মান্দায় কিডনি রোগে আক্রান্ত আলমের পাশে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান
Reporter Name
Update Time :
সোমবার, ২৩ মার্চ, ২০২৬
৭৯
Time View
মান্দায় কিডনি রোগে আক্রান্ত আলমের পাশে সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান
নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁর মান্দায় অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে না পারা কিডনি রোগে আক্রান্ত আলমের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. জামিলা আক্তার ফেন্সি। রোববার দুপুরে উপজেলার গণেশপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পারইল গ্রামে গিয়ে অসুস্থ আলমের হাতে ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন তিনি। আর্থিক সহায়তা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি এমদাদুল হক সুলতান, দপ্তর সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রকাশনা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক সোহাগ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ। অসুস্থ আলম (৪৮) দক্ষিণ পারইল গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে। পেশায় তিনি একজন প্রান্তিক কৃষক। বর্তমানে তার দুটি কিডনিই প্রায় অকেজো হওয়ার পথে। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া মাত্র ৩ শতক জমির ওপর একটি ছোট ঘরে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি। তার বড় ছেলে আরাফাতের বয়স ১৮ বছর এবং মাত্র ১০ মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে। সহায়তা প্রদান শেষে জামিলা আক্তার ফেন্সি বলেন, "আলম ভাই আমাদেরই প্রতিবেশী। তার চিকিৎসার খরচ জোগানো তার পরিবারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। আজ আমি আমার জায়গা থেকে সামান্য চেষ্টা করেছি। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে হয়তো আলম আবার সুস্থ জীবনে ফিরে আসতে পারবেন।" উল্লেখ্য, চিকিৎসার পেছনে ইতোমধ্যে আলমের সহায়-সম্বল শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন, যা জোগাড় করা তার পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।
79
নওগাঁ প্রতিনিধি:নওগাঁর মান্দায় অর্থাভাবে চিকিৎসা করাতে না পারা কিডনি রোগে আক্রান্ত আলমের পাশে দাঁড়িয়েছেন উপজেলা পরিষদের সাবেক মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোছা. জামিলা আক্তার ফেন্সি।
রোববার দুপুরে উপজেলার গণেশপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ পারইল গ্রামে গিয়ে অসুস্থ আলমের হাতে ব্যক্তিগত পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা তুলে দেন তিনি।
আর্থিক সহায়তা প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষকদলের সভাপতি এমদাদুল হক সুলতান, দপ্তর সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন, প্রকাশনা ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম বিষয়ক সম্পাদক সোহাগ হোসেনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
অসুস্থ আলম (৪৮) দক্ষিণ পারইল গ্রামের মৃত আমজাদ হোসেনের ছেলে। পেশায় তিনি একজন প্রান্তিক কৃষক। বর্তমানে তার দুটি কিডনিই প্রায় অকেজো হওয়ার পথে। পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া মাত্র ৩ শতক জমির ওপর একটি ছোট ঘরে স্ত্রী ও দুই সন্তান নিয়ে মানবেতর জীবনযাপন করছেন তিনি। তার বড় ছেলে আরাফাতের বয়স ১৮ বছর এবং মাত্র ১০ মাস বয়সী একটি কন্যাসন্তান রয়েছে।
সহায়তা প্রদান শেষে জামিলা আক্তার ফেন্সি বলেন, “আলম ভাই আমাদেরই প্রতিবেশী। তার চিকিৎসার খরচ জোগানো তার পরিবারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। আজ আমি আমার জায়গা থেকে সামান্য চেষ্টা করেছি। সমাজের বিত্তবানরা এগিয়ে এলে হয়তো আলম আবার সুস্থ জীবনে ফিরে আসতে পারবেন।”
উল্লেখ্য, চিকিৎসার পেছনে ইতোমধ্যে আলমের সহায়-সম্বল শেষ হয়ে গেছে। বর্তমানে উন্নত চিকিৎসার জন্য অনেক টাকার প্রয়োজন, যা জোগাড় করা তার পরিবারের পক্ষে অসম্ভব হয়ে দাঁড়িয়েছে।