1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
ফরিদগঞ্জের নবাগত ইউএনওর সঙ্গে স্বপ্ন ছায়া সামাজিক সংগঠনের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিএমপিতে রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র (অনূর্ধ্ব-১৮) ক্রিকেট লীগ ২০২৬-এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম (সিএমপি) পুরাতন গির্জার পাশে কাজলের নেতৃত্বে অবৈধ রিগ্যাল হোটেল ও পূর্বী হোটেলে চলছে অবৈধ দেহ ব্যবসা পীরগঞ্জে লাচ্ছি নদীর নাব্যতা দেখে ড্রেনের দেঁতো হাসি! নবীনগরে গাছের চারা লাগানো নিয়ে বিরোধ, বাক্‌প্রতিবন্ধী নারীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ সিএমপি’র ডিবি (উত্তর) বিভাগের অভিযানে ২৮,৮০০ (আটাশ হাজার আটশত) পিচ ইয়াবাসহ ০১ (এক) জন মাদক কারবারি গ্রেফতার* শ্যামনগরে পরিবারে আয় বৃদ্ধি করতে হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সিএমপি কমিশনারের ‘ওপেন হাউজ ডে’-তে সেবা নিলেন সেবাপ্রত্যাশীরা প্যারিস খাল বাঁচাতে মাঠে নামল তরুণরা: ফুটস্টেপসের সঙ্গে তিন দিনের “চলো খাল বাঁচাই” অভিযানে গো আপ ফাউন্ডেশন। সুন্দরবনে পৃথক অভিযানে ২ নৌকাসহ ৭ জেলে আটক পরিতোষ কুমার বৈদ্য

বড়ইতলি বিটের গর্জন বাগান রক্ষায় কাজ করে যাচ্ছেন বিট কর্মকর্তা আনোয়ার

Reporter Name
  • Update Time : বুধবার, ৬ মে, ২০২৬
  • ৭৮ Time View
84

কামরুল ০১৮৮৩০৮৮০৮৪
চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার চুনতি রেঞ্জের আওতাধীন বড়ইতলি বিট কর্মকর্তা আনোয়ার বলেন ৫০ বছরের পুরনো গর্জন বাগান গাছ প্রেমিকদের নতুন স্পট। এই গর্জন বাগান দেখার জন্য দেশি-বিদেশি গাছপ্রেমিকরা আসেন বলে জানিয়েছেন চুনতি রেঞ্জের বড়ইতলি বিট কর্মকর্তা আনোয়ার।
তিনি বলেন, চুনতি রেঞ্জের আওতায় গর্জন বাগানটি ৫০ বছরের পুরনো একটি বাগান। কক্সবাজার দক্ষিণ অঞ্চলে শুধুমাত্র বড়ইতলি বিটের সৌন্দর্যের লীলাভূমি এই গর্জন বাগানটি । এই বাগানটি পর্যটকদের কাছে অতন্ত্য প্রিয় এবং বিনোদন ও গবেষণার জন্য রয়েছে অফুরন্ত ব্যবস্থা। বাগানের ভেতর সারি সারি ভাবে দাড়িয়ে আছে গর্জন
গাছগুলো। বাগানের ভেতর দিয়ে পাহাড়ের ওপরে উঠলে দেখা যায় বিশাল এই বাগান। বাগানটি দেখতে বর্তমানে ছুটে আসেন প্রচুর সংখ্যক গাছ প্রেমিক। আরো জানা যায়, কক্সবাজার শহর থেকে চট্টগ্রাম অভিমুখি হাইওয়ে সড়ক দিয়ে ৫৫ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব পাশে মাথা উঁচু করে সারি সারি দাঁড়িয়ে আছে গর্জন বাগান। যার এক একটির বয়স ৫০ বছর পেরিয়ে গেছে। এর আয়তন ১০৫৪এখর হেক্টর। এই বাগানে রয়েছে শত শত গর্জন গাছ । গাছগুলোর দৈর্ঘ্য ৭০ থেকে ৮০ ফুট এবং প্রস্থ ১০ থেকে ১২ ফুট হবে।
এছাড়াও বাগানে রয়েছে হাতি, রেসাস বানর, শুক রাকার ভোঁদর, নীলদাড়ি সুইচোরা, বড় কাঠ কুড়ালি, কাকড়াভুক, বানর, হরিণ জীববৈচিত্র্য সহ ১৩ প্রজাতির উভচর প্রাণী, ৫৬ প্রজাতির সরিসৃপ, প্রায় ২৬০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী পাখি ও ৫৫ প্রজাতির প্রাণী।
বাগানটি গাছ প্রেমিকদের আরও আকৃষ্ট করে তুলতে নিরাপত্তাসহ গাছ প্রেমিকদের বিশ্রামের জন্য একটি মনমুগ্ধ কর এই বাগান। অনেকে আবার এই বাগানকে সুন্দরজের রানী বলেও অবিহিত করেন।
পরেষ্ট গার্ডরা বলেন, গর্জন বাগানসহ পাহাড়ি এলাকা দেখতে দেশি-বিদেশি গাছ প্রেমিকরা এখানে আসেন। এই গর্জন বাগানের ভেতর প্রবেশ করলে বিভিন্ন প্রজাতির পাখির আওয়াজসহ বন্য প্রাণী দেখা যায়। ফলে গাছ প্রেমিকদের কাছে এটি সুন্দর ও দৃষ্টিনন্দন হয়ে উঠেছে। তবে ইদানীং পাহাড়ের ভেতরে গাছ প্রেমিকদের নিরাপত্তা ও বন সম্পদ রক্ষা করতে বড়ইতলি বিট কর্মকর্তা আনোয়ার ও উনার নেতৃত্বে দুই জন পরেষ্ট গার্ড রাতদিন কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।
স্থানীয় জনসাধারণ বলেন, ৫০ বছরের পুরনো এই গর্জন বাগানটি রক্ষায় ও বিভিন্ন গাছ প্রেমিকদের নিরাপত্তা দিয়ে যাচ্ছেন তারা। বাগানটি রক্ষা করার জন্য বন-বিভাগের লোকজনদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছেন স্থানীয় জনসাধারণ। বর্তমানে এই অঞ্চলে বেড়াতে আসা গাছপ্রেমিকদের চোখে পড়ার মত এই গর্জন বাগান বললেই চলে। যখন কাঠ চোরাকারবারিরা এই গর্জন বাগান কাটার জন্য এবং প্রেমিকদের নিরাপত্তা দেওয়ার জন্য বিট কর্মকর্তা আনোয়ার ও দুই সাহসী পরেষ্ট গার্ডদের পাশাপাশি স্থানীয়রা মিলে গর্জন বাগানটি রক্ষায় এবং গাছ প্রেমিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এগিয়ে আসছেন। তাই আজও বাগানটি পাহারা দিয়ে যাচ্ছেন । এই গর্জন বাগান দেখার জন্য আসেন দেশি-বিদেশি গাছ প্রেমিকরা।
বড়ইতলির স্থানীয় দেলোয়ার হোসেন বলেন, গাছ প্রেমিকদের কাছে আকর্ষণীয় ও প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য ভরা এই গর্জন বাগানের সৌন্দর্য মনকে আকৃষ্ট করে। বাগানটি রক্ষা করা সহ আগত গাছ প্রেমিকদের নিরাপদ ব্যবস্থার জন্য বিট কর্মকর্তা ও সদস্যদের কঠোর পরিশ্রম আসলে চোখে পড়ার মত এবং প্রসংসনীয়।যাতে গাছ প্রেমিকদের নিরাপদে ভ্রমণে আসার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পারেন।
কক্সবাজার দক্ষিণ বনবিভাগের চুনতি রেঞ্জের বড়ইতলি বিট কর্মকর্তা আনোয়ার আরো বলেন, বড়ইতলিতে যেই গর্জন বাগানটা আছে এটি একটি ঐতিহ্যবাহী বাগান। বাগানটি প্রায় ৫০ বছরের পুরনো। এই বাগানকে ঘিরে এখানে একটা ছোট পার্ক নিয়ে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলা সম্ভব। দেশি বিদেশি গাছ প্রেমিকদের এই বাগানে বেড়াতে আশেন। এই বাগানকে পরিপূর্ণ একটি পর্যটন স্পট করার পরিকল্পনা নেওয়ার জন্য বন ও পরিবেশমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন স্থানীয় জনসাধারণ। এই বাগানের ইতিহাস ও ঐতিহ্য গাছপ্রেমিকদের কাছে তুলে ধরতে আমরা আরও পদক্ষেপ নিচ্ছি বললেন বড়ইতলি বিট কর্মকর্তা। গাছ প্রেমিকদের নিরাপত্তার জন্য বন-বিভাগের সদস্যদের পাশাপাশি স্থানীয় জনসাধারণ ও রয়েছে।
এই পুরাতন গর্জন গাছ গুলো কাটার জন্য ষড়যন্ত্র শুরু করেছে কিছু শক্তিশালী ষড়যন্ত্রকারীরা কিন্তু আমার কথা হচ্ছে আমি আনোয়ার যতক্ষণ এই বড়ইতলি বিটের দ্বায়িত্বে আছি কোন ষড়যন্ত্রকারীরা গর্জন বাগানে হাত দিতে পারবেন না বাগানটি রক্ষা করতে আমর পাশে এগিয়ে এসেছে স্থানীয় জনসাধারণ। তাই আজও বাগানটি পাহারা দিয়ে যাচ্ছি। এই গর্জন বাগান দেখার জন্য আসেন দেশি-বিদেশি গাছপ্রেমিকরা। যা বললেন
বড়ইতলির স্থানীয় আমির হোসেন নামের এক গাছ প্রেমিক। তিনি বলেন, গাছ প্রেমিকদের কাছে আকর্ষণীয় ও প্রকৃতির অপরূপ সৌন্দর্য ভরা এই গর্জন বাগানের সৌন্দর্য মনকে আকৃষ্ট করে। বাগানটি রক্ষা করা সহ আগত গাছপ্রেমিদের নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করতে দিনরাত কঠোর পরিশ্রম করে যাচ্ছেন বিট কর্মকর্তা আনোয়ার ও দুই পরেষ্ট গার্ড যাতে গাছ প্রেমিকরা নিরাপদে ভ্রমণ করতে পারেন।
বড়ইতলি বিটে যেই গর্জন বাগান আছে এটি একটি ঐতিহ্যবাহী বাগান। বাগানটি প্রায় ৫০ বছরের পুরনো। এই বাগানকে ঘিরে এখানে একটা ছোট পার্ক নিয়ে পর্যটন কেন্দ্র গড়ে উঠতে পারে। দেশি বিদেশি গাছ প্রেমিকরা এই বাগানে বেড়াতে আসেন। এই বাগানকে পরিপূর্ণ একটি পর্যটন স্পট করার পরিকল্পনা নিতে পারেন সরকার। এই বাগানের ইতিহাস ও ঐতিহ্য গাছ প্রেমিকদের কাছে তুলে ধরতে আমরা আরও পদক্ষেপ নিচ্ছি। গাছ প্রেমিকদের নিরাপত্তার জন্য বন বিভাগের সদস্যদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন বড়ইতলি বিটের বিট কর্মকর্তা আনোয়ার।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026