ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে গুরুত্ব, পাঁচ বছরে ৫৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার
Update Time :
রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
১৯
Time View
ছাদে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনে গুরুত্ব, পাঁচ বছরে ৫৫০০ মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য
সাধন সাহা জয় স্টাফ রিপোর্টার সরকারি-বেসরকারি ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন। আগামী পাঁচ বছরে সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার। আজ সকাল ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ (রুফটপ সোলার) স্থাপনবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ সভার আয়োজন করা হয়। ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। দেশের সীমিত সম্পদ দিয়ে জ্বালানির চাহিদা পূরণ এবং এ খাতে ক্রমবর্ধমান ভর্তুকির চাপ কমাতে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন বাড়াতে হবে। এ জন্য সরকারি ও বেসরকারি ভবনের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি আরও বলেন, আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। সরকারের এ উদ্যোগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি। জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়। সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, জনস্বার্থে সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিদ্যমান বাধাগুলো অতিক্রম করতে হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরপ্রধানদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। জেলার ফোকাল পার্সন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দের সঞ্চালনায় সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানরা অংশ নেন। তাঁরা নিজ নিজ দপ্তরের পক্ষ থেকে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সম্ভাবনা, বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন। সভায় জানানো হয়, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে সরকারি স্থাপনাগুলোর ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনের কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা ও সাশ্রয় সমন্বয় কমিটি এবং ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটি সমন্বিতভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার স্থানীয় কার্যালয়গুলো প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি-বেসরকারি ভবনের অব্যবহৃত ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন করা গেলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
25
সাধন সাহা জয়
স্টাফ রিপোর্টার
সরকারি-বেসরকারি ভবনের ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপনের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বিদ্যুৎ বিভাগের যুগ্ম সচিব ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন।
আগামী পাঁচ বছরে সৌরবিদ্যুৎ থেকে জাতীয় গ্রিডে ৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
আজ সকাল ১১টায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ (রুফটপ সোলার) স্থাপনবিষয়ক এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং জেলা প্রশাসনের সহযোগিতায় এ সভার আয়োজন করা হয়।
ড. মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে বিকল্প জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানোর কোনো বিকল্প নেই। দেশের সীমিত সম্পদ দিয়ে জ্বালানির চাহিদা পূরণ এবং এ খাতে ক্রমবর্ধমান ভর্তুকির চাপ কমাতে সৌরবিদ্যুতের উৎপাদন বাড়াতে হবে।
এ জন্য সরকারি ও বেসরকারি ভবনের ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনে সংশ্লিষ্ট সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে।
তিনি আরও বলেন, আগামী প্রজন্মের জন্য বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ে তোলা এবং দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়ানো জরুরি। সরকারের এ উদ্যোগ সফল করতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে আন্তরিকতার সঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান তিনি।
জেলা প্রশাসক মো. আবুসাঈদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপন ও রক্ষণাবেক্ষণের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা হয়। সভাপতির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, জনস্বার্থে সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচি বাস্তবায়নে বিদ্যমান বাধাগুলো অতিক্রম করতে হবে। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট দপ্তরপ্রধানদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
জেলার ফোকাল পার্সন ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) রঞ্জন চন্দ্র দের সঞ্চালনায় সভায় বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের প্রধানরা অংশ নেন। তাঁরা নিজ নিজ দপ্তরের পক্ষ থেকে সৌরবিদ্যুৎ স্থাপনের সম্ভাবনা, বাস্তবায়ন এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে মতামত তুলে ধরেন।
সভায় জানানো হয়, আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৭ সালের মধ্যে সরকারি স্থাপনাগুলোর ছাদে সোলার প্যানেল স্থাপনের কার্যক্রম বাস্তবায়নের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনা ও সাশ্রয় সমন্বয় কমিটি এবং ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুৎ কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটি সমন্বিতভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি বিদ্যুৎ বিতরণ সংস্থার স্থানীয় কার্যালয়গুলো প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেবে।
সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি-বেসরকারি ভবনের অব্যবহৃত ছাদে সৌরবিদ্যুৎ প্যানেল স্থাপন করা গেলে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ বাড়ানোর পাশাপাশি প্রচলিত জ্বালানির ওপর নির্ভরতা কমানো সম্ভব হবে। একই সঙ্গে দেশের দীর্ঘমেয়াদি জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেও এ উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।