মো মোস্তাকিম বিল্লাহ পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি নওগাঁর পোরশায় পুনর্ভবা নদীতে মাছ ধরার জন্য কাঁঠা দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আতাবুর রহমান (৪৭) নামে একজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের পাথরদহ ও দোয়ারপাল এলাকার মধ্যবর্তী পুনর্ভবা নদীতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নদীতে মাছ ধরার কাঁঠা দেওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে বাড়ি ফেরার পথেও মারামারির ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে। পাঁচ বছর ধরে মাছ ধরার দাবি এক পক্ষের আহতদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিষ্ণুপুর বটতলী গ্রামের মৃত শুকুর উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৫০), আতাবুর রহমান (৪৭), মাহিরুল ইসলাম (৩৫) এবং মহাবুল ইসলামের ছেলে মাহিরুল ইসলাম (২৮) দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে পুনর্ভবা নদীর পাথরদহ এলাকায় মাছ ধরার জন্য কাঁঠা দিয়ে আসছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে নদীতে কাঁঠা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছেন আহতদের পরিবারের সদস্যরা। রফিকুল ইসলামের পরিবারের দাবি, নিতপুর ইউনিয়নের দোয়ারপাল গ্রামের মাইনুল ইসলাম, আশাদুরসহ ১৫ থেকে ২০ জন তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করেন। এতে কয়েকজন আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। সেখানে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে আতাবুর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আরিফ হোসেন তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। ১৫ বছর ধরে মাছ ধরার দাবি অপর পক্ষের অন্যদিকে, দোয়ারপাল গ্রামের মৃত ইসাহাক আলীর ছেলে মাইনুল ইসলাম (৫৫) অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁদের পক্ষের লোকজন দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ওই পাথরদহ এলাকায় কাঁঠা দিয়ে মাছ শিকার করে আসছেন। তিনি দাবি করেন, বৃহস্পতিবার প্রতিপক্ষের লোকজন জোরপূর্বক সেখানে কাঁঠা দিতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে তাঁদের পক্ষেরও পাঁচ থেকে ছয়জন আহত হয়েছেন। তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন বলে জানান তিনি। পুলিশের বক্তব্য এ বিষয়ে পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, পুনর্ভবা নদীতে মাছ ধরার কাঁঠা দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি। তিনি আরও জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।
8
মো মোস্তাকিম বিল্লাহ
পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধি
নওগাঁর পোরশায় পুনর্ভবা নদীতে মাছ ধরার জন্য কাঁঠা দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১০ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে আতাবুর রহমান (৪৭) নামে একজনের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) দুপুরে উপজেলার নিতপুর ইউনিয়নের পাথরদহ ও দোয়ারপাল এলাকার মধ্যবর্তী পুনর্ভবা নদীতে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নদীতে মাছ ধরার কাঁঠা দেওয়া নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। পরে বাড়ি ফেরার পথেও মারামারির ঘটনা ঘটে বলে জানা গেছে।
পাঁচ বছর ধরে মাছ ধরার দাবি এক পক্ষের
আহতদের পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিষ্ণুপুর বটতলী গ্রামের মৃত শুকুর উদ্দিন মণ্ডলের ছেলে রফিকুল ইসলাম (৫০), আতাবুর রহমান (৪৭), মাহিরুল ইসলাম (৩৫) এবং মহাবুল ইসলামের ছেলে মাহিরুল ইসলাম (২৮) দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে পুনর্ভবা নদীর পাথরদহ এলাকায় মাছ ধরার জন্য কাঁঠা দিয়ে আসছেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে নদীতে কাঁঠা দিয়ে বাড়ি ফেরার পথে প্রতিপক্ষের লোকজন তাঁদের ওপর হামলা চালায় বলে অভিযোগ করেছেন আহতদের পরিবারের সদস্যরা।
রফিকুল ইসলামের পরিবারের দাবি, নিতপুর ইউনিয়নের দোয়ারপাল গ্রামের মাইনুল ইসলাম, আশাদুরসহ ১৫ থেকে ২০ জন তাঁদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়ে মারধর করেন। এতে কয়েকজন আহত হয়ে মাটিতে পড়ে যান। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
সেখানে আহতদের চিকিৎসা দেওয়া হয়। একপর্যায়ে আতাবুর রহমানের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. আরিফ হোসেন তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠান।
১৫ বছর ধরে মাছ ধরার দাবি অপর পক্ষের
অন্যদিকে, দোয়ারপাল গ্রামের মৃত ইসাহাক আলীর ছেলে মাইনুল ইসলাম (৫৫) অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তাঁদের পক্ষের লোকজন দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে ওই পাথরদহ এলাকায় কাঁঠা দিয়ে মাছ শিকার করে আসছেন।
তিনি দাবি করেন, বৃহস্পতিবার প্রতিপক্ষের লোকজন জোরপূর্বক সেখানে কাঁঠা দিতে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে তাঁদের পক্ষেরও পাঁচ থেকে ছয়জন আহত হয়েছেন। তাঁরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন বলে জানান তিনি।
পুলিশের বক্তব্য
এ বিষয়ে পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, পুনর্ভবা নদীতে মাছ ধরার কাঁঠা দেওয়া নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পাওয়া গেছে। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো পক্ষ থানায় লিখিত অভিযোগ দেয়নি।
তিনি আরও জানান, অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখতে পুলিশ তৎপর রয়েছে।