সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি। সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্রপাতে পৃথক ঘটনায় চার উপজেলায় অন্তত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৬ জন। একই সঙ্গে বজ্রপাতে দুটি গাভীরও মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) দুপুরের দিকে এসব ঘটনা ঘটে। ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের টগার হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে মো. হাবিবুর রহমান (২২) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। তিনি বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং বড়ইহাটি গ্রামের বজলু রহমানের ছেলে। একই ঘটনায় চকিয়াচাপুর গ্রামের আব্দুল কাইয়ুম (২৫) ও অমর হোসেন (২০) আহত হন। অপরদিকে, একই উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর ইসলামপুর গ্রামে দুপুর একটার দিকে বজ্রপাতে জয়নাল হক (৩৫), তার ছেলে রহমত উল্লাহ এবং শিখা মনি (২৫) গুরুতর আহত হন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক রহমত উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত জয়নাল হক ও শিখা মনিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। জামালগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের চানপুর গজারিয়া হাঁটি গ্রামে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে মো. নুর জামাল (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয় এবং তোফাজ্জল হোসেন (২২) আহত হন। আহতকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জামালগঞ্জ থানার ওসি বন্দে আলী সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। এদিকে, একই উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের চান্দবাড়ি গ্রামে বজ্রপাতে স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল মিয়া ও রুকুল মিয়ার মালিকানাধীন দুটি গাভীর মৃত্যু হয়েছে। তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওরে বজ্রপাতে আবুল কালাম (৩২) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি গাজিপুর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন মোঃ আমিনুল ইসলাম ডিপজল (২৫), যাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে থানার ওসি আমিনুল ইসলাম ঘটনা নিশ্চিত করেছেন। এদিকে। দিরাই উপজেলার কালিয়াগোটার (আতরার) হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে লিটন মিয়া (৩৮) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি পেরুয়া আশনাবাজ গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. প্রশান্ত দাস তালুকদার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। হাওরাঞ্চলে ধান কাটার মৌসুমে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিসহ বজ্রপাতের ঝুঁকি বাড়ায় কৃষকসহ সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। খোলা মাঠে কাজের সময় বজ্রপাত শুরু হলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
64
সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি।
সুনামগঞ্জের হাওরাঞ্চলে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্রপাতে পৃথক ঘটনায় চার উপজেলায় অন্তত ৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছেন অন্তত ৬ জন। একই সঙ্গে বজ্রপাতে দুটি গাভীরও মৃত্যু হয়েছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬)
দুপুরের দিকে এসব ঘটনা ঘটে।
ধর্মপাশা উপজেলার পাইকুরাটি ইউনিয়নের টগার হাওরে ধান কাটতে গিয়ে বজ্রপাতে মো. হাবিবুর রহমান (২২) নামে এক কলেজ শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়। তিনি বাদশাগঞ্জ ডিগ্রি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী এবং বড়ইহাটি গ্রামের বজলু রহমানের ছেলে। একই ঘটনায় চকিয়াচাপুর গ্রামের আব্দুল কাইয়ুম (২৫) ও অমর হোসেন (২০) আহত হন।
অপরদিকে, একই উপজেলার জয়শ্রী ইউনিয়নের সরস্বতিপুর ইসলামপুর গ্রামে দুপুর একটার দিকে বজ্রপাতে জয়নাল হক (৩৫), তার ছেলে রহমত উল্লাহ এবং শিখা মনি (২৫) গুরুতর আহত হন। পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে চিকিৎসক রহমত উল্লাহকে মৃত ঘোষণা করেন। আহত জয়নাল হক ও শিখা মনিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
জামালগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের চানপুর গজারিয়া হাঁটি গ্রামে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে মো. নুর জামাল (২৬) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয় এবং তোফাজ্জল হোসেন (২২) আহত হন। আহতকে সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় জামালগঞ্জ থানার ওসি বন্দে আলী সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে, একই উপজেলার ভীমখালী ইউনিয়নের চান্দবাড়ি গ্রামে বজ্রপাতে স্থানীয় বাসিন্দা বাবুল মিয়া ও রুকুল মিয়ার মালিকানাধীন দুটি গাভীর মৃত্যু হয়েছে।
তাহিরপুর উপজেলার মাটিয়ান হাওরে বজ্রপাতে আবুল কালাম (৩২) নামে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। তিনি গাজিপুর গ্রামের বাসিন্দা। এ ঘটনায় গুরুতর আহত হন মোঃ আমিনুল ইসলাম ডিপজল (২৫), যাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ বিষয়ে থানার ওসি আমিনুল ইসলাম ঘটনা নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে। দিরাই উপজেলার কালিয়াগোটার (আতরার) হাওরে ধান কাটার সময় বজ্রপাতে লিটন মিয়া (৩৮) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি পেরুয়া আশনাবাজ গ্রামের বাসিন্দা। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। দিরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. প্রশান্ত দাস তালুকদার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
হাওরাঞ্চলে ধান কাটার মৌসুমে হঠাৎ ঝড়-বৃষ্টিসহ বজ্রপাতের ঝুঁকি বাড়ায় কৃষকসহ সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন। খোলা মাঠে কাজের সময় বজ্রপাত শুরু হলে দ্রুত নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।