
নিজস্ব প্রতিবেদক মোহাম্মদ হানিফ ফেনী।
চট্টগ্রাম বিভাগের কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিরোধপূর্ণ জমির সীমানা নির্ধারণ, এলাকাবাসীর সন্তোষ প্রকাশ
চট্টগ্রাম বিভাগের একটি গুরুত্বপূর্ণ সম্পত্তি বিরোধের সমাধানে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার উদ্যোগে সীমানা নির্ধারণ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
স্থানীয় একাধিক পক্ষের অভিযোগের প্রেক্ষিতে সংস্থাটির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সরেজমিনে উপস্থিত হয়ে বিষয়টি নিষ্পত্তি করেন।
অভিযোগকারী পক্ষের মধ্যে ছিলেন তাজুল ইসলাম (পিতা: অলী আহমেদ)গং সাথে দ্বিতীয় পক্ষ মিজান (মাতা: ছেমনা খাতুন), রূপবান (পিতা: বজলুর রহমান), নুর নবী ও মাহবুব নবী (পিতা: অলি আহমেদ) সাথে তারা দীর্ঘদিন ধরে সম্পত্তির মালিকানা ও সীমানা নির্ধারণ নিয়ে বিরোধে জড়িয়ে ছিলেন।
বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধান না হওয়ায়
আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইন সহায়তা প্রদানকারী সংস্থার কাছে অভিযোগ দাখিল করেন।
অভিযোগের ভিত্তিতে সংস্থাটির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী পরিষদের যুগ্ম মহাসচিব ও চট্টগ্রাম বিভাগীয় পরিচালক জনাব আবুল কাশেম, সহকারী যুগ্ম মহাসচিব ও ফেনী জেলা আঞ্চলিক পরিচালক জনাব মোহাম্মদ হানিফ, ফেনী জেলা সহকারী তথ্য পরিচালক জনাব মোহাম্মদ ওসমান গনী ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। এছাড়াও সার্ভেয়ার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাষ্টার আবুল কাশেম।
এসময় স্থানীয় সমাজের সভাপতি জনাব সেফায়াত উল্ল্যাহসহ গন্যমান্য ব্যক্তি নুর করিম ও রবিউল হক উপস্থিত থেকে পুরো কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন। সংশ্লিষ্ট সকল পক্ষের বক্তব্য শুনে এবং প্রয়োজনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে জমির সঠিক সীমানা নির্ধারণ করা হয়।
সীমানা নির্ধারণ প্রক্রিয়াটি শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হওয়ায় এলাকাবাসী স্বস্তি প্রকাশ করেছেন। দীর্ঘদিনের বিরোধের অবসান হওয়ায় সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোও সন্তোষ জানিয়েছেন।
সংস্থার কর্মকর্তারা জানান, ভবিষ্যতে এ ধরনের বিরোধ এড়াতে সঠিক নথিপত্র সংরক্ষণ এবং পারস্পরিক সমঝোতার মাধ্যমে সমস্যা সমাধানের ওপর গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। তারা আরও বলেন, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংস্থাটি সবসময় জনগণের পাশে থাকবে।