সোহরাব বরগুনা: বরগুনার আমতলীতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ অভিযানে ৪ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের জামাই পরিচয়ের এক মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে গেছেন। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকা। মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ১২টা ২৫ মিনিটে আমতলী উপজেলার ২ নম্বর কুকুয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চুনাখালী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ। পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, বরগুনার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা, পিপিএম-সেবা-এর নির্দেশনায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে ডিবির একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। ডিবির এসআই (নিঃ) বিকাশ কর্মকারের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মো. মঞ্জুরুল হাসান, এএসআই (নিঃ) রাজিব হাওলাদারসহ পুলিশের একটি দল অভিযানে অংশ নেয়। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে নারী কনস্টেবল রুমা আক্তারের সহায়তায় মোসা. কহিনুর (৪০) এবং পুলিশের অন্য সদস্যদের সহায়তায় তার স্বামী মো. সেলিম প্যাদাকে (৫৫) আটক করা হয়। তবে ঘটনাস্থল থেকে একজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। পরবর্তীতে স্থানীয় নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে কহিনুরের দেহ তল্লাশি করে তার পরিহিত কাপড়ের ভেতর থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঘরের রান্নাঘরে লুকিয়ে রাখা একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে আরও ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা হয় ৪ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবা। এ ছাড়া ইয়াবা মোড়কজাত ও পরিবহনে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ব্যাগ, কসটেপসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়। ডিবি পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এ ঘটনায় পলাতক মো. সবুজ মৃধা (৩২) গ্রেপ্তার হওয়া দম্পতির জামাই। তিনি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকারি দামে ইয়াবা সংগ্রহ করে শ্বশুর-শাশুড়ির বাড়িতে মজুত রাখতেন। পরে অটোরিকশাযোগে বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করতেন বলে পুলিশের দাবি। এ ঘটনায় গ্রেপ্তার কহিনুর ও সেলিম প্যাদা এবং পলাতক সবুজ মৃধার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী আমতলী থানায় মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এখন প্রশ্ন উঠেছে—শ্বশুর-শাশুড়ির বাড়িকে ব্যবহার করে কতদিন ধরে চলছিল এই ইয়াবার কারবার? এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। মোঃ সোহরাব হোসেন বরগুনা জেলা প্রতিনিধি তারিখ ০৩-১১-২৬ ইং
15
সোহরাব বরগুনা:
বরগুনার আমতলীতে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) বিশেষ অভিযানে ৪ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ সময় তাদের জামাই পরিচয়ের এক মাদক ব্যবসায়ী পালিয়ে গেছেন। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক অবৈধ বাজারমূল্য ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকা।
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) রাত ১২টা ২৫ মিনিটে আমতলী উপজেলার ২ নম্বর কুকুয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চুনাখালী এলাকায় এ অভিযান পরিচালনা করে বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।
পুলিশের প্রেস বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, বরগুনার পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা, পিপিএম-সেবা-এর নির্দেশনায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে ডিবির একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। ডিবির এসআই (নিঃ) বিকাশ কর্মকারের নেতৃত্বে এসআই (নিঃ) মো. মঞ্জুরুল হাসান, এএসআই (নিঃ) রাজিব হাওলাদারসহ পুলিশের একটি দল অভিযানে অংশ নেয়।
এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে নারী কনস্টেবল রুমা আক্তারের সহায়তায় মোসা. কহিনুর (৪০) এবং পুলিশের অন্য সদস্যদের সহায়তায় তার স্বামী মো. সেলিম প্যাদাকে (৫৫) আটক করা হয়। তবে ঘটনাস্থল থেকে একজন পালিয়ে যেতে সক্ষম হন।
পরবর্তীতে স্থানীয় নিরপেক্ষ সাক্ষীদের উপস্থিতিতে কহিনুরের দেহ তল্লাশি করে তার পরিহিত কাপড়ের ভেতর থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ঘরের রান্নাঘরে লুকিয়ে রাখা একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে আরও ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করে পুলিশ। সব মিলিয়ে উদ্ধার করা হয় ৪ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবা। এ ছাড়া ইয়াবা মোড়কজাত ও পরিবহনে ব্যবহৃত প্লাস্টিকের ব্যাগ, কসটেপসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
ডিবি পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, এ ঘটনায় পলাতক মো. সবুজ মৃধা (৩২) গ্রেপ্তার হওয়া দম্পতির জামাই। তিনি দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকারি দামে ইয়াবা সংগ্রহ করে শ্বশুর-শাশুড়ির বাড়িতে মজুত রাখতেন। পরে অটোরিকশাযোগে বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করতেন বলে পুলিশের দাবি।
এ ঘটনায় গ্রেপ্তার কহিনুর ও সেলিম প্যাদা এবং পলাতক সবুজ মৃধার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী আমতলী থানায় মামলা রুজুর প্রক্রিয়া চলছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এখন প্রশ্ন উঠেছে—শ্বশুর-শাশুড়ির বাড়িকে ব্যবহার করে কতদিন ধরে চলছিল এই ইয়াবার কারবার? এর সঙ্গে আরও কেউ জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
মোঃ সোহরাব হোসেন
বরগুনা জেলা প্রতিনিধি
তারিখ ০৩-১১-২৬ ইং