মদনে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত মেহেদী হাসান নামের আরোও একজন যুবক গ্রেপ্তার।
Reporter Name
Update Time :
মঙ্গলবার, ৩০ জুন, ২০২৬
৬০
Time View
মদনে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত মেহেদী হাসান নামের আরোও একজন যুবক গ্রেপ্তার।
মোঃ মোশারফ হোসেন। নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি নেত্রকোনার মদনে পুলিশের বিশেষ অভিযানে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের রামগোপালপুর গ্রামে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মেহেদী হাসান (২৩)নামের আরোও একজন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মদন থানা পুলিশ। মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সালাহউদ্দিন করিম মেহেদী হাসানের গ্রেপ্তারের বিষয়টি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, গ্রেপ্তারকৃত মেহেদী হাসান উপজেলা ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর খান বাড়ি গ্রামের মোঃ আরশ মিয়ার ছেলে। চুরির ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা থাকায় এর আগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দুজনের স্বীকারোক্তিতে তার নাম আসে এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত (২৬ জুন) ২০২৬ ইং দিবাগত রাতের বেলায় উপজেলা ফতেপুর ইউনিয়নের রামগোপালপুর গ্রামের মৃত ওয়াহিদুজ্জামান চৌধুরীর বাড়িতে ছালের টিন খুলে ঘরের দরজার থালা ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে স্টিলের আলমারি ও লোহার সিন্দুক ভেঙে স্বর্ণালংকারসহ দুর্ধর্ষ কায়দা চুরি করে পালিয়ে যায় চোর চক্রের সদস্যরা। এ সময় বাড়ি থেকে নগদ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার একটি ডায়মন্ডের আংটি, ৮০টা শাড়ি কাপড়, ৩০টা থ্রি পিস সহ প্রায় ২৭ লক্ষ ২৯ হাজার ৫০০শত টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় গত (২৭জুন )উপজেলা ফতেপুর রামগোপালপুর গ্রামের মৃত বুলবুল চৌধুরী ছেলে শহীদুজ্জামান চৌধুরী (৫৪) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মদন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় মেহেদী হাসান সহ এ নিয়ে ৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। চাঞ্চল্যকর এ চুরির ঘটনায় পুরো ফতেপুর এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার পরপরই মদন থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে চুরির সাথে জড়িত এর আগে দুজন গতকাল রাতে মেহেদী হাসান সহ তিনজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।
117
মোঃ মোশারফ হোসেন।
নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি
নেত্রকোনার মদনে পুলিশের বিশেষ অভিযানে উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের রামগোপালপুর গ্রামে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে মেহেদী হাসান (২৩)নামের আরোও একজন যুবককে গ্রেপ্তার করেছে মদন থানা পুলিশ।
মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোঃ সালাহউদ্দিন করিম মেহেদী হাসানের গ্রেপ্তারের বিষয়টি বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান,
গ্রেপ্তারকৃত মেহেদী হাসান উপজেলা ফতেপুর ইউনিয়নের ফতেপুর খান বাড়ি গ্রামের মোঃ আরশ মিয়ার ছেলে।
চুরির ঘটনার সাথে সম্পৃক্ততা থাকায় এর আগে দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তাদের দুজনের স্বীকারোক্তিতে তার নাম আসে এবং তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত (২৬ জুন) ২০২৬ ইং দিবাগত রাতের বেলায় উপজেলা ফতেপুর ইউনিয়নের রামগোপালপুর গ্রামের মৃত ওয়াহিদুজ্জামান চৌধুরীর বাড়িতে ছালের টিন খুলে ঘরের দরজার থালা ভেঙ্গে ঘরের ভিতরে প্রবেশ করে স্টিলের আলমারি ও লোহার সিন্দুক ভেঙে স্বর্ণালংকারসহ দুর্ধর্ষ কায়দা চুরি করে পালিয়ে যায় চোর চক্রের সদস্যরা।
এ সময় বাড়ি থেকে নগদ ২ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা এবং প্রায় ১০ ভরি স্বর্ণালঙ্কার একটি ডায়মন্ডের আংটি, ৮০টা শাড়ি কাপড়, ৩০টা থ্রি পিস সহ
প্রায় ২৭ লক্ষ ২৯ হাজার ৫০০শত টাকার মালামাল লুট করে নিয়ে যায়।
এ ঘটনায় গত (২৭জুন )উপজেলা ফতেপুর রামগোপালপুর গ্রামের মৃত বুলবুল চৌধুরী ছেলে শহীদুজ্জামান চৌধুরী (৫৪) বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামি করে মদন থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।পুলিশ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকায় মেহেদী হাসান সহ এ নিয়ে
৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।
চাঞ্চল্যকর এ চুরির ঘটনায় পুরো ফতেপুর এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনার পরপরই মদন থানা পুলিশ তদন্ত শুরু করে এবং বিশেষ অভিযান পরিচালনার মাধ্যমে চুরির সাথে জড়িত এর আগে দুজন গতকাল রাতে মেহেদী হাসান সহ তিনজনকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ।