
কামরুল০১৮৮৩০৮৮০৮৪
গতকাল রাত বারোটায় সময় দেখা যায় সমুদ্রে থেকে অবৈধ ভাবে ৪-৫ ঘন্টার মধ্যে মৎস্য আহারন কেন্দ্রে ৩০- ৩৫ টি ইলিশ মাছ ও অন্যান্য মাছ বোঝাই ট্রলার ও নৌকা নিয়ে যাচ্ছে। অথচ এই ইলিশ মাছ যেন অবৈধ পথে তুলতে না পারে সে জন্য ঘাটে ঘাটে রয়েছে লোকেল থানার পুলিশ , নৌ পুলিশ , কোষ্টগার্ড, অন্যান্য প্রশাসনের পাশাপাশি সাংবাদিক অথচ অথিব দুঃখের বিষয় দেখেন যাদের দেখার জন্য ঘাটে ঘাটে যাদের ইলিশ মাছ রক্ষা করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাদের সহযোগীতা নিয়ে মা ইলিশ লুট করে নেওয়া হচ্ছে অথচ দেখার সুযোগ হয়েছিল কেউ নাই যারা রক্ষক থারাই ভক্ষক হয়ে দেশের সর্বনাশ করছে!!?
মৎস্য মন্ত্রী এবং প্রতিমন্ত্রী ও অধিদপ্তর কে সেই আরো পাঁচ সাত দিন আগে থেকে সাগরে যাওয়া এবং যেতে সহায়তা করা মৎস্য কর্মকর্তা, নৌ পুলিশ ও কোষট গার্ড কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক প্রয়োজনীয় শাস্তি- দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের বিশেষ অনুরোধ জানাচ্ছে কেন্দ্রীয় মৎস্যজীবী দলের সভাপতি নাদিম চোধুরী।
রাত ১২ টায় মৎস শিকার শেষ,সকাল ৬ টায় চট্টগ্রামের বিভিন্ন মাছ বাজারে মৎস্য অবতরণ কেন্দ্র থেকে মাছ বিক্রি শরু!
বিভিন্ন তথ্য কেন্দ্রের থত্য মতে জানাযায় মা ইলিশ বোঝাই ট্রলারগুলো রাত ১২ টার পর পরই চট্টগ্রামের বিভিন্ন ঘাটে ভোঝাই কৃত বিভিন্ন শিপিং বোর্ড নোঙ্গর করেছে! এবং তা সকালে বিক্রয় করা হচ্ছে!
তথ্য মতে এই মুহূর্তে প্রায় ১০ থেকে ১৫ টি ট্রলিং ও ট্রলার মা ইলিশ বোঝাই বিক্রিয়ের অপেক্ষায় রয়েছে।
এভাবে সরকারি আইন ও নিষেধাজ্ঞার তোয়াক্কা না করে মা ইলিশ মাছ নিধন করলে আমাদের মৎস্য সম্পদ প্রজনন হবে কি করে?
সমুদ্র এখন মাছ চোরদের দখলে!!!
মৎস কর্মকর্তার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলতে চাই, এসমস্ত মাছ চেরদের জবাবদিহি করে, কঠর শাস্তির ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন।
মৎস্যজীবীদের ৬ ছয়টি সংগঠনের পক্ষ থেকে
নাদিম চৌধুরী , মুখ্য সমন্বয়ক ;