননি। এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, এর আগে একই ধরনের প্রতারণার মাধ্যমে ওয়াকফ এস্টেটের ব্যাংক হিসাব থেকে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৮০০ টাকা উত্তোলন করে নেওয়া হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে এজাহারে সাক্ষী হিসেবে মো. মাহফুজুর রহমান ও মো. শওকত হোসেন রাজার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা ঘটনার বিষয়ে অবগত রয়েছেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে মো. রুহুল কবির গোদাগাড়ী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করেন। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মো. মুশফিকুর রহমান শাহীনকে গতকাল রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আটক করা হয়। পরে ২ সেপ্টেম্বর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। বিষয়টি গোদাগাড়ী থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
3
স্টাফ রিপোর্টার: রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে ওয়াকফ এস্টেটের অর্থ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে ইউএনওর স্বাক্ষর জাল করে চেক তৈরি ও ব্যাংক থেকে টাকা উত্তোলনের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গোদাগাড়ী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করা হয়েছে। মামলার ঘটনায় অভিযুক্ত মো. মুশফিকুর রহমান শাহীনকে আটক করে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
এজাহার সূত্রে জানা যায়, গোদাগাড়ী থানার চব্বিশনগর এলাকার হাজী হোসেন আলী সরকার দিং ওয়াকফ এস্টেট পরিচালনার জন্য ১৩ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি রয়েছে। কমিটির সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। অভিযোগকারীসহ ১১ জন সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। আর সদস্য সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মো. মুশফিকুর রহমান শাহীন।
অভিযুক্ত শাহীন উপজেলার রিশিকুল ইউনিয়নের চব্বিশনগর গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় চব্বিশনগর জামে মসজিদ ওয়াকফ এস্টেটের মোতাওয়াল্লি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, সদস্য সচিবের দায়িত্ব পাওয়ার সুযোগে মুশফিকুর রহমান ওয়াকফ এস্টেটের আয়-ব্যয়ের হিসাব পরিচালনা করতেন। তবে কমিটির পক্ষ থেকে হিসাব চাওয়া হলে তিনি সঠিক হিসাব দিতে পারেননি বলে অভিযোগ করা হয়।
এরই ধারাবাহিকতায় গত ২০ আগস্ট দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় চত্বরে বসে ইউএনওর স্বাক্ষর জাল এবং অফিসের সিল ব্যবহার করে একটি চেক প্রস্তুত করা হয় বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
ওই জাল চেকের মাধ্যমে রূপালী ব্যাংক পিএলসি, কাকনহাট শাখা থেকে ২ লাখ ৮৫ হাজার ৮০০ টাকা উত্তোলন করা হয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। চেকটি মো. আবু সাদাত সায়েম ইমনের নামে ইস্যু করা হয়েছিল বলে এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এছাড়া গত ২৭ আগস্ট দুপুর ১২টার দিকে রাজশাহী নগরীর লক্ষ্মীপুর মোড় এলাকার রূপালী ব্যাংক পিএলসি, লক্ষ্মীপুর শাখা থেকে একইভাবে জাল স্বাক্ষর করা চেকের মাধ্যমে আরও ২ লাখ ৮৫ হাজার ৮০০ টাকা উত্তোলনের চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
চেকের স্বাক্ষর নিয়ে ব্যাংক কর্তৃপক্ষের সন্দেহ হলে বিষয়টি শাখা ব্যবস্থাপককে জানানো হয়। পরে ব্যাংক ব্যবস্থাপক মোবাইল ফোনে গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করেন। এ সময় ইউএনও জানান, তিনি টাকা উত্তোলনের জন্য কোনো স্বাক্ষরিত চেক বা লেটার ব্যাংকে পাঠাননি।
এজাহারে আরও অভিযোগ করা হয়েছে, এর আগে একই ধরনের প্রতারণার মাধ্যমে ওয়াকফ এস্টেটের ব্যাংক হিসাব থেকে ১ লাখ ৮৫ হাজার ৮০০ টাকা উত্তোলন করে নেওয়া হয়েছে।
ঘটনার বিষয়ে এজাহারে সাক্ষী হিসেবে মো. মাহফুজুর রহমান ও মো. শওকত হোসেন রাজার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। তারা ঘটনার বিষয়ে অবগত রয়েছেন বলেও এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিতে মো. রুহুল কবির গোদাগাড়ী মডেল থানায় এজাহার দায়ের করেন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত মো. মুশফিকুর রহমান শাহীনকে গতকাল রাত আনুমানিক ৮টার দিকে আটক করা হয়। পরে ২ সেপ্টেম্বর তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।
বিষয়টি গোদাগাড়ী থানা পুলিশ নিশ্চিত করেছে। অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।