। ক্রাইম রিপোর্টার বাংলাদেশঃ ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নের রুকনা কান্দা গ্রামের মোঃ উজ্জ্বল মিয়া ২য় বউ অপকর্মের হোতা। সূত্রে জানা যায় গত ১৩/৪/২৬ ইং তারিখ রাতের প্রায় ৩ টার দিকে আরিফা খাতুন চায়না (২৬) কে একই বাড়ির মোঃ জমির উদ্দিন এর ছেলে মোঃ রতন মিয়া (২৭) ঘরে প্রবেশ করে জোর পূর্বক ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। এমন অভিযোগ এনে আরিফা আক্তার গৌরীপুর থানার মামলা করেন। থানার মামলা ১৫ জি.আর নং ৭২ /২৬ উক্ত মামলার পর থেকেই ঘটনাটি নিয়ে পুরো গ্রাম ও এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি এবং আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে। এই মামলার আসামি মোঃ রতন মিয়া আদালত থেকে হাজিরা দিয়ে বাড়িতে আসে। উক্ত মামলা উভয় পক্ষ বসে গ্রাম্য শালিস বৈঠক মিমাংসা হয় কিন্তু উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ থেকে যায়। এই নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে পুনোরায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে আসামির মা কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন উজ্জ্বল মিয়া ২য় বউ মাদ্যক ও দেহব্যবসা সাথে জড়িত এবং আমার ছেলের জীবন নষ্ট ও সংসার ধংস করে দিচ্ছে। কিছু দিন পর পর বিভিন্ন অভিযোগে তোলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ওই নারী আরিফা আক্তার। এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর সুদৃষ্টি কামনা করছে। ভোক্তভোগী পরিবার বর্গ লোকজন।
45
। ক্রাইম রিপোর্টার বাংলাদেশঃ ময়মনসিংহ জেলার গৌরীপুর উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নের রুকনা কান্দা গ্রামের মোঃ উজ্জ্বল মিয়া ২য় বউ অপকর্মের হোতা। সূত্রে জানা যায় গত ১৩/৪/২৬ ইং তারিখ রাতের প্রায় ৩ টার দিকে আরিফা খাতুন চায়না (২৬) কে একই বাড়ির মোঃ জমির উদ্দিন এর ছেলে মোঃ রতন মিয়া (২৭) ঘরে প্রবেশ করে জোর পূর্বক ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। এমন অভিযোগ এনে আরিফা আক্তার গৌরীপুর থানার মামলা করেন। থানার মামলা ১৫ জি.আর নং ৭২ /২৬ উক্ত মামলার পর থেকেই ঘটনাটি নিয়ে পুরো গ্রাম ও এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্যকর সৃষ্টি এবং আলোচনা সমালোচনা ঝড় উঠে। এই মামলার আসামি মোঃ রতন মিয়া আদালত থেকে হাজিরা দিয়ে বাড়িতে আসে। উক্ত মামলা উভয় পক্ষ বসে গ্রাম্য শালিস বৈঠক মিমাংসা হয় কিন্তু উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ থেকে যায়। এই নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে পুনোরায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। এ ব্যাপারে আসামির মা কাছে বিষয়টি জানতে চাইলে তিনি সত্যতা স্বীকার করে বলেন উজ্জ্বল মিয়া ২য় বউ মাদ্যক ও দেহব্যবসা সাথে জড়িত এবং আমার ছেলের জীবন নষ্ট ও সংসার ধংস করে দিচ্ছে। কিছু দিন পর পর বিভিন্ন অভিযোগে তোলে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ওই নারী আরিফা আক্তার। এ ব্যাপারে জেলার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও জেলা পুলিশ সুপার সহ স্থানীয় প্রশাসন এর সুদৃষ্টি কামনা করছে। ভোক্তভোগী পরিবার বর্গ লোকজন।