কামরুল ০১৮৮৩০৮৮০৮৪ লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির প্রভাবশালী সদস্য জনাব ছলিমউদ্দিন চৌধুরী প্রকাশ (খোকন চৌধুরী)র বিরুদ্ধে বিভিন্ন পেইজবুকে অপপ্রচার চালাচ্ছে বাবর নামের এক ষড়যন্ত্রকারী। চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা বিএনপির প্রভাবশালী সদস্য এস এম ছলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ভুয়া বানোয়াট অপপ্রচার চালাচ্ছে এই অপপ্রচারে ষড়যন্ত্রকারী ও বিভিন্ন অসমাজিক কর্মকান্ডের গডফাদার বাবর উল্লেখ করেন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রিয় নেতা জনাব ছলিম উদ্দিন চৌধুরী প্রকাশ (খোকন চৌধুরী) নাকি সরকারি পরিত্যক্ত খাস জায়গা দখলের চেষ্টা করছেন অথচ স্থানীয়দের দাবি খোকন চৌধুরী এই ধরনের কোন কর্মকান্ডের সাথে জড়িত নেই বরং চৌধুরী গেস্ট হাউসের পূর্ব পাশে অবস্থিত খোকন চৌধুরীর পত্রিক সম্পত্তি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে শুধু তাই নয় এলাকাবাসী বলেছেন খোকন চৌধুরী সরকারি কোন সম্পতি নিজের দখলীয় সম্পত্তি হিসেবে দেখিয়ে প্রভাব খাটিয়ে ভূমি অফিসের মাধ্যমে সেটি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে কেউ প্রমাণ করতে পারবেন না । পেইজবুকে কেন খোকন চৌধুরীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে তা কারো জানা নেই। স্থানীয় একাধিক সূত্রে আরো জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই জায়গাটি পত্রিক সম্পত্তি হিসেবে খোকন চৌধুরীর দখলে আছেন। এবং একশত পার্সেন্ট সত্য যে এই সম্প্রতি খোকন চৌধুরীর পত্রিক সম্পত্তি তিনি কোন ধরনের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রভাব ব্যবহার করে জায়গাটি দখল করে নাই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুমি অফিসের এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, খোকন চৌধুরী যেই অবস্থায় আছেন তিনি চাইলে শত শত সরকারি জায়গা দখল করতে পারতেন শুধু তাই নয় অন্য কোন নেতা যদি খোকন চৌধুরীর স্থানে থাকতেন তাহলে অবশ্যই সরকারের বহু জায়গা দখলে নিতেন যা খোকন চৌধুরী করেন নাই আমাদের মনে হয় বাবর পাগলামি করছেন পাগলামি করলেন ও পাগলামির একটা সিমা থাকা দরকার । বনবিভাগের কিছু কর্মকর্তা ও বলেন খোকন চৌধুরী আছে বলেই আমরা নিরাপদে আছি উনি কোন দিন আমাদের সাথে কোন বিষয় নিয়ে অশূভনীয় ব্যবহার করে নাই। স্থানীয়দেরবক্ত্যবে আরো বলেন সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর খোকন চৌধুরীর দল ক্ষমতায় আসার পরেও কারো সাথে ক্ষমতা দেখানো দুরের কথা কারো সাথে বড় গলায় কথা ও বলেনি তবু কেন বাবরের মতো ষড়যন্ত্রকারীরা খোকন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন । বাবরের মিথ্যা অভিযোগে উল্লেখ করেছেন বিপ্লব বড়ুয়ার পিএস দোসর হিসেবে পরিচিত আরিফের সাথে ভালো সম্পর্ক ছিল খোকন চৌধুরীর কিন্তু আরিফ কে কোন দিন আমরা খোকন চৌধুরীর কাছে যাওয়া আসা করতে দেখিনি খোকন চৌধুরী যদি নিরাপত্তা তদারকির দায়িত্বে দেখাশুনা করতেন তবে আরিফ কে পালিয়ে যেতে হতনা। প্রশাসন ও উপরস্থ মহলের কাছে এলাকাবাসীর আবেদন বাবরদের এই ষড়যন্ত্রের কারণ খতিয়ে দেখে বাবদের মত ষড়যন্ত্রকারীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি বাস্তবায়ন করা হোক।
118
কামরুল ০১৮৮৩০৮৮০৮৪
লোহাগাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির প্রভাবশালী সদস্য জনাব ছলিমউদ্দিন চৌধুরী প্রকাশ (খোকন চৌধুরী)র বিরুদ্ধে বিভিন্ন পেইজবুকে অপপ্রচার চালাচ্ছে বাবর নামের এক ষড়যন্ত্রকারী।
চট্টগ্রাম দক্ষিণজেলা বিএনপির প্রভাবশালী সদস্য এস এম ছলিম উদ্দিন খোকন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ভুয়া বানোয়াট অপপ্রচার চালাচ্ছে এই অপপ্রচারে ষড়যন্ত্রকারী ও বিভিন্ন অসমাজিক কর্মকান্ডের গডফাদার বাবর উল্লেখ করেন পরিচ্ছন্ন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তৃণমূল নেতাকর্মীদের প্রিয় নেতা জনাব ছলিম উদ্দিন চৌধুরী প্রকাশ (খোকন চৌধুরী) নাকি সরকারি পরিত্যক্ত খাস জায়গা দখলের চেষ্টা করছেন অথচ স্থানীয়দের দাবি খোকন চৌধুরী এই ধরনের কোন কর্মকান্ডের সাথে জড়িত নেই বরং চৌধুরী গেস্ট হাউসের পূর্ব পাশে অবস্থিত খোকন চৌধুরীর পত্রিক সম্পত্তি সরকারি সম্পত্তি হিসেবে ব্যবহার হচ্ছে শুধু তাই নয় এলাকাবাসী বলেছেন খোকন চৌধুরী সরকারি কোন সম্পতি নিজের দখলীয় সম্পত্তি হিসেবে দেখিয়ে প্রভাব খাটিয়ে ভূমি অফিসের মাধ্যমে সেটি দখলে নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলে কেউ প্রমাণ করতে পারবেন না । পেইজবুকে কেন খোকন চৌধুরীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালাচ্ছে তা কারো জানা নেই।
স্থানীয় একাধিক সূত্রে আরো জানায়, দীর্ঘদিন ধরে ওই জায়গাটি পত্রিক সম্পত্তি হিসেবে খোকন চৌধুরীর দখলে আছেন। এবং একশত পার্সেন্ট সত্য যে এই সম্প্রতি খোকন চৌধুরীর পত্রিক সম্পত্তি তিনি কোন ধরনের রাজনৈতিক ও ব্যক্তিগত প্রভাব ব্যবহার করে জায়গাটি দখল করে নাই।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ভুমি অফিসের এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, খোকন চৌধুরী যেই অবস্থায় আছেন তিনি চাইলে শত শত সরকারি জায়গা দখল করতে পারতেন শুধু তাই নয় অন্য কোন নেতা যদি খোকন চৌধুরীর স্থানে থাকতেন তাহলে অবশ্যই সরকারের বহু জায়গা দখলে নিতেন যা খোকন চৌধুরী করেন নাই আমাদের মনে হয় বাবর পাগলামি করছেন পাগলামি করলেন ও পাগলামির একটা সিমা থাকা দরকার । বনবিভাগের কিছু কর্মকর্তা ও বলেন খোকন চৌধুরী আছে বলেই আমরা নিরাপদে আছি উনি কোন দিন আমাদের সাথে কোন বিষয় নিয়ে অশূভনীয় ব্যবহার করে নাই।
স্থানীয়দেরবক্ত্যবে আরো বলেন সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর খোকন চৌধুরীর দল ক্ষমতায় আসার পরেও কারো সাথে ক্ষমতা দেখানো দুরের কথা কারো সাথে বড় গলায় কথা ও বলেনি তবু কেন বাবরের মতো ষড়যন্ত্রকারীরা খোকন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছেন । বাবরের মিথ্যা অভিযোগে উল্লেখ করেছেন বিপ্লব বড়ুয়ার পিএস দোসর হিসেবে পরিচিত আরিফের সাথে ভালো সম্পর্ক ছিল খোকন চৌধুরীর কিন্তু আরিফ কে কোন দিন আমরা খোকন চৌধুরীর কাছে যাওয়া আসা করতে দেখিনি খোকন চৌধুরী যদি নিরাপত্তা তদারকির দায়িত্বে দেখাশুনা করতেন তবে আরিফ কে পালিয়ে যেতে হতনা। প্রশাসন ও উপরস্থ মহলের কাছে এলাকাবাসীর আবেদন বাবরদের এই ষড়যন্ত্রের কারণ খতিয়ে দেখে বাবদের মত ষড়যন্ত্রকারীদের অবিলম্বে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি বাস্তবায়ন করা হোক।