নিকলীতে চাঞ্চল্য ঘটনা থানা হাজতখানায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
Reporter Name
Update Time :
বৃহস্পতিবার, ৯ জুলাই, ২০২৬
৩৩
Time View
নিকলীতে চাঞ্চল্য ঘটনা থানা হাজতখানায় যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
মাহিন আহমেদ কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি: কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় গ্রেপ্তারের অল্প সময়ের মধ্যেই থানার হাজতখানায় এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত যুবকের নাম রুবেল মিয়া (২২)। তিনি উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা বলে জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল প্রায় ১০টার দিকে নিকলী থানা হাজতখানা থেকে রুবেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয়দের মধ্যেও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে রুবেলের বিরুদ্ধে তার বাবা একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করে নিকলী থানায় নিয়ে আসা হয়। গ্রেপ্তারের প্রায় এক ঘণ্টা পর থানার হাজতখানার ভেতরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা। পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা হাসপাতালে এবং থানায় ছুটে আসেন। তাদের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে। ঘটনার পরপরই পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জের সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে তদন্তসংশ্লিষ্টরা। এদিকে থানা হাজতখানায় একজন আসামির মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। পরিবারের সদস্যরাও মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন। এ বিষয়ে নিকলী থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হাজতখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা, দায়িত্বরত সদস্যদের দায়িত্ব পালন এবং ঘটনার সময়কার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তারা জানান। পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক বিবেচনায় নিয়ে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের পাশাপাশি উদ্বেগও বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে থানা হাজতখানার নিরাপত্তা ও তদারকি আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে এসেছে।
59
মাহিন আহমেদ
কিশোরগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি:
কিশোরগঞ্জের নিকলী উপজেলায় গ্রেপ্তারের অল্প সময়ের মধ্যেই থানার হাজতখানায় এক যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। নিহত যুবকের নাম রুবেল মিয়া (২২)। তিনি উপজেলার স্থানীয় বাসিন্দা বলে জানা গেছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) সকাল প্রায় ১০টার দিকে নিকলী থানা হাজতখানা থেকে রুবেলের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরিবারের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয়দের মধ্যেও নানা প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। ঘটনার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে রুবেলের বিরুদ্ধে তার বাবা একটি মামলা দায়ের করেন। সেই মামলার ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে গ্রেপ্তার করে নিকলী থানায় নিয়ে আসা হয়। গ্রেপ্তারের প্রায় এক ঘণ্টা পর থানার হাজতখানার ভেতরে তাকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা।
পরে দ্রুত তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়া হলে চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর মৃত ঘোষণা করেন। খবর পেয়ে নিহতের স্বজনরা হাসপাতালে এবং থানায় ছুটে আসেন। তাদের কান্নায় পরিবেশ ভারী হয়ে ওঠে।
ঘটনার পরপরই পুলিশ মরদেহের সুরতহাল প্রস্তুত করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জের সংশ্লিষ্ট হাসপাতালের মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি নেয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে বলে জানিয়েছে তদন্তসংশ্লিষ্টরা।
এদিকে থানা হাজতখানায় একজন আসামির মৃত্যুর ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে নানা আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। পরিবারের সদস্যরাও মৃত্যুর প্রকৃত রহস্য উদঘাটনের আহ্বান জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে নিকলী থানার দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করা হলেও বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে। হাজতখানার নিরাপত্তা ব্যবস্থা, দায়িত্বরত সদস্যদের দায়িত্ব পালন এবং ঘটনার সময়কার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তে কোনো ধরনের গাফিলতি বা অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও তারা জানান।
পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনার সব দিক বিবেচনায় নিয়ে আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হচ্ছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট এবং তদন্তের ফলাফলের ভিত্তিতেই মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানা যাবে।
এ ঘটনায় এলাকায় শোকের পাশাপাশি উদ্বেগও বিরাজ করছে। স্থানীয়রা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সম্পন্ন করে প্রকৃত তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে থানা হাজতখানার নিরাপত্তা ও তদারকি আরও জোরদারের প্রয়োজনীয়তার কথাও উঠে এসেছে।