1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
ভালুকা পৌরসভার বিভিন্ন পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন মেয়র পদপ্রার্থী আসাদুজ্জামান চৌধুরী মাসুদ পোরশায় ৬ জনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও প্রতারণার লিখিত অভিযোগ। পটিয়া বিদ্যুৎ স্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু। নগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করলেন সিএমপি কমিশনার* লাখ টাকায় বাবা পুত্র সন্তানকে বিক্রি করে দিল আমিনবাজারে ময়লার স্তূপের জায়গায় সবুজের সমারোহ, উদ্বোধন হলো ‘রূপান্তর’ প্রকল্প নওগাঁর পোরশায় রিং জাল বসানোকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ: মাথায় আঘাতেএক যুবকের মৃত্যু বেনাপোলে বাড়ি নির্মাণে ২০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি নিরাপত্তাহীন পরিবারের সংবাদ সম্মেলন সৌদিতে নজরুলের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের ছয় দিনেও অজানা কারণ, শোকে প্রাণ গেল ফুফুর মেঘনার ভয়াবহ ভাঙন, ঝুঁকিতে দড়ি লাপাংয়ের মানুষ,সরজমিনে এমপি মান্নান

তেঁতুলিয়ার তীব্র স্রোতে ভয়াবহ নদীভাঙন, নদীগর্ভে বিলীন আতঙ্কে স্থানীয়রা।

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।
  • Update Time : বুধবার, ৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৩৬ Time View
57

শ্রী মিশুক চন্দ্র ভুঁইয়া
পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি।

পটুয়াখালী জেলা দশমিনা উপজেলায় হঠাৎ বেড়িবাঁধ-সড়ক নদীতে বিলীন, আতঙ্কে নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছে স্থানীয়রা,পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার হাজিরহাট এলাকায় হঠাৎ করে বেড়িবাঁধ ও সড়কের বড় একটি অংশ ভেঙে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। বেড়িবাঁধ ভেঙে নদীর পানি লোকালয়ে ঢুকে পড়ার আশঙ্কায় ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দারা নিরাপদ আশ্রয়ে ছুটছেন।
বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় আকস্মিকভাবে এ ভাঙনের ঘটনা ঘটে। ভাঙনস্থলের আশপাশে বসবাসকারী মানুষজন আতঙ্কে প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ স্থানে সরে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।
ঘটনার খবর পেয়ে দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে যান দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহমুদ হাসান মৃধা। এ সময় থানা পুলিশ, নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত হন। তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নিতে কাজ করছেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সন্ধ্যার দিকে হঠাৎ করেই বেড়িবাঁধ ও সড়কের একটি অংশ নদীর দিকে ধসে পড়তে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই সড়কের বড় একটি অংশ নদীগর্ভে বিলীন হয়ে যায়। মুহূর্তের মধ্যে ভাঙনস্থলের আশপাশে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
স্থানীয়দের আশঙ্কা, বেড়িবাঁধের ভাঙন আরও বিস্তৃত হলে নদীর পানি বাধাহীনভাবে লোকালয়ে প্রবেশ করতে পারে। এতে হাজিরহাটসহ আশপাশের এলাকার বিপুলসংখ্যক পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ার পাশাপাশি বসতবাড়ি, ফসলি জমি, রাস্তাঘাট ও স্থানীয় যোগাযোগব্যবস্থা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
এদিকে ঘটনাস্থলে উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ, নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের সদস্যদের তৎপরতা দেখা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে সরিয়ে নেওয়ার পাশাপাশি পরিস্থিতি সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
দশমিনা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান মৃধা বলেন, “এটা একধরনের বিপর্যয়। হঠাৎ বেড়িবাঁধ ও সড়ক ভেঙে নদীতে বিলীন হওয়ায় চরম ঝুঁকি দেখা দিয়েছে। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানানো হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের একটি টিম দ্রুত এসে কার্যকর ব্যবস্থা নেবে।”
তিনি আরও বলেন, “স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার কাজ চলছে।”
এদিকে এলাকাবাসীর দাবি, পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হওয়ার আগেই জরুরি ভিত্তিতে ভাঙন রোধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে। বিশেষ করে নদীর পানি যাতে লোকালয়ে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য দ্রুত ভাঙনস্থলে প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ ঘটনায় হাজিরহাট ও আশপাশের এলাকায় নদীর পানি প্রবেশের আশঙ্কায় উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বিরাজ করছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026