খুলনা নগরীর একটি বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। রোববার গভীর রাতে সংঘটিত এ ঘটনার পর অভিযুক্ত নিরাময় কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালকসহ দুজন পলাতক রয়েছেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৮ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এক কন্যা সন্তানের জননী ওই নারী তাঁর পরিচিত সায়মন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে সোনাডাঙ্গা থানার মোল্লাবাড়ির সামনে অবস্থিত ‘নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে’ যান। সেখানে গিয়ে তিনি সায়মনের কাছে পাওনা চার হাজার টাকা দাবি করেন। অভিযোগ রয়েছে, টাকা এনে দেওয়ার কথা বলে সায়মন ওই নারীকে ভবনের চিলেকোঠায় নিয়ে যান এবং সেখানে রেখে নিচে নেমে যান। কিছু সময় পর সায়মনের কথিত চাচা পঙ্কজ শিকদার এবং নিরাময় কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক শাহীন সেখানে যান। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, রাত সাড়ে ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত তাঁকে সেখানে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। সোনাডাঙ্গা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অনিমেষ জানান, ঘটনার পর অভিযুক্তরা ওই নারীকে ভবনের গেটের ভেতরে তালাবদ্ধ রেখে চলে যায়। পরে ভুক্তভোগী তাঁর কাছে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে স্বামীকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে নিরাময় কেন্দ্রের মূল ফটক তালাবদ্ধ। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় ভেতর থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়। পুলিশ জানায়, উদ্ধার করার পর ভুক্তভোগীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে স্বামীর জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। সোনাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলায় তিনজনকে আসামি করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি। সোমবার রাতে নিরাময় কেন্দ্রটিতে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন অফিস সহকারী ছাড়া প্রতিষ্ঠানের কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত নেই। অভিযুক্ত নির্বাহী পরিচালক শাহীন ও পঙ্কজ শিকদারের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে খুলনা বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিনিয়র উপ-পরিচালক মলয় ভুষণ চক্রবর্তীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিরাময় কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নেন। স্থানীয়রা জানান, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রটি পরিচালিত হলেও এর কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন সময় প্রশ্ন উঠেছিল। সর্বশেষ এ ঘটনার পর কেন্দ্রটির তদারকি ও কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
117
খুলনা নগরীর একটি বেসরকারি মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে এক নারীকে দলবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। রোববার গভীর রাতে সংঘটিত এ ঘটনার পর অভিযুক্ত নিরাময় কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালকসহ দুজন পলাতক রয়েছেন। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, রোববার (৮ মার্চ) রাত সাড়ে ১০টার দিকে এক কন্যা সন্তানের জননী ওই নারী তাঁর পরিচিত সায়মন নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে সোনাডাঙ্গা থানার মোল্লাবাড়ির সামনে অবস্থিত ‘নিউ পথ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে’ যান। সেখানে গিয়ে তিনি সায়মনের কাছে পাওনা চার হাজার টাকা দাবি করেন।
অভিযোগ রয়েছে, টাকা এনে দেওয়ার কথা বলে সায়মন ওই নারীকে ভবনের চিলেকোঠায় নিয়ে যান এবং সেখানে রেখে নিচে নেমে যান। কিছু সময় পর সায়মনের কথিত চাচা পঙ্কজ শিকদার এবং নিরাময় কেন্দ্রের নির্বাহী পরিচালক শাহীন সেখানে যান। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, রাত সাড়ে ১১টা থেকে ভোর ৫টা পর্যন্ত তাঁকে সেখানে আটকে রেখে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়।
সোনাডাঙ্গা মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) অনিমেষ জানান, ঘটনার পর অভিযুক্তরা ওই নারীকে ভবনের গেটের ভেতরে তালাবদ্ধ রেখে চলে যায়। পরে ভুক্তভোগী তাঁর কাছে থাকা মোবাইল ফোন দিয়ে স্বামীকে বিষয়টি জানান। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখে নিরাময় কেন্দ্রের মূল ফটক তালাবদ্ধ। স্থানীয় বাসিন্দাদের সহায়তায় ভেতর থেকে ওই নারীকে উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, উদ্ধার করার পর ভুক্তভোগীকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান-স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাঁকে স্বামীর জিম্মায় দেওয়া হয়েছে।
সোনাডাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ভুক্তভোগীর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলার প্রস্তুতি চলছে। মামলায় তিনজনকে আসামি করা হবে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়নি।
সোমবার রাতে নিরাময় কেন্দ্রটিতে গিয়ে দেখা যায়, কয়েকজন অফিস সহকারী ছাড়া প্রতিষ্ঠানের কোনো দায়িত্বশীল কর্মকর্তা সেখানে উপস্থিত নেই। অভিযুক্ত নির্বাহী পরিচালক শাহীন ও পঙ্কজ শিকদারের কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি।
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে খুলনা বিভাগীয় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের সিনিয়র উপ-পরিচালক মলয় ভুষণ চক্রবর্তীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিরাময় কেন্দ্রটি পরিদর্শন করেন এবং ঘটনার বিষয়ে খোঁজখবর নেন।
স্থানীয়রা জানান, এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কেন্দ্রটি পরিচালিত হলেও এর কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন সময় প্রশ্ন উঠেছিল। সর্বশেষ এ ঘটনার পর কেন্দ্রটির তদারকি ও কার্যক্রম নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযুক্তদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।