
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪
গত ৩০/০৪/২০২৬ ইং তারিখে রাত অনুমান ০৮.০০ ঘটিকার সময় জনৈক মো: ওসমান তাহার স্ত্রীর ডেলিভারীজনিত কারণে স্ত্রী কে হাসপাতালে ভর্তি করেছেন সেখানে তিনি তাহার স্ত্রীর সাথে ০৪ দিন হাসপাতালে থাকেন গত ০৩/০৫/২০২৬ ইং দুপুর অনুমান ১২.০০ ঘটিকার সময় তাহার মৎস আড়ৎ এ আসিয়া দেখে যে, আড়ৎ এর সামনের দরজায় লাগানো তালা নাই। তখন তিনি ভিতরে প্রবেশ করিয়া দেখে যে, সমস্ত জিনিসপত্র এলোমেলো ও বিক্ষিপ্ত অবস্থায় পড়িয়া আছে এবং বর্ণিত ০১নং বিবাদী তাহার মৎস আড়ৎ এর ভিতরে নাই। তখনই তাহার সন্দেহ হইল যে তাহার আড়ৎ এ চোর প্রবেশ করেছে। একপর্যায়ে তাহার মাছের আড়ৎ এর সমস্ত জিনিসপত্র খোঁজাখুজি করিয়া দেখে যে, তাহার আড়ৎ এর ক্যাশ বাক্সে রক্ষিত নগদ ১৫,৫০,০০০/-(পনের লক্ষ পঁঞ্চাশ হাজার) টাকা যথাস্থানে নাই। পরবর্তীতে সিসি ক্যামেরার ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায় ও বিশ্বস্ত সূত্রে জানিতে পারেন যে, তাহার ভাগিনা ১। মোঃ গিয়াস উদ্দিন (২৪), পিতা- আবদুর রশিদ, মাতা- হাসিনা বেগম, এবং তাহার ভাগিনার বন্ধু ২। মোঃ ফারুক (৪৫), পিতা-এজাহার মিয়া, উভয় সাং- চাপাছড়ি, ০৯নং ওয়ার্ড, আব্দুর রহমান এর বাড়ী, ০৪নং বাহারছড়া ইউপি, থানা- বাঁশাখালী, জেলা- চট্টগ্রাম সহ অজ্ঞাতনামা ০২ জন বিবাদী পরস্পর যোগসাজশে বাদীর অবর্তমানে ব্যবসায়ের ক্যাশ বাক্স হইতে কৌশলে নগদ টাকা চুরি করিয়া নিয়ে যায়। পরবর্তীতে বাদী উক্ত ঘটনায় থানায় লিখিত এজাহার দায়ের করিলে কোতোয়ালী থানার মামলা নং-৩১, তারিখ- ১৭/০৫/২০২৬ ইং, ধারা- ৩৮১/৩৪ পেনাল কোড রুজু করা হয়।
পরবর্তীতে মাননীয় উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ), সিএমপি, চট্টগ্রাম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (দক্ষিণ), সিএমপি, চট্টগ্রাম এর সার্বিক দিক নির্দেশনায়, এসি বাকলিয়া জোন, সিএমপি, চট্টগ্রাম মহোদয় এর তত্ত্বাবধানে এবং অফিসার ইনচার্জ, ওসি মোঃ আফতাব উদ্দিনের নেতৃত্বে এসআই রাশেদুল ইসলাম সঙ্গীয় ফোর্সসহ চট্টগ্রাম বাশখালী থানা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করিয়া বাশখালী থানা পুলিশের সহায়তায় উল্লেখিত ঘটনার সহিত জড়িত ০২ জন চোরকে গ্রেফতার করিয়া থানায় নিয়ে আসে। পরবর্তীতে ধৃত আসামীদ্বয়কে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে যথাযথ পুলিশ প্রহরায় বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়।