1. mdrouf834@gmail.com : দৈনিকবাংলাদেশপত্রিকা :
  2. bditwork247@gmail.com : Zahid Hassan : Zahid Hassan
Title :
ফরিদগঞ্জের নবাগত ইউএনওর সঙ্গে স্বপ্ন ছায়া সামাজিক সংগঠনের সৌজন্য সাক্ষাৎ সিএমপিতে রাফি স্মৃতি মহানগর জুনিয়র (অনূর্ধ্ব-১৮) ক্রিকেট লীগ ২০২৬-এর ফাইনাল খেলা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম (সিএমপি) পুরাতন গির্জার পাশে কাজলের নেতৃত্বে অবৈধ রিগ্যাল হোটেল ও পূর্বী হোটেলে চলছে অবৈধ দেহ ব্যবসা পীরগঞ্জে লাচ্ছি নদীর নাব্যতা দেখে ড্রেনের দেঁতো হাসি! নবীনগরে গাছের চারা লাগানো নিয়ে বিরোধ, বাক্‌প্রতিবন্ধী নারীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ সিএমপি’র ডিবি (উত্তর) বিভাগের অভিযানে ২৮,৮০০ (আটাশ হাজার আটশত) পিচ ইয়াবাসহ ০১ (এক) জন মাদক কারবারি গ্রেফতার* শ্যামনগরে পরিবারে আয় বৃদ্ধি করতে হাঁস-মুরগি পালন বিষয়ক প্রশিক্ষণ সিএমপি কমিশনারের ‘ওপেন হাউজ ডে’-তে সেবা নিলেন সেবাপ্রত্যাশীরা প্যারিস খাল বাঁচাতে মাঠে নামল তরুণরা: ফুটস্টেপসের সঙ্গে তিন দিনের “চলো খাল বাঁচাই” অভিযানে গো আপ ফাউন্ডেশন। সুন্দরবনে পৃথক অভিযানে ২ নৌকাসহ ৭ জেলে আটক পরিতোষ কুমার বৈদ্য

**কসবা হত্যাকাণ্ডে পরিকল্পিত অপপ্রচার: সাংবাদিকদের জড়িয়ে মিথ্যাচার—এ কি আইনের শাসনের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ?

জাহাঙ্গীর আলম ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
  • Update Time : শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২৬
  • ১০১ Time View
78

জাহাঙ্গীর আলম
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার শিমরাইল গ্রামে সংঘটিত নৃশংস হত্যাকাণ্ডে নিহত দ্বীন ইসলামের পিতা বাদী হয়ে কসবা থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৩০-৪০ জনের বিরুদ্ধে একটি গুরুতর ফৌজদারি মামলা দায়ের করেছেন। ঘটনাটি নিঃসন্দেহে দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্য একটি গভীর উদ্বেগজনক দৃষ্টান্ত এবং এর সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব।কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য, এই সংবেদনশীল ঘটনার সুযোগ নিয়ে একটি কুচক্রী ও স্বার্থান্বেষী মহল পরিকল্পিতভাবে অপপ্রচার চালাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং কিছু দায়িত্বজ্ঞানহীন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে তারা দুইজন পেশাদার সাংবাদিককে—যাদের মধ্যে একজন সম্পাদক এবং অপরজন একটি জাতীয় দৈনিকের কর্মরত সাংবাদিক—ইচ্ছাকৃতভাবে এই মামলার সঙ্গে জড়ানোর অপচেষ্টা করছে। শুধু তাই নয়, তাদেরকে প্রকাশ্যে “ভুয়া সাংবাদিক” আখ্যা দিয়ে তাদের পেশাগত সুনাম ধ্বংসের অপচেষ্টা চালানো হচ্ছে, যা শুধু অনৈতিকই নয়, স্পষ্টতই দণ্ডনীয় অপরাধ।
এটি সুস্পষ্ট যে, মামলার এজাহারে যাদের নাম নেই, তাদেরকে জোরপূর্বক ও ভিত্তিহীনভাবে আসামি বানানোর অপচেষ্টা একটি সুপরিকল্পিত ষড়যন্ত্র ছাড়া কিছুই নয়। এ ধরনের অপতৎপরতা বিচার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করার একটি নগ্ন প্রচেষ্টা, যা কোনোভাবেই সহ্য করা যায় না।
তদন্ত শেষ হওয়ার আগেই কাউকে অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা শুধু আইনের লঙ্ঘন নয়, বরং দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি চরম অবমাননা। যারা এ ধরনের মিথ্যা প্রচার চালাচ্ছে, তারা মূলত আইনের শাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে এবং জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে।আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর:বাংলাদেশ দণ্ডবিধি, ১৮৬০ এর ৪৯৯ ও ৫০০ ধারা অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তির সুনাম নষ্ট করার উদ্দেশ্যে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা স্পষ্ট মানহানি এবং এটি একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।
এছাড়া, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ২০১৮ এর ২৫ ধারা অনুযায়ী, অনলাইনে মিথ্যা, বিভ্রান্তিকর ও মানহানিকর তথ্য প্রচার দণ্ডনীয় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত।
একই আইনের ২৯ ধারা অনুযায়ী, অনলাইনে মানহানিকর তথ্য প্রকাশ করলে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।
অতএব, কোনো প্রকার প্রমাণ ছাড়া সাংবাদিকদের “ভুয়া” আখ্যা দেওয়া শুধু তাদের ব্যক্তিগত মর্যাদা ক্ষুণ্ন করে না; এটি পুরো সাংবাদিক সমাজের প্রতি একটি সুস্পষ্ট আঘাত। এ ধরনের কর্মকাণ্ড স্বাধীন সাংবাদিকতার পরিবেশকে ধ্বংস করার অপচেষ্টা এবং সত্য প্রকাশের পথ রুদ্ধ করার একটি নোংরা কৌশল।প্রশ্ন হলো—কার স্বার্থে এই অপপ্রচার?কারা প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতে নির্দোষ ব্যক্তিদের টার্গেট বানাচ্ছে?এদের উদ্দেশ্য কি তদন্তকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করা, নাকি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে সত্যকে আড়াল করা?
এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়; বরং এটি একটি সুপরিকল্পিত অপচক্রের ইঙ্গিত দেয়, যারা নিজেদের স্বার্থ হাসিলের জন্য আইন, নীতি এবং নৈতিকতাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখাতে দ্বিধা করে না।
অতএব, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি জোরালো আহ্বান—প্রকৃত অপরাধীদের দ্রুত চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক;নির্দোষ সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও হয়রানি অবিলম্বে বন্ধ করা হোক;যারা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করে মিথ্যা তথ্য ছড়াচ্ছে, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক;এবং সর্বোপরি, আইনের শাসন ও স্বাধীন সাংবাদিকতার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।নচেৎ, এ ধরনের অপপ্রচার অব্যাহত থাকলে তা শুধু ব্যক্তির ক্ষতিই করবে না, বরং রাষ্ট্রের বিচারব্যবস্থা, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সামাজিক স্থিতিশীলতার ওপর দীর্ঘমেয়াদে ভয়াবহ প্রভাব ফেলবে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category

Categories

© All rights reserved © 2026