শারীরিক প্রতিবন্ধী কলেজছাত্রের তৈরি স্মার্ট কারে চড়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান:
Reporter Name
Update Time :
শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
৪৭
Time View
শারীরিক প্রতিবন্ধী কলেজছাত্রের তৈরি স্মার্ট কারে চড়ে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান:
আমজাদ হোসেন মিঠু জেলা প্রতিনিধি ০৯ মে ২০২৬, শনিবার অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর মেধার সমন্বয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করা কলেজছাত্র ওয়াকিমুল ইসলামের পাশে দাঁড়ালেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওয়াকিমুলের নিজস্ব উদ্ভাবন—একটি ‘বিশেষ স্মার্ট কার’ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সেটিতে চড়ে এই তরুণ উদ্ভাবককে উৎসাহিত করেন প্রধানমন্ত্রী। পাবনার চাটমোহর উপজেলার মেধাবী ছাত্র ওয়াকিমুল ইসলাম নিজের শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে হার মানিয়ে দীর্ঘ প্রচেষ্টায় তৈরি করেছেন একটি পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট কার। আজ প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে ওয়াকিমুল তার উদ্ভাবিত গাড়িটি নিয়ে তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উপস্থিত হন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাড়িটির বিভিন্ন প্রযুক্তিগত দিক সম্পর্কে ওয়াকিমুলের কাছ থেকে বিস্তারিত শোনেন। উদ্ভাবনী এই তরুণকে সাহস জোগাতে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়িটিতে চড়ে বসেন এবং কার্যালয় চত্বরে কিছু পথ ভ্রমণ করেন। স্মার্ট কারের বৈশিষ্ট্য: ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি এই বিশেষ গাড়িটিতে রয়েছে আধুনিক নানা সুবিধা: * এটি সম্পূর্ণ বিদ্যুৎচালিত এবং পরিবেশবান্ধব। গাড়িটিতে জিপিএস ট্র্যাকিং ও স্মার্ট সেন্সর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে। শারীরিক প্রতিবন্ধীদের কথা মাথায় রেখে এটিএমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়। গাড়িটি পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, "ওয়াকিমুল আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তার এই উদ্ভাবন প্রমাণ করে যে, সুযোগ ও সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আমাদের শারীরিক প্রতিবন্ধী ভাই-বোনেরাও দেশের সম্পদে পরিণত হতে পারে। তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এ ধরনের উদ্ভাবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ওয়াকিমুলের উচ্চশিক্ষা এবং তার উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এছাড়াও এ ধরনের খুদে উদ্ভাবকদের মেধা বিকাশে বিশেষ তহবিল গঠনের নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি। এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ওয়াকিমুলের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর এই আন্তরিকতায় আপ্লুত ওয়াকিমুল ভবিষ্যতে আরও উন্নত প্রযুক্তির যানবাহন তৈরির স্বপ্ন দেখছেন।
84
আমজাদ হোসেন মিঠু
জেলা প্রতিনিধি
০৯ মে ২০২৬, শনিবার
অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর মেধার সমন্বয়ে শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে জয় করা কলেজছাত্র ওয়াকিমুল ইসলামের পাশে দাঁড়ালেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ওয়াকিমুলের নিজস্ব উদ্ভাবন—একটি ‘বিশেষ স্মার্ট কার’ সরেজমিনে পরিদর্শন করেন এবং সেটিতে চড়ে এই তরুণ উদ্ভাবককে উৎসাহিত করেন প্রধানমন্ত্রী।
পাবনার চাটমোহর উপজেলার মেধাবী ছাত্র ওয়াকিমুল ইসলাম নিজের শারীরিক প্রতিবন্ধকতাকে হার মানিয়ে দীর্ঘ প্রচেষ্টায় তৈরি করেছেন একটি পরিবেশবান্ধব ও প্রযুক্তিনির্ভর স্মার্ট কার। আজ প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে ওয়াকিমুল তার উদ্ভাবিত গাড়িটি নিয়ে তেজগাঁওস্থ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে উপস্থিত হন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গাড়িটির বিভিন্ন প্রযুক্তিগত দিক সম্পর্কে ওয়াকিমুলের কাছ থেকে বিস্তারিত শোনেন। উদ্ভাবনী এই তরুণকে সাহস জোগাতে প্রধানমন্ত্রী নিজেই গাড়িটিতে চড়ে বসেন এবং কার্যালয় চত্বরে কিছু পথ ভ্রমণ করেন।
স্মার্ট কারের বৈশিষ্ট্য:
ওয়াকিমুল ইসলামের তৈরি এই বিশেষ গাড়িটিতে রয়েছে আধুনিক নানা সুবিধা:
* এটি সম্পূর্ণ বিদ্যুৎচালিত এবং পরিবেশবান্ধব।
গাড়িটিতে জিপিএস ট্র্যাকিং ও স্মার্ট সেন্সর প্রযুক্তি ব্যবহার করা হয়েছে।
শারীরিক প্রতিবন্ধীদের কথা মাথায় রেখে এটিএমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন খুব সহজেই নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
গাড়িটি পরিদর্শন শেষে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, “ওয়াকিমুল আমাদের দেশের তরুণ প্রজন্মের জন্য এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তার এই উদ্ভাবন প্রমাণ করে যে, সুযোগ ও সঠিক পৃষ্ঠপোষকতা পেলে আমাদের শারীরিক প্রতিবন্ধী ভাই-বোনেরাও দেশের সম্পদে পরিণত হতে পারে। তথ্যপ্রযুক্তি নির্ভর স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে এ ধরনের উদ্ভাবন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
প্রধানমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে ওয়াকিমুলের উচ্চশিক্ষা এবং তার উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে সরকারের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেন। এছাড়াও এ ধরনের খুদে উদ্ভাবকদের মেধা বিকাশে বিশেষ তহবিল গঠনের নির্দেশনা প্রদান করেন তিনি।
এই ব্যতিক্রমী উদ্যোগের সময় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এবং ওয়াকিমুলের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। প্রধানমন্ত্রীর এই আন্তরিকতায় আপ্লুত ওয়াকিমুল ভবিষ্যতে আরও উন্নত প্রযুক্তির যানবাহন তৈরির স্বপ্ন দেখছেন।