
মোহাম্মদ হানিফ ফেনী জেলা।
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তাকারী সংস্থার নেতৃবৃন্দের শুভেচ্ছা ও ষড়যন্ত্রকারীদের বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি
ফেনী জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন; নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তাকারী সংস্থার সম্মানিত চেয়ারম্যান হাসান মাহমুদ দীর্ঘদিন কারাভোগের পর আদালতের প্রক্রিয়ায় মুক্ত হয়ে পুনরায় সংগঠনের কার্যক্রমে ফিরে আসায় সংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।
সংগঠনের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে সম্মানিত চেয়ারম্যানকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করেছে। তাদের অভিযোগ, ওই মামলার ভিত্তিতে পুলিশ তাঁকে গ্রেপ্তার করে এবং তিনি দীর্ঘদিন কারাগারে ছিলেন। পরবর্তীতে বিচারিক প্রক্রিয়ায় মামলা মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় তিনি মুক্তি লাভ করেন এবং আবারও সংগঠনের নেতাকর্মীদের মাঝে ফিরে আসেন।
চেয়ারম্যানের প্রত্যাবর্তনে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তাকারী সংস্থার কেন্দ্রীয় পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক আবুল কাশেম এবং কেন্দ্রীয় পরিষদের সহকারী যুগ্ম মহাসচিব ও ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক মোহাম্মদ হানিফ (সাংবাদিক) পৃথক শুভেচ্ছা বার্তা প্রদান করেন।
আবুল কাশেমের বক্তব্য
সংগঠনের কেন্দ্রীয় পরিষদের সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক আবুল কাশেম বলেন,
“আমাদের সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব হাসান মাহমুদ স্যারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছিল, তা আদালতের প্রক্রিয়ায় সত্য প্রমাণিত হয়নি এবং তিনি মুক্ত হয়ে আমাদের মাঝে ফিরে এসেছেন। এটি সত্য ও ন্যায়ের বিজয়ের প্রতীক। আমরা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে আরও সফলতা কামনা করছি। একই সঙ্গে যারা ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে তাঁকে হয়রানির চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ তদন্তের মাধ্যমে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানাই।”
মোহাম্মদ হানিফ (সাংবাদিক)-এর বক্তব্য
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তাকারী সংস্থার কেন্দ্রীয় পরিষদের সহকারী যুগ্ম মহাসচিব ও ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক মোহাম্মদ হানিফ (সাংবাদিক) বলেন,
“জনাব হাসান মাহমুদ স্যারের মুক্তি আমাদের জন্য অত্যন্ত আনন্দের সংবাদ। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মানবাধিকার প্রতিষ্ঠা ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করে আসছেন। তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের বিষয়ে আদালতের প্রক্রিয়া শেষে তিনি মুক্ত হয়ে সংগঠনের দায়িত্বে ফিরে আসায় আমরা আন্তরিকভাবে তাঁকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই। আমরা আশা করি, ভবিষ্যতেও তিনি ন্যায়, মানবতা ও মানবাধিকার রক্ষার আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়ে যাবেন।”
তিনি আরও বলেন,
“যারা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মিথ্যা অভিযোগ এনে একজন মানবাধিকারকর্মীর সম্মান ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ রয়েছে, তাদের বিষয়ে নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত। তদন্তে কেউ দোষী প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক—এটাই আমাদের প্রত্যাশা।”
ফেনী জেলার পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তাকারী সংস্থার ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিষদের পক্ষ থেকে সম্মানিত চেয়ারম্যান জনাব হাসান মাহমুদকে আন্তরিক শুভেচ্ছা, অভিনন্দন ও ফুলেল অভ্যর্থনা জানানো হয়েছে। নেতৃবৃন্দ বলেন, তাঁর প্রত্যাবর্তনে সংগঠনের সকল পর্যায়ের নেতাকর্মী নতুন উদ্দীপনা ও অনুপ্রেরণা লাভ করবেন। তারা তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু এবং মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে আরও সফলতা কামনা করেন।
একই সঙ্গে ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিষদের পক্ষ থেকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানানো হয়, ঘটনাটির সকল দিক নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা হোক এবং তদন্তে যদি কোনো ব্যক্তি ষড়যন্ত্র বা মিথ্যা অভিযোগে জড়িত বলে প্রমাণিত হন, তবে তাদের বিরুদ্ধে প্রচলিত আইন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, ন্যায়বিচার, আইনের শাসন ও মানবাধিকারের প্রতি সম্মান অক্ষুণ্ন রাখতে ভবিষ্যতেও সকল মহল দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করবে এবং সত্য ও ন্যায় প্রতিষ্ঠার পথ আরও সুদৃঢ় হবে।