দোহাজারী পৌরসভাকে উপজেলা ঘোষণার দাবিতে মহাসড়কে মানববন্ধন ও ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করা হয়েছে
চট্টগ্রাম বিশেষ প্রতিনিধি: নয়ন দাশ
Update Time :
শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২৬
৭
Time View
দোহাজারী পৌরসভাকে উপজেলা ঘোষণার দাবিতে মহাসড়কে মানববন্ধন ও ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করা হয়েছে
চট্টগ্রাম বিশেষ প্রতিনিধি: নয়ন দাশ দক্ষিণ চট্টগ্রামের বৃহত্তর দোহাজারীকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ঘোষণার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে বৃহত্তর দোহাজারীর সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে আয়োজিত বিশাল মানববন্ধনে হাজারো মানুষ অংশ নেন। এই সময় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে প্রায় তিন ঘণ্টা অবরোধ থাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। মানববন্ধন থেকে দাবি আদায়ে মশাল মিছিল, বিক্ষোভ, অবস্থান, সড়ক-রেলপথ অবরোধ ও আমরণ অনশনসহ ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব বিবেচনায় দোহাজারী অনেক আগেই উপজেলা হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। কিন্তু দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা ও অবহেলার কারণে এই অঞ্চলের মানুষ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও প্রশাসনিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। আন্দোলনকারীরা জানান, নিকার অনুমোদিত ‘দোহাজারী সাঙ্গু’ উপজেলা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে। দাবি পূরণ না হলে পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ও দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ অবরোধের পাশাপাশি আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা মানববন্ধনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন। উপজেলা গঠন নিয়ে নতুন বিতর্ক স্থানীয়দের দাবি, ২০১৮ সালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানি ও তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে ‘দোহাজারী সাঙ্গু’ নামে নতুন থানা গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে দীর্ঘদিনেও প্রস্তাবিত থানা/উপজেলা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। এদিকে, আন্দোলনকারীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা একটি চিঠিতে দোহাজারী পৌরসভা ও ধোপাছড়ি ইউনিয়নকে বাদ দিয়ে সাতকানিয়া উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন নিয়ে পৃথক উপজেলা গঠনের প্রস্তাবে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের সুপারিশ চাওয়া হয়। এ উদ্যোগকে পূর্ববর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশার পরিপন্থী বলে দাবি করছেন তাঁরা। আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পূর্ববর্তী সম্মতি ও নির্দেশনা অনুযায়ী দোহাজারী পৌরসভা ও ধোপাছড়িকে অন্তর্ভুক্ত করে ‘দোহাজারী সাঙ্গু’ উপজেলা বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় বৈষম্য দূরীকরণ ও প্রশাসনিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। দোহাজারীকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ঘোষণার দাবি এখন স্থানীয় জনসাধারণের ঐক্যবদ্ধ দাবিতে পরিণত হয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে এ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।
10
চট্টগ্রাম বিশেষ প্রতিনিধি: নয়ন দাশ
দক্ষিণ চট্টগ্রামের বৃহত্তর দোহাজারীকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ঘোষণার দাবিতে উত্তাল হয়ে উঠেছে রাজপথ। শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেলে বৃহত্তর দোহাজারীর সর্বস্তরের জনসাধারণের ব্যানারে আয়োজিত বিশাল মানববন্ধনে হাজারো মানুষ অংশ নেন। এই সময় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে প্রায় তিন ঘণ্টা অবরোধ থাকায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। মানববন্ধন থেকে দাবি আদায়ে মশাল মিছিল, বিক্ষোভ, অবস্থান, সড়ক-রেলপথ অবরোধ ও আমরণ অনশনসহ ধারাবাহিক কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, ভৌগোলিক অবস্থান, জনসংখ্যা ও বাণিজ্যিক গুরুত্ব বিবেচনায় দোহাজারী অনেক আগেই উপজেলা হওয়ার যোগ্যতা অর্জন করেছে। কিন্তু দীর্ঘদিনের প্রশাসনিক জটিলতা ও অবহেলার কারণে এই অঞ্চলের মানুষ কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন ও প্রশাসনিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
আন্দোলনকারীরা জানান, নিকার অনুমোদিত ‘দোহাজারী সাঙ্গু’ উপজেলা বাস্তবায়ন না হওয়া পর্যন্ত তাঁদের আন্দোলন চলবে। দাবি পূরণ না হলে পর্যায়ক্রমে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক ও দোহাজারী-কক্সবাজার রেলপথ অবরোধের পাশাপাশি আমরণ অনশন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তাঁরা মানববন্ধনে শিক্ষক, শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, পেশাজীবী, সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মীসহ সর্বস্তরের মানুষ ব্যানার-ফেস্টুন নিয়ে অংশ নেন। উপজেলা গঠন নিয়ে নতুন বিতর্ক স্থানীয়দের দাবি, ২০১৮ সালে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের গণশুনানি ও তদন্ত প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতে ‘দোহাজারী সাঙ্গু’ নামে নতুন থানা গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। তবে দীর্ঘদিনেও প্রস্তাবিত থানা/উপজেলা বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। এদিকে, আন্দোলনকারীদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জারি করা একটি চিঠিতে দোহাজারী পৌরসভা ও ধোপাছড়ি ইউনিয়নকে বাদ দিয়ে সাতকানিয়া উপজেলার ছয়টি ইউনিয়ন নিয়ে পৃথক উপজেলা গঠনের প্রস্তাবে সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় কমিশনারের সুপারিশ চাওয়া হয়। এ উদ্যোগকে পূর্ববর্তী প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত ও স্থানীয় জনগণের প্রত্যাশার পরিপন্থী বলে দাবি করছেন তাঁরা।
আন্দোলনকারীদের বক্তব্য, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পূর্ববর্তী সম্মতি ও নির্দেশনা অনুযায়ী দোহাজারী পৌরসভা ও ধোপাছড়িকে অন্তর্ভুক্ত করে ‘দোহাজারী সাঙ্গু’ উপজেলা বাস্তবায়ন করতে হবে। অন্যথায় বৈষম্য দূরীকরণ ও প্রশাসনিক অধিকার প্রতিষ্ঠার দাবিতে আন্দোলন আরও জোরদার করা হবে। দোহাজারীকে পূর্ণাঙ্গ উপজেলা ঘোষণার দাবি এখন স্থানীয় জনসাধারণের ঐক্যবদ্ধ দাবিতে পরিণত হয়েছে। দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নিয়ে এ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা পূরণে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন আন্দোলনকারীরা।