শান্তিগঞ্জে সুর্যে আলমসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, খুঁজছে পুলিশ
Reporter Name
Update Time :
রবিবার, ১৮ অক্টোবর, ২০২৬
৪
Time View
শান্তিগঞ্জে সুর্যে আলমসহ ১১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা, খুঁজছে পুলিশ
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি: সুনামগঞ্জের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা একটি মামলায় ১১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আদালতের পরোয়ানার পর শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে । মামলাটি দ্রুত বিচার মামলা নং-১৯/২০২৬, মামলার বাদী শান্তিগঞ্জ উপজেলার মুরাদপুর গ্রামের রুকসানা বেগম। মামলায় সোহেদ আলম, আক্কল আলী, কুহিল, নুর ইসলাম, সামছু আলম, সূর্য্য আলম, অলি, সুনেকা, সফারুন, হুসনারা ও লাকীকে আসামি করা হয়েছে। মামলার অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের ১০ জুলাই সকালে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার বসতবাড়িতে প্রবেশ করে ভয়ভীতি প্রদর্শন, ঘরবাড়ি ভাঙচুর এবং লুটপাট করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় তার আলমারিতে থাকা প্রায় পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার, যার আনুমানিক মূল্য ৮ লাখ টাকা, এবং নগদ ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে। বাদীর অভিযোগ, তিনি বাধা দিলে কয়েকজন আসামি তাকে মারধর করে আহত করেন। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলেও আসামিদের সশস্ত্র অবস্থানের কারণে কেউ বাড়িতে প্রবেশের সাহস পাননি বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার পর পুলিশ বাদীর বাড়ি থেকে কিছু ধান, গরু ও মেশিন উদ্ধার করে তার স্বজনের কাছে হস্তান্তর করে এবং বসতঘরটি তালাবদ্ধ করে দেয়। মামলার নথি অনুযায়ী, পরবর্তীতে ১৬ জুলাই বাদী আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর নিজ বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করলে আসামিরা ফের সশস্ত্র অবস্থায় তার বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ সময় পুলিশের দেওয়া তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাদী বাড়িতে প্রবেশ করতে পারেননি বলেও মামলার অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে। বাদীপক্ষের অভিযোগ, বর্তমানে আসামিরা তার বসতঘর দখল করে সেখানে অবস্থান করছেন এবং ঘরে থাকা বিভিন্ন মালামাল, চিকিৎসার কাগজপত্র, জমির দলিল ও পর্চা তাদের দখলে রয়েছে। ফলে বাদী ও তার পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ (সংশোধিত ২০২৪)-এর ৪/৫ ধারায় মামলা করা হয়েছে। মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ায় আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন । পরোয়ানা কার্যকর করতে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে খোঁজ করছে।
5
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি:
সুনামগঞ্জের দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা একটি মামলায় ১১ আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। আদালতের পরোয়ানার পর শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চালাচ্ছে ।
মামলাটি দ্রুত বিচার মামলা নং-১৯/২০২৬, মামলার বাদী শান্তিগঞ্জ উপজেলার মুরাদপুর গ্রামের রুকসানা বেগম। মামলায় সোহেদ আলম, আক্কল আলী, কুহিল, নুর ইসলাম, সামছু আলম, সূর্য্য আলম, অলি, সুনেকা, সফারুন, হুসনারা ও লাকীকে আসামি করা হয়েছে।
মামলার অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, ২০২৬ সালের ১০ জুলাই সকালে আসামিরা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে তার বসতবাড়িতে প্রবেশ করে ভয়ভীতি প্রদর্শন, ঘরবাড়ি ভাঙচুর এবং লুটপাট করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, এ সময় তার আলমারিতে থাকা প্রায় পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার, যার আনুমানিক মূল্য ৮ লাখ টাকা, এবং নগদ ৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা নিয়ে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
বাদীর অভিযোগ, তিনি বাধা দিলে কয়েকজন আসামি তাকে মারধর করে আহত করেন। তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলেও আসামিদের সশস্ত্র অবস্থানের কারণে কেউ বাড়িতে প্রবেশের সাহস পাননি বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ঘটনার পর পুলিশ বাদীর বাড়ি থেকে কিছু ধান, গরু ও মেশিন উদ্ধার করে তার স্বজনের কাছে হস্তান্তর করে এবং বসতঘরটি তালাবদ্ধ করে দেয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, পরবর্তীতে ১৬ জুলাই বাদী আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পর নিজ বাড়িতে যাওয়ার চেষ্টা করলে আসামিরা ফের সশস্ত্র অবস্থায় তার বাড়িতে অবস্থান করছেন বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ সময় পুলিশের দেওয়া তালা ভেঙে ঘরে প্রবেশ করে মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যাওয়ারও অভিযোগ করা হয়েছে। নিরাপত্তাহীনতার কারণে বাদী বাড়িতে প্রবেশ করতে পারেননি বলেও মামলার অভিযোগে উল্লেখ রয়েছে।
বাদীপক্ষের অভিযোগ, বর্তমানে আসামিরা তার বসতঘর দখল করে সেখানে অবস্থান করছেন এবং ঘরে থাকা বিভিন্ন মালামাল, চিকিৎসার কাগজপত্র, জমির দলিল ও পর্চা তাদের দখলে রয়েছে। ফলে বাদী ও তার পরিবার বাড়িঘর ছেড়ে অসহায় অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় আইন-শৃঙ্খলা বিঘ্নকারী অপরাধ (দ্রুত বিচার) আইন, ২০০২ (সংশোধিত ২০২৪)-এর ৪/৫ ধারায় মামলা করা হয়েছে।
মামলার পরবর্তী আইনগত প্রক্রিয়ায় আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন । পরোয়ানা কার্যকর করতে শান্তিগঞ্জ থানা পুলিশ আসামিদের গ্রেপ্তারে খোঁজ করছে।